This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Showing posts with label বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি. Show all posts

Thursday, June 25, 2020

গুগল এবং ফেসবুক আপনার সম্পর্কে কি জানেন(What Google and Facebook know about you)



একজন প্রযুক্তিবিধ, কনসালট্যান্ট এবং ওয়েব ডেভেলপার তার টুইটার একাউন্টে লিখেছে,গুগল এবং ফেসবুক স্মার্টফোন মালিক অনলাইন বা অফলাইন কি করে সব কিছু জানেন এবং তথ্যটি ডিভাইসটির ডেটা মুছে ফেললেও গুগল এবং ফেসবুক তা সংরক্ষিত রাখে।ডিলান কারারণ লিখেছেন "নিজেকে নির্দোষ করতে চান?" ফেসবুক এবং গুগল আপনার অনুমতি ছাড়া ঠিক কতটা দেখানো হবে।এটি উপলব্ধি করে না "।

 এখানে এর তালিকা থেকে একটি পয়েন্ট  নির্বাচন করা হলোঃ

আপনি আপনার ফোনটি চালু করলে Google আপনার অবস্থানটি সংরক্ষণ করে (যদি এটি চালু থাকে) এবং আপনি আপনার ফোনে Google ব্যবহার শুরু করার প্রথম দিন থেকে  টাইমলাইনে দেখাতে পারেন।

Google আপনার সমস্ত ডিভাইসগুলিতে অনুসন্ধান ডেটা একটি পৃথক ডেটাবেসে সঞ্চয় করে দেয়, তাই আপনি আপনার অনুসন্ধান ইতিহাস এবং ফোন ইতিহাস মুছে ফেলার পরও, Google শেষ পর্যন্ত সবকিছু সংরক্ষণ করে রাখে।এই ঝামেলা থেকে মুক্ত হতে সবকিছু মুছে নিতে হবে এবং তা আপনার সমস্ত ডিভাইস করতে থেকেই।

আপনার অবস্থান, লিঙ্গ, বয়স, শখ, কর্মজীবন, আগ্রহ, সম্পর্কের স্থিতি, সম্ভাব্য ওজন এবং আয় সহ আপনার তথ্য ভিত্তিক  একটি বিজ্ঞাপন প্রোফাইল তৈরি করে Google

Google আপনার ব্যবহৃত প্রতিটি অ্যাপ্লিকেশন এবং এক্সটেনশনের তথ্য সংরক্ষণ করে, আপনি কত ঘন ঘন তাদের ব্যবহার করেন, যেখানে আপনি তাদের ব্যবহার করেন, এবং যাদের সাথে আপনি যোগাযোগ করেন (আপনি কোনও ফেইসবুকের সাথে কথা বলছেন, কোন দেশের সাথে কথা বলছেন, আপনি কোন সময় যাবেন ঘুমানোর জন্য) সব তথ্য থাকে গুগলের কাছে।আপনার অনুমতি ছাড়াই গুগল তা ৩য় পক্ষের নিকটি বিক্রি করতে পারে।

গুগল আপনার সব ইউটিউব ইতিহাস সংরক্ষণ করে, যদি আপনি প্রগতিশীল, যদি আপনি ইহুদি, খৃস্টান বা মুসলিম হন, আপনি রক্ষণশীল হন, শীঘ্রই আপনি মা বাবা হতে চলেছেন কিনা তা জানতে পারে, ' যদি আপনি অ্যানোরিক্সিক হন তাহলে আপনি হতাশ বা আত্মহত্যা অনুভব করছেন সে তথ্য থাকবে গুগলের কাছে।গুগল আপনার সম্পর্কে সংরক্ষণ করে সব তথ্য ডাউনলোড করার একটি বিকল্প প্রস্তাব করে, "আমি এটি ডাউনলোড করার জন্য অনুরোধ করেছি এবং ফাইলটি 5.5 গিগাবাইট বড়, যা প্রায় তিন মিলিয়ন শব্দের দস্তাবেজ।

