This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Saturday, July 11, 2020

অঞ্জনা বাংলাদেশের চিরযৌবনা জনপ্রিয় অভিনেত্রী (Bangladeshi actress Onjona)

অঞ্জনা

বাংলাদেশের একসময়ের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী অঞ্জনা সুলতানা। লাস্যময়ী, চঞ্চলা এবং নাচে অত্যন্ত দক্ষ।শুধু নাচ নয় অভিনয়েও ছিলেন সমান পারদর্শী।তার উপর চেহারা ছিলো প্লাস পয়েন্ট।তার অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির সংখ্যা তিন শতাধিকেরও বেশী।

চলচিত্রে অঞ্জনা নামধারী এই নায়িকা ১৯৬৫ সালের ২৭ জুন পুর্ব পাকিস্তানের ঢাকাতে জম্মগ্রহন করেন।তার দুই বোন এক ভাই। বিবাহিত অঞ্জনা বর্তমানে দুই সন্তানের জননী। তার ছেলে মনি নিশান আর মেয়ে ফারজানা নিশি।

তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি গান ও নাচেও দক্ষতার পরিচয় দেন।তিনি নাচের জন্য ভারতের বিখ্যাত নাচের গুরুর কাছে দীক্ষা নেয়।সারা জীবন তিনি তার এই প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলছেন।

তার অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের সংখ্যা প্রায় ৩ শতাধিক। ১৯৮১ সালে গাংচিল চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রথমবার এবং ১৯৮৬ সালে পরিণীতা চলচ্চিত্রে ললিতা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি দুইবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া তিনি মোহনা (১৯৮৩), পরিণীতা (১৯৮৬) এবং রাম রহিম জন (১৯৮৯) চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিভাগে তিনবার বাচসাস পুরস্কার লাভ করেন।

চলচ্চিত্র জগতে আসার আগে তিনি একজন নামী নৃত্যশিল্পী ছিলেন।তার নাচের প্রতিভা দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়েন।সেই সুত্রধরে অঞ্জনার অভিনয় জীবন শুরু হয় ১৯৭৬ সালে বাবুল চৌধুরী পরিচালিত সেতু চলচ্চিত্র দিয়ে। তবে তার মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম চলচ্চিত্র শামসুদ্দিন টগর পরিচালিত দস্যু বনহুর (১৯৭৬)। রহস্য ভিত্তিক এই ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন সোহেল রানা। ১৯৭৮ সালে তিনি আজিজুর রহমান পরিচালিত অশিক্ষিত চলচ্চিত্রে নায়ক রাজ রাজ্জাকের বিপরীতে লাইলি চরিত্রে অভিনয় করেন। রাজ্জাকের বিপরীতে তিনি ৩০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। রাজ্জাকের বিপরীতে তার অভিনীত অন্যান্য চলচ্চিত্রগুলো হল, অশিক্ষিত (১৯৭৮) জিঞ্জীর (১৯৭৯), আশার প্রদিপ (১৯৭৯), আশার আলো (১৯৭৯) আনারকলি (১৯৮০) সুখেথাকো (১৯৮১) সানাই (১৯৮২) বৌরানী (১৯৮২), বৌ কথা কও (১৯৮৪) অভিযান (১৯৮৫) বিধাতা (১৯৮৮) রাম রহিম জন (১৯৮৯)। এছাড়া আলমগীর, জসিম, বুলবুল আহমেদ, জাফর ইকবাল, ওয়াসিম, উজ্জ্বল, ফারুক, ইলিয়াস জাভেদ , মিঠুন চক্রবর্তী, (ভারত) ইলিয়াস কাঞ্চন, সোহেল চৌধুরী , রুবেল, সুব্রত বড়ুয়া, মান্না, ফয়সাল, (পাকিস্তান), নাদীম, (পাকিস্তান) জাভেদ শেখ (পাকিস্তান), ইসমাইল শাহ,(পাকিস্তান), শীবশ্রেষ্ঠ, (নেপাল), ভূবন কেসি (নেপাল) সবার সাথে অভিনয় করেছেন। (১৯৮৯) সালে ভারতের সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী সাথে (অর্জুন) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রশংসিত হন। 


তিনি আন্তর্জাতিক ভাবেও ব্যাপক পরিচিত ও প্রশংসিত। তিনি বিভিন্ন দেশের চলচিত্রে অভিনয় করেছেন।
ভারত
পাকিস্তান
তুরস্ক
নেপাল
শ্রীলংকা

শুধু অভিনয়, সৌর্ন্দয্য ও নাচ দিয়ে নয় অনেক চলচিত্রের সফল প্রযোজকও ছিলেন এই বহুমখী প্রতিভার অধিকারিনী অঞ্জনা । তার প্রযোজিত ছবিগ্রলো ব্যাবসা সফল ছিলো।

তার প্রযোজিত ছবিগুলো হলো

নেপালী মেয়ে
হিম্মতওয়ালী
দেশ বিদেশ
বাপের বেটা
রঙিন প্রাণ সজনী
শশুরবাড়ী
লালু সর্দার
রাজা রানি বাদশা
ডান্ডা মেরে ঠান্ডা
বন্ধু যখন শত্রু

বর্তমানে রাজনীতিতে আওয়ামীলীগের সক্রিয় সদস্য।অঞ্জনা এক সময় ইলিয়াস কাঞ্চনের নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনে জড়িত ছিলেন।তিনি বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং আওয়ামী সাংস্কৃতিক লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য।

Thursday, July 9, 2020

জালি কাবাব তৈরির সহজ উপায় (The easiest way to make jali kabab)


make jali kabab

ঝটপট কিছু তৈরি করতে চাইলে আজই শিখে নিতে পারেন জালি কাবাব তৈরির রেসিপি। কাবাবপ্রেমীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে এই জালি কাবাব। সুস্বাদু এই আইটেমটি আপনি নিজেই তৈরি করতে পারেন। রেসিপি জানা নেই?জেনে নিন জালি কাবাব তৌরী করা নিয়মঃ

উপকরণ : গরুর মাংসের কিমা এক এক কাপ, পেঁয়াজ কুচি তিন টেবিল চামচ, আদা ও রসুন বাটা এক চা চামচ, পেঁপে বাটা এক চা চামচ, কাবাব মশলা আধা চা চামচ, গুরম মশলার গুঁড়া আধা চা চামচ, পাউরুটির কুচি দুই স্লাইস, টমেটো সস এক টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, কাঁচামরিচ কুচি এক চা চামচ (মিহিকুচি), ডিম ফেটানো দুইটা, লেবুর রস এক চা চামচ, ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো, লবণ পরিমাণমতো।



প্রণালি : তেল ও ডিম বাদে অন্য সব উপকরণ একসঙ্গে ভালো করে মেখে নিন। এবার এক ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। এবার গোল গোল কাবাবের আকার দিয়ে একটি পাত্রে রাখুন। ডিম ফেটে নিন। কড়াইতে তেল দিয়ে গরম হলে কাবাব ডিমে ডুবিয়ে তেলে মাঝারি আঁচে ভেজে নিন। এবার একটি পরিবেশন পাত্রে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

প্রাকৃতিক উপায়ে দূর করুন গ্যাস্ট্রিক! (Get rid of gastric! by natural way)



কমবেশি সকলেই গ্যাস্ট্রিকের সাথে পুরিচিত। একেবারে ‘চিরতরে গ্যাস্ট্রিকের যন্ত্রণার ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে শুধু খাদ্যাভাস নয়, দৈনন্দিন জীবনেও ছোট-খাটো কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। ‘আমার গ্যাস্ট্রিক বা গ্যাস্ট্রাইটিসের সমস্যা নেই’ এ কথা কেউ বলতে পারবেন। কেউ কেউ নিয়মিত, কেউ বা মাঝে মধ্যে এ সমস্যায় ভোগেন৷কেন এই সমস্যা হয় এবং খাওয়ার পর গ্যাস বা অম্বলকে কীভাবে এড়ানো যায় তার জন্য কার্যকরী কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। কোলনের ইন্টারনাল মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ ডা. ইয়োর্গেন স্ল্যুইটারের পরামর্শ অনুযায়ী

খাবার ৬ বেলায় খান: আপনি তিন বেলার খাবারকে ভাগ করে ছয়বার খান৷ তেলে ভাজা খাবার, অতিরিক্ত ঝাল, চর্বি, মসলা, মিষ্টি, অর্থাৎ যেসব খাবার হজম করতে সমস্যা হয়, সেগুলো খাবার তালিকা থেকে আস্তে আস্তে কমিয়ে দিয়ে হালকা খাবার খান৷ যেমন আপনার খাবারের তালিকায় থাকতে পারে মাছ, অল্প মাংস, সবজি, আলু ইত্যাদি৷ এছাড়া খালি পেটে ফলের রস বা টক জাতীয় খাবার একেবারেই নয়৷

খাবার উপভোগ করুন: পরিমাণে অল্প খাবার একটু ধীরে ধীরে ভালো করে চিবিয়ে খান৷ দুপুরে খাওয়ার পর পরই ঘুমানো উচিত নয়, কারণ এতে খাবার আবার পাকস্থলীতে ফিরে আসতে পারে৷ বরং হাতে সময় থাকলে খাবার পর একটু হাঁটা যেতে পারে, যা খাবার হজম এবং মলত্যাগে সহায়তা করে থাকে৷

বুঝে পান করুন: পিপাসা মেটাতে পানি এবং হালকা চা পান করতে পারেন৷ তবে দিনে কম পক্ষে দুই লিটার পানি পান করা উচিত, যাতে খাবার পাকস্থলীতে ভালো করে মিশে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পারে৷ কফি বা অ্যালকোহল যতটা সম্ভব কম পান করলেই ভালো৷ তবে শুধু খাবার নয়, জল পান করার দিকেও কিছুটা গুরুত্ব দিতে হবে৷