ফেসবুক (Facebook) আপনার সমস্ত তথ্য ডাউনলোড করার জন্য একটি অনুরূপ বিকল্প প্রস্তাব দেবে, প্রায় 600MB, যা প্রায় 400,000 শব্দ দস্তাবেজ হয়।

এতে আপনি যে বার্তাটি পাঠিয়েছেন বা পাঠানো হয়েছে তার প্রত্যেকটি ফাইল আপনি কখনও পাঠিয়েছেন, আপনার ফোনে সমস্ত পরিচিতি এবং আপনি যে সমস্ত অডিও বার্তা পাঠিয়েছেন বা পাঠানো হয়েছে সব কিছু থাকে ফেসবুকে।

ফেসবুকে (Facebook) আপনি যা পছন্দ করেছেন তার উপর ভিত্তি করে আপনি এবং আপনার বন্ধুরা কী বিষয়ে কথা বলছেন তার উপর ভিত্তি করে ফেসবুকে সেগুলি সংরক্ষণ করে।আপনার জন্য বিজ্ঞাপন দেখাতে পারে এবং সেই তথ্য সংরক্ষন করতে পারে।

কিছুটা নিখুঁতভাবে, তারা আপনার ফেসবুকে সর্বদা পাঠানো সমস্ত স্টিকার সংরক্ষণ করে।

তারা আপনার ফেসবুক লগ ইন করার সময়, যেখানে আপনি লগ ইন করেছেন, কোন সময় এবং কোন ডিভাইস থেকে লগইন করে রাখেন।সব জানে।

Wednesday, June 17, 2020

মাত্র কয়েক সেকেন্ডে চার্জ হবে স্মাটফোন (Smart phone)


আজকাল লকডাউনের মধ্যে স্মার্টফোন (Smart phone) হয়ে উঠেছে সময় কাটানোর একমাত্র সঙ্ঘী । কিন্তু স্মার্টফোনের প্রধান সমস্যা চার্জ না থাকা। অতিদ্রুত চার্জ ফুরিয়ে যাওয়া ফোনের জন্য প্রধান সমস্যা।ভিডিও কলের সংখ্যা এবং ইন্টারনেটের সহজ লভ্যতা মোবাইলের চার্জ ফুরানোর জন্য অনেকাংশে দায়ী।

আজকাল নিম্মমানের ফোনে বাজার সয়লাব। এই স্মার্টফোনের চার্জ ফুরিয়ে যায় খুব দ্রুতই। যা নিয়ে প্রায়ই বিপাকে পড়তে হয় ব্যবহারকারীদের। এই ঝামেলা থেকে বাঁচাতে আমেরিকার সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক নতুন এক প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন, যা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই স্মার্টফোন সম্পূর্ণ চার্জ হওয়াতে সাহায্য করবে। ‘ফ্লেক্সিবল সুপারক্যাপাসিটর’ নামের ওই প্রযুক্তিতে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই চার্জ দেওয়া যাবে স্মার্টফোনে। সহজে বহনযোগ্য হওয়ার কারনে ব্যবহার করা যাবে সহজে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, মোবাইল ফোনে ব্যাটারির বদলে এই ‘সুপারক্যাপাসিটর’ রাখলেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্য ফুল চার্জ হয়ে যাবে স্মার্টফোন (Smart phone)। এরপর এক সপ্তাহ চার্জ না দিলেও চলবে।

Sunday, June 14, 2020

স্মার্টফোন ব্যবহার এই কাজ গুলো করা উচিত নয় (Smart Phone)