ঢিলেঢালা পোশাক: খুব টাইট জিন্স বা কোমরের বেল্ট বেশি টাইট করে বাঁধবেন না৷ কারণ টাইট বেল্ট পেটে চাপ দেয়, যার ফলে টক ঢেকুর উঠতে পারে৷ কাজেই একটু আরামদায়ক বা একটু ঢিলে কাপড়-চোপড় পরাই স্রেয়৷

নিয়মিত হাঁটাচলা করুন: হাঁটা-চলার কোনো বিকল্প নেই’ এ কথা কম-বেশি আমরা সকলেই জানি৷ অতিরিক্ত ওজনের কারণে পেটে চাপ পড়ে এবং হাঁটাচলা না করায় মলত্যাগ করার পথে বাঁধা সৃষ্টি হয়৷ তাছাড়া পেটে খাবার জমে থাকা মানেই অস্বস্তি বোধ এবং সে কারণে ওজন কমানো বা ওজন ঠিক রাখাও সম্ভব হয় না৷ ব্যায়াম এবং হাঁটাচলা করলে শরীর থাকে হালকা থাকে, অন্ত্রও থাকে সক্রিয় আর গ্যাসও হয় কম৷

বালিশটা একটু উঁচু করে ঘুমাবেন: গ্যাসট্রিক বা অম্বলের সমস্যা সাধারণত রাতে বেলায় হয়৷ তাই বালিশটা একটু উঁচু করে এবং শরীরের ওপরের দিকটাও একটু উঁচুতে তুলে ঘুমাবেন৷ এতে গ্যাসট্রিক অ্যাসিড ওপরে উঠতে পারে না৷ বাঁদিকে কাত হয়ে ঘুমালেও পেটে চাপ কম পড়ে৷ তাছাড়া রাতের খাবার ঘুমাতে যাওয়ার তিন ঘণ্টা আগে খেলে খাবার হজম করতে আর কোনো সমস্যা হয় না৷

আঁশযুক্ত খাবার: ডাক্তারি ভাষায় টক খাবার বলতে বোঝায় মুরগির মাংস, মাছ, ভাত, মসুরের ডাল ইত্যাদি৷ এ ধরনের খাবার খাওয়ার পর এসিড হতে পারে৷ তাই আলু, রুটি, সিম, মটরশুটি, মুগের ডাল, কলাইয়ের ডাল ইত্যাদি খাবার ‘টক’ খাবারের সাথে মিশিয়ে খেলে অম্বলের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়৷ এছাড়া প্রতিদিন খাবারের তালিকায় সামান্য আলু সেদ্ধ বা আলুর তরকারি থাকতে পারে৷ আঁশযুক্ত খাবারের কথা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে৷

স্ট্রেসকে দূরে রাখুন: স্ট্রেস বা মানসিক চাপের সঙ্গে রয়েছে পেটের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক৷ তাই যে কোনো সংঘাত এড়িয়ে যতটা সম্ভব স্ট্রেস থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করুন৷ হালকা খাবার, যথেষ্ট হাঁটাচলা, কিছুটা বিশ্রাম – এভাবেই পেট বা অন্ত্রকে রক্ষা করতে, গ্যাসট্রিককে প্রতিরোধ করতে পারেন৷

ধূমপান পরিহার করুন: স্ট্রেস বা মানসিক চাপের ফলে পেটে অ্যাসিড প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় – সে কথা আমরা অনেকেই জানি৷ স্ট্রেসের কারণে অনেকে ধূমপান করেন৷ কিন্তু নিকোটিন অন্ত্রের খাবার মলদ্বারের রাস্তায় যে পথ দিয়ে যায়, সেটিকে দুর্বল করার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে৷

এছাড়া স্ট্রেস হরমোন হজম শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ শরীরের ভারসাম্য রক্ষায় অসুবিধার কারণে পেটে অ্যাসিড উৎপাদন হয়, কাজেই আর ধূমপান নয়!

Sunday, July 5, 2020

বিশ্বের প্রথম সোনায় মোড়া হোটেল (World's First Gold Plated Hotel)

Golden Hotel


কোভিড ১৯ এর ভয়াবহতা বিশ্বের সবাই বেড়াতে যাওয়ার কথা বেমালুম ভুলতে বসেছেন প্রায়! তবে এই অবস্থা একসময় কেটে যাবে। পরিস্থিতি শুধু একবার স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষা। ব্যস! তারপর আর আটকায় কে! তবে জেনে রাখুন এই করোনার কালবেলাতেই বিশ্বের প্রথম সোনায় মোড়া হোটেলের  উদ্ধোধেন হয়ে গেলো করোনা মুক্ত দেশ ভিয়েতনামে। হ্যাঁ! অবাক হওয়ার মতো ঘটনা হলেও সত্যিই তাই। সোনায় মোড়া টয়লেটের খবর শুনেছেন, মোবাইল গাড়ী, জেট বিমান, সোনার তৈরি আরো কত শত জিনিসের নাম শুনেছেন। এবার সোনায় মোড়া হোটেল। বিশ্বের সামর্থ্যবান ভ্রমন পাগল মানুষ কি ভাবছেন জানেন? ভাবছেন? কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে? আর এই সঙ্কটজনক অবস্থার একটু উন্নতি হলেই ঢুঁ মারতে যাবেন অত্যাশ্চর্য সেই হোটেলে?

তাহলে বিশ্বের প্রথম সোনায় মোড়া পাঁচতারা হোটেল সম্পর্কে আরো কিছু আশ্চার্যজনক তথ্য জেনে নিন।

জানুন এই হোটেলটির নামঃ 

ভিয়েতনামের রাজধানী হানোইতে তৈরি হয়েছে বিশ্বের সর্বপ্রথম সোনার প্লেটে নির্মিত হোটেল। ২০০৯ সাল থেকে এই হোটেলের কাজ শুরু হয়েছে। মনে করা হচ্ছে যে, চলতি বছরের শেষ দিকেই পুরোপুরি নির্মিত হয়ে যাবে তাক লাগানো এই হোটেল।ধারনা করুন এটি কত তারা বিশিষ্ট হোটেল হতে পারে? ফাইভ স্টার, আপনার ধারনা ভুল। এটি একটি সিক্স স্টার অর্থাৎ ছয় তারকা বিশিষ্ট হোটেল।নাম রাখা হয়েছে 'ডলস হানোই গোল্ডেন লেক' (Dolce Hanoi Golden Lake)

এই হোটেল তৈরি করতে খরচ হয়েছে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। হোটেলের ইন্টিরিয়ার এবং এক্সটিরিয়ার দুই ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়েছে সবচেয়ে ভালোমানের ২৪ ক্যারেটের সোনা। তবে সোনার পাতে পুরো হোটেল নির্মিত হলে কী হবে, হোটেলের টয়লেট সিট থেকে শুরু করে লবি, ইনফিনিটি পুল, রুম এমনকী বাথরুমের শাওয়ারের মাথা, এমমকি ডেস্র রাখার হ্যাঙ্গারও সোনা দিয়েই তৈরি করা হয়েছে। হোটেলে কোনো গেস্ট কফি খেতে চাইলে, তাকে সোনার কাপেই কফি পরিবেশন করা হবে।খাবার প্লেটও মোড়ানো হবে সোনা দিয়ে।

ভিয়েতনামের বিভিন্ন সন্মান বয়ে আনা প্রসিদ্ধ হোয়া বিন গ্রুপই তৈরি করেছে 'ডলস হানোই গোল্ডেন লেক'। হোটেলটির সুনিপুনভাবে ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সামলাচ্ছে আমেরিকান সংস্থা উইনধাম হোটেল গ্রুপ।

প্রশ্ন জাগতে পারে হোটেলটি কত উচ্চ ঃ আসলে হোটেলটি মাঝারীমানের উচ্চতা বিশিষ্ট যার উচ্চতা মাত্র ২৫ তলা।

এখানে এক রাতের জন্য কত টাকার গুনতে হবেঃ

সোনায় মোড়ানো হোটেলে থাকবেন না জানি কত টাকা ব্যয় করতে হবে । আসলে খরচ ততোটা বেশী নয়। এখানে রুম ভাড়া শুরু হয়েছে মাত্র ২৫০ ডলার থেকে। যা অনেক ৫ স্টার হোটেলের রুম ভাড়ার চেয়ে অনেক কম।

হোটেলের নির্মাতারা কী বলছেনঃ

শুধু ধনীরাই নয়। সাধারণ ছাপোষা মধ্যবিত্তরাও ঘুরে যাক এই হোটেলে। এমন কথাই বলছেন হোটেলের নির্মাতা থেকে শুরু করে খোদ হোটেল কর্তৃপক্ষ। তাদের বক্তব্য, সোশ্যাল মিডিয়া তো বটেই এমনকী সশরীরেও মানুষ চেক ইন করুক এই হোটেলে। হোটেলের নির্মাতা সংস্থা হোয়া বিন গ্রুপের চেয়ারম্যান এনগ্যুয়েন হু ডুয়োং বলছেন, "আমাদের গ্রুপেরই একটি ফ্যাক্টরি রয়েছে যেখানে আমরা খুব সস্তায় নানা ধরনের সোনার জিনিসপত্র বানাই। সেই দিক থেকে দেখতে গেলে সোনায় মোড়া এই হোটেলে থাকার খরচ কম।" তবে করোনা আবহে যে, তাদের ব্যবসা রীতিমতো ধাক্কা খেয়েছে, সে কথাটাও স্বীকার করে নিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। যদিও এই সংকটজনক পরিস্থিতি একবার চলে গেলে আবার যে তাঁরা ঘুরে দাঁড়াবেন, সে বিষয়ে যথেষ্ট আশাবাদী 'ডলস হানোই গোল্ডেন লেক' (Dolce Hanoi Golden Lake) কর্তৃপক্ষ।

ঢাকাই বিরিয়ানি(Dhaka biryani)

dhaka briyani


উপকরণ : ১. খাসির মাংস ২ কেজি, টকদই ১ কাপ, মিষ্টিদই সিকি কাপ, পেঁয়াজবাটা আধা কাপ, আদাবাটা ২ টেবিল-চামচ, রসুনবাটা ১ টেবিল-চামচ, শাহি জিরাবাটা ১ চা-চামচ, দারচিনি ৪ টুকরা, এলাচ ৪টি, লবঙ্গ ৬টি, তেজপাতা ৪টি, আলুবোখারা ৮টি, শুকনা মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল আধা কাপ, বেরেস্তা আধা কাপ, গরম মসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ, জায়ফল-জয়ত্রি গুঁড়া আধা চা-চামচ।

প্রণালি : মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে ২ ঘণ্টা রেখে দিন। এবার মাঝারি আঁচে কষিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাংস রান্না করুন। মাংস সেদ্ধ হয়ে তেলের ওপর এলে বেরেস্তা, জায়ফল-জয়ত্রি গুঁড়া, গরম মসলার গুঁড়া দিয়ে নামান।

উপকরণ : ২. আধা কেজি আলু ঘি দিয়ে ভেজে আধা সেদ্ধ করে নিতে হবে।
উপকরণ : ৩. পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল-চামচ, আদাবাটা ১ টেবিল-চামচ, পোস্তদানাবাটা ১ টেবিল-চামচ, বাদামবাটা ১ টেবিল-চামচ, টকদই আধা কাপ, মালাই আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, বেরেস্তা ১ কাপ, কিশমিশ ১ টেবিল-চামচ, পেস্তা বাদামকুচি ২ টেবিল-চামচ, দারচিনি ৬ টুকরা, এলাচ ৬টি, লবঙ্গ ৮টি, কেওড়ার জল পৌনে এক কাপ, কাঁচা মরিচ ৮-১০টি।

প্রণালি : চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন, কেওড়ার জলে জাফরান ভেজান। অন্য হাঁড়িতে ঘি গরম করে সব মসলা কষিয়ে চাল দিয়ে ভাজুন। এবার এতে ৫ কাপ গরম পানি দিয়ে লবণ, দই দিয়ে ঢেকে দিন। পানি কমে এলে দুধের সঙ্গে পোস্তদানা ও বাদামবাটা গুলিয়ে পোলাওয়ে দিয়ে অল্প জ্বালে ২০ মিনিট রাখুন। হাঁড়িতে অর্ধেক পোলাও উঠিয়ে দুই স্তরে মাংস, পোলাও, মালাই, আলু, কাঁচা মরিচ, বেরেস্তা, কিশমিশ, পেস্তা বাদাম, কেওড়ার জলে ভেজানো জাফরান দিয়ে সাজিয়ে হাঁড়ির মুখ বন্ধ করে ৩০ মিনিট দমে রাখুন। নামিয়ে পরিবেশন।

বাংলাদেশের ইতিহাস (History of Bangladesh)

history of Bangladesh



1947 সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতনের পর পশ্চিম পাকিস্তানের একটি প্রদেশ হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানের নামকরণ করা হয়।ঢাকা তার রাজধানী হিসাবে ঘোষণা করা হয়।পূর্ব পাকিস্তানে পর্যাপ্ত সম্পদ এবং জনসংখ্যাগত ভারসাম্য থাকা সত্ত্বেও সমগ্র পাকিস্তানের সরকার এবং সামরিক বাহিনী মূলত পশ্চিম পাকিস্তানের  উচ্চতর শ্রেণীর দ্বারা প্রভাবিত ছিল।পাকিস্তান সরকার - পশ্চিমাঞ্চলের আধিপত্য বজায় রাখার স্বার্থে - সমগ্র পাকিস্তানের একমাত্র সরকারী ভাষা হিসাবে উর্দু কে ঘোষণা করে যা পুর্ব পাকিস্তান তথা বাংলার জনগণের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি করেছিল।

২1 শে ফেব্রুয়ারি, 195২ সালে, পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি ছাত্রজনতা মাতৃভাষার জন্য জেগে উঠল এবং পশ্চিমের  সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করলো। পুলিশ ঢাকায় ছাত্রদের প্রতিবাদ মিছিলে গুলি চালায় ফলে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয় বেশ কয় জন্য ছাত্র।এই শহীদদের মহিমান্বিত আত্নত্যাগ ফলে এই দিনটি মাতৃভাষা দিবস হিসাবে পালিত হয়। এখন শুধু বাংলাদেশই নয় বরং বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবেও এটি উদযাপিত হয়।

পশ্চিমে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে পশ্চিমা মতের অমিল পূর্ব পাকিস্তানে শক্তিশালী রাজনৈতিক ভয়েস হিসাবে আওয়ামী লীগের উত্থানে ঘটে।1971 সালের 7 মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে পূর্ব পাকিস্তানের সকল জনগণের প্রতি একটি নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম শুরু করার আহ্বান জানায়। পাকিস্তানি দখলদারিত্ব বিরুদ্ধে, মুক্তিযুদ্ধের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানায়।যে ভাষণ টি ইউনেস্কোর স্বক্রতি ভাল করেছ।

1971 সালের ২6 মার্চ পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মেজর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করার পর মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়।রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খান এবং তার সামরিক কর্মকর্তারা বাংলাদেশের নির্দোষ বেসামরিক নাগরিকদের অপারেশন সার্চলাইট নামে রক্তাক্ত অপারেশ চালু করেন।

আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের দ্বারা গঠিত নির্বাসিত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে 17 এপ্রিল 1971 তারিখে বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরে, প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তাজউদ্দিন আহমদ এবং ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে সৈয়দ নজরুল ইসলাম শপথ গ্রহণ করেন।

বেসামরিক যোদ্ধাদের সাথে পাকিস্তান আর্মি থেকে বাংলাদেশীদের নিয়ে মুক্তি বাহিনী গঠিত হয়। জেনারেল এমএজি ওসমানী নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনী 11 টি সেক্টরে সংগঠিত হয় এবং পাকিস্তান বাহিনীগুলোর বিরুদ্ধে একটি বিশাল গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করে। এই যুদ্ধের সময় সমগ্র বিশ্ব 1971 বাংলাদেশ গণহত্যা দেখেছিল, যেখানে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তার সহযোগী ধর্মীয় মিলিশিয়ারা বাঙ্গালী বেসামরিক, বুদ্ধিজীবী, যুব, ছাত্র, রাজনীতিবিদ, কর্মী এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর ব্যাপক নির্যাতন নিপীড়ন চালায়।

অগণিত বাংলাদেশীর আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি বাহিনী অবশেষে 1971 সালের 16 ডিসেম্বর বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করে। জেগে ওঠে লাল সবুজের বাংলাদেশ।

Friday, July 3, 2020

ভারত ৩৩.৪৪ বিলিয়ন ডলারে ৩৩ টি রাশিয়ান যুদ্ধবিমান কিনছে (India to buy 33 Russian fighter jets)

India to buy 33 Russian fighter jets


ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Indian defense ministry) জানিয়েছে, বিমান বাহিনীর লড়াইয়ের স্কোয়াডগুলোর সংখ্যা বাড়িয়ে তোলার জন্য ২১ টি মিগ -২৯ এবং ১২ টি এস -৩০ এমকেআই ক্রয় করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক পারমাণবিক-সশস্ত্র প্রতিবেশী চীনের সাথে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ৩৩ টি রুশ যুদ্ধবিমান ক্রয় ও ৫৯ টি যুদ্ধবিমানকে আধুনিক ও উন্নত করার বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। মিনিস্ট্রি অফ ডিফেন্স জানিয়েছে, ২১ টি মিগ -২৯ এবং ১২ টি এস -৩০ এমকেআই কেনার পাশাপাশি বিদ্যমান বিদ্যমান মিগ ২৯- কে উন্নীত করা হচ্ছে। ভারতীয় বিমানবাহিনীর লড়াইয়ের স্কোয়াড্রনগুলিকে "বৃদ্ধি" করা হচ্ছে।মন্ত্রক আরও বলেছে যে, তারা সামরিক বাহিনীর তিনটি শাখার জন্য ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমের স্থানীয় বিকাশ এবং সেনাবাহিনীর জন্য গোলাবারুদ এবং পদাতিক যুদ্ধ বাহিনীকে উন্নত করার অনুমোদন দিয়েছে।

"আমাদের সীমান্ত রক্ষার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে শক্তিশালী করার প্রয়োজন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর 'স্বনির্ভর ভারত' করার আহ্বানের কারণে" ভারতের প্রতিরক্ষা সামর্থ্যকে আরও বাড়িয়ে তোলা হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।

এই ঘোষণাটি রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে মোদির ফোনালপের পর ভারতের পক্ষ থেকে ঘোষনাটি দেওয়া হয়েছে।

রাশিয়া - ভারতের বৃহত্তম অস্ত্র সরবরাহকারী

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং গত মাসে মস্কোতে  ৭৫ তম বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে অংশ নিতে মস্কো সফর করেছিলেন। যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানিটির বিরুদ্ধে সোভিয়েতের বিজয় চিহ্নিত হওয়া উপলক্ষে পালিত হয়।

রাশিয়া (Russia) নয়াদিল্লির শীতল যুদ্ধের মিত্র ছিল এবং ভারতের বৃহত্তম অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ।

2018 সালে, দুই দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞার হুমকি সত্ত্বেও 5.4 বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তিতে এস -400 রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেম সরবরাহের জন্য একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।

২০১৬ সালে ফ্রান্সের সাথে "উড়তে প্রস্তুত" শর্তে ফ্রান্সের সাথে স্বাক্ষরিত $ ৮.৭৮ বিলিয়ন ডলারের চুক্তির অংশ হিসাবে অর্ডার করা ৩৬ টি রাফালে যুদ্ধবিমানের প্রথম ব্যাচের আগমনের অপেক্ষায় রয়েছে ভারত, তারা ফ্রান্সে তৈরি করবে।

নয়াদিল্লি আশা করছে যে এই মাসের শেষের দিকে চার থেকে ছয়টি রাফালে বিমান ভারতে পৌঁছাবে।

সেনাবাহিনীকে আধুনিকীকরণের সাথে সাথে দক্ষিণ এশীয় এই দেশ বিশ্বের বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক রাহুল বেদী বলেছিলেন, রাশিয়ান বিমানের অধিগ্রহণটি বিমান বাহিনীর নিষ্ক্রিয় হওয়া ফাইটার স্কোয়াড্রন সংখ্যা বাড়িয়ে তুলবে, যা অনুমোদিত মোট ৪২ থেকে ২৮ এ নেমে এসেছে। একটি স্কোয়াড্রনে ১৮ টি বিমান রয়েছে।

বেডি দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছে, 12 টি এস -30 এমকেআইগুলি ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেডের লাইসেন্সের আওতায় নির্মিত হবে।

টমেটো টর্টেলোনি স্যুপ (Tomatoey Tortelloni Soup)




প্রস্তুতি সময়ঃ 30 মিনিট

উপকরন সমুহঃ

হলুদ পেঁয়াজ - ১টি
মিষ্টি ইতালিয়ান পোকার সসেজ - 9 আউন্স 
শুকনো ওরেগানো - ১ চা চামুচ
চিকেন স্টক - ২ টি
শিশুর স্পিন - ৫ আউন্স
মরিচ বাটা - ১ চা চামুচ
বেসিল - ½ আউন্স
রসুন বাটা - ২ চা চামুচ
স্লাইস করা টমেটো - ২৭.৫২
পনির টর্চেলোনি (ওয়াইট, ডিম, দুধ) - ৯ আউন্স
পারমেশান পনির - ১/২ কাপ
অলিভ ওয়েল - ২ চা চামুচ
লবণ - পরিমান মত

পাত্রঃ একটি বড় পাত্র।

নির্দেশনাঃ

সকল উপাদান ও পাত্র ধুয়ে শুস্ক করে নিতে হবে। পেয়াজ পিশে নিতে হবে। বোতল বা জার থেকে সসেজ বের করে নিতে হবে।

মাঝারি তাপমাত্রায় বড় একটি পাত্রের মধ্যে অলিভ ওয়েল নিতে হবে এবং আস্তে আস্তে তাপ বাড়াতে হবে। মাংস, সসেজ যোগ করুন। মাংস ভেঙ্গে কুড় কুড়ে এবং বাদামি রং হওয়া পর আরো ৪-৫ মিনিট জাল দিন।পেঁয়াজ, রসুন গুঁড়া, এবং অরেগন পাত্র থেকে যোগ করুন। যতক্ষন নরম না হয় তাপ দিতে থাকুন।এভাবে ২-৩ মিনিট তাপে রাখুন। টমেটো যোগ করুন।এতে ৫কাপ পানি দিয়ে অল্প আঁচে সিদ্ধ করুন।নাড়তে থাকুন যেন নিচে লেগে না যায়।এর পর পরিমাণ মত লবন ও মরিচ দিয়ে দিন।
 
একবার স্যুপ গরম হলে, টর্টেনোনিতে হালকাভাবে মেশান।ঘন হওয়া পযর্ন্ত নাড়ুন ৮ মিনিট পযর্ন্ত।
মুরগির মাংস এবং মরিচগুঁড়ো ও লবন পাত্রের মধ্যে মিশিয়ে দিন।বিভিন্ন বাটিতে ঢেলে চিনি গুড়া মিশিয়ে পরিবেশ করুন।

যৌবন ধরে রাখার সিক্রেট টিপস (Youth Retention Secret Tips)

youth retention

যৌবন ধরে রাখার জন্য আমরা সবাই চেষ্টা করি। কিন্তু বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চেহারায় আসা পরিবর্তনগুলোকে আটকানো তো মুখের কথা নয়। তার জন্য প্রয়োজন নিয়ম মেনে কিছু রুটিন ফলো করা। তাহলে ৪০-এ আপনাকে হয়তো কুড়ির মতো লাগবে না, তবে অকালে বুড়িয়ে যাওয়াও আপনাকে গ্রাস করতে পারবে না।

১। যৌবন ধরে রাখার মূল মন্ত্রই হল সুস্থ, নির্মেদ শরীর৷ আর এর জন্য হাঁটার কোনও বিকল্প নেই। প্রতিদিন অন্তত আধঘণ্টা করে হাঁটুন। মোবাইলে গান শুনতে শুনতে হাঁটা নয়, ঘড়ি ধরে একেবারে ব্রিস্ক ওয়াকিং। ফলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে, হার্ট ভালো থাকবে৷ নিয়ন্ত্রণে থাকবে হার্টের রোগ, ডায়াবেটিজ, কোলেস্টেরল, প্রেশারের মতো সমস্যা৷ ফলে আপনাকেও লাগবে ঝরঝরে।

২। প্রতিদিনের ডায়েটে অন্তত একটা করে মরসুমী ফল রাখুন৷ তবে রোজ যদি আম, কলা, আনারস, কাঁঠাল খেতে থাকেন, তাহলে ওজন বেড়ে আপনাকে বয়সের থেকে আরও দশবছর বেশি বয়স্ক লাগবে৷ তাছাড়া ফল পুষ্টিগুণেও ভরপুর। ফলে থাকা ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরে পুষ্টি যোগায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আর আপনাকে রাখে তরতাজা।

৩। দৈনন্দিন ডায়েট থেকে সবুজ শাকসব্জি বাদ দিলে কিন্তু চলবে না৷সবজি খেলে মানসিক উন্নতিসহ শারীরিক উন্নতিও হয়। মানুষ আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।মোটের উপর সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

৪। ওজন কমাতে গিয়ে বা স্রেফ ইচ্ছে করছে না বলে ব্রেকফাস্ট কখনওই বাদ দেবেন না৷তাহলে কিন্তু শরীরের মেটাবলিজম সিস্টেমের গোলমাল হয়ে বেশি করে খিদে পেতে থাকে৷ আর বারে বারে খেতে খেতে আখেড়ে আমরা নিজের ক্ষতিই ডেকে আনি।

৫। যৌবন ধরে রাখতে হলে মিষ্টি জাতীয় খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। চকোলেট, পেস্ট্রি, ব্রাউনি, আইসক্রেমর মতো খাবারে প্রচুর কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট থাকে যা শরীরে ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল বাড়ায়। তাই এগুলি যতটা সম্ভব কম খান৷ তা বলে ডায়েট থেকে চিনি পুরোপুরি ছেঁটে ফেলবেন না। অল্প হলেও নিয়মিত খান৷ তাহলে শরীরের এনার্জি লেভেল ঠিক থাকবে। শরীর-মন জুড়ে স্বতস্ফূর্ততার অনুভূতি থাকবে।চেষ্টা করুন প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমোতে৷ সঙ্গে হাল্কা ব্যায়ামের অভ্যেস রাখতে পারলে উপকৃত হবেন আপনিই।

Thursday, July 2, 2020

তারণ্যের স্বপ্ন পুরনের হাতছানি কুনমিং বিশ্ববিদ্যালয় (Kunming University of Chaina)


kunming university of chaina

দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের কুনমিং নগরীর কাছে প্রাকৃতিক পরিবেশ ঘেরা অবস্থানে ১৯২৩ সালে কুনমিং বিশ্ববিদ্যালয় (Kunming University) প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি এ অঞ্চলের প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিদেশী শিক্ষার্থীদেরও এখন এই বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে। এসব বিদেশী শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার। কুনমিং থেকে বাংলাদেশের দূরত্ব কম। মাত্র দুই ঘণ্টায় ঢাকা থেকে কুনমিংয়ে যাওয়া যায়। কুনমিং ইউনান প্রদেশের রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘তারা এখানে মানসম্পন্ন শিক্ষা পাচ্ছেন এবং এখানে টিউশন ফি, থাকার খরচ ও আনুষঙ্গিক খরচ নিজ নিজ দেশের তুলনায় কম।’ ঢাকা থেকে যাওয়া এক ছাত্র বলেন, ‘এখানে শিক্ষার্থীদের পাঠকক্ষে উপস্থিতি নীতি কঠোরভাবে মানা হয়। ইংরেজী ভাষায় পড়ালেখার সুযোগ আছে বলে অনেক বাংলাদেশী শিক্ষার্থী এখানে পড়ালেখা করতে পারবে।’

যে বিষয়গুলোতে ভর্তি হওয়া যাবে?

ইঞ্জিনিয়ারিং
কম্পিউটার সাইন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

বিবিএম

হোটেল ম্যানেজমেন্ট

যে সকল সুবিধাদি পাওয়া যাবে:
৪ বছরের কোর্স এ কোন Tuition Fees দিতে হবে না। পুরোটাই Scholarship
হোস্টেল সুবিধা।
পড়াশুনা শেষ এ চাকুরীর সুযোগ ।
ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশুনা করার সুযোগ।
বাংলাদেশীদের জন্য ১০০% পর্যন্ত শিক্ষা বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ।
পড়াশুনার পাশাপাশি ব্যবসা করার সুযোগ।

আবেদনের যোগ্যতা:
SSC & HSC পাস থাকলেই ভর্তি হতে পারবেন।
Minimum GPA SSC & HSC দুটো মিলে (4+4= 8) থাকলে Scholarship পাবেন।
কোন বিষয়ে B গ্রেড নিচে থাকা যাবে না।
শুধু ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫, ২০১৬ সালে HSC পাস করেছে, তারাই Apply করতে পারবে।


খরচ কেমন হতে পারে?
হোস্টেল ফি এবং অন্যান্য খরচ সহ প্রতি বছর বাংলাদেশী ১ লক্ষ টাকা খরচ যা বাংলাদেশে থাকা খাওয়ার থেকেও কম।