স্মার্টফোন ও মানুষ এখন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। বর্তমানে আমরা স্মার্টফোনের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে পড়েছি। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে শুরু করে রাতে ঘুম আসার আগে পর্যন্ত নিত্য সঙ্গী হয়ে উঠেছে।বাজার করা থেকে শুরু করে অফিসের কর্মচারীদের বেতন দেওয়া কিংম্বা ব্যাংকিং লেনদেন সবিই এখন আপ ব্যবহার করে করা হয়ে থাকে। আর আপ ব্যবহার করতে লাগে স্মার্টফোন। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে এমন কিছু ভুল করে থাকি যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খুবই খারাপ প্রভাব পড়ে। কিছু প্রভাব পড়ে আমাদের শরীলের উপর আর কিছু পড়ে আমাদের স্মার্টফোনের উপর।

সেই বিষয়গুলো নিচে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হলোঃ

শারিরিক প্রভাবঃ

১) ঘাড় ব্যথা ও মাথা ব্যথা

অন অফ দি কমন প্রবলেম। ফোনের দিকে তাকালে ঘাড় বাঁকাতে হয়। দীর্ঘক্ষণ ফোনের দিকে ঝুঁকে থাকার কারণে শুরু হয় মাথা ব্যথা।সোশ্যাল মিডিয়া ও ইন্টারনেটের এই যুগে আমরা টেলিভিশন ও স্মার্টফোনে দেখে থাকি। ফলে দীর্ঘ সময় স্কীনের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। যত বেশি ব্যবহার তত বেশি ঘাড় ও মাথার ব্যথা। এ সমস্যা এড়াতে চোখ বরাবর ফোন ধরা উচিত। এতে ঘাড়ের উপর চাপ পরবে না।

মনে রাখবেন ঘাড় বাঁকা করে দীর্ঘ সময় মোবাইল দেখবেন না।

২) কমতে পারে চোখের জ্যোতি

যুক্তরাজ্যের চক্ষু বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, মুঠোফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে দৃষ্টি বৈকল্য সৃষ্টি হতে পারে। এতে করে মায়োপিয়া বা ক্ষীণ দৃষ্টির সমস্যা দেখা দিতে পারে। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা সাধারণত চোখ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার দূরত্ব রেখে তা ব্যবহার করেন। তবে, অনেকের ক্ষেত্রে এ দূরত্ব মাত্র ১৮ সেন্টিমিটার। সংবাদপত্র, বই বা কোনো কিছু পড়ার ক্ষেত্রে সাধারণত চোখ থেকে গড়ে ৪০ সেন্টিমিটার দূরত্ব থাকে। চোখের খুব কাছে রেখে অতিরিক্ত সময় ধরে স্মার্টফোন ব্যবহার করলে জিনগত সমস্যা দেখা দিতে পারে। ক্ষীণদৃষ্টি সৃষ্টির জন্য যা ভূমিকা রাখতে সক্ষম। তাই ইহার কম ব্যবহার হতে পারে প্রতিরোধক। অথবা চোখ থেকে দূরে রাখেতে হবে যথাসম্ভব। কম দামী চায়না স্মার্টফোন গ্রলো চোখের জন্য মারাত্বক। তবে উন্নতমানের ফোনে ভালমানের আই প্রোটেক্টর লাগানো থাকে।

চায়না এবং কম মুল্যের সেট বর্জন করুন।

৩) ঘুমের মধ্য এস এম এস পাঠাতে পারেন

মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অতিরিক্ত সময় বার্তা পাঠানো, চ্যাটিং করার ফলে ঘুমের মধ্যেও এর প্রভাব পড়তে পারে। বার্তা পাঠানোর বিষয়টি মাথায় থাকে বলে ঘুমের মধ্যেও হাতের কাছে থাকা মুঠোফোন থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত নম্বরে বার্তা চলে যায়। একে বলে ‘স্লিপ টেক্সটিং’ সমস্যা।  এ সমস্যা হলে রাতে ঘুমের মধ্যে কাকে কী বার্তা পাঠানো হয় তা আর পরে মনে থাকে না।

মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে চ্যাটিং করবেন না।

৪) কানে কম শোনা

স্মার্টফোন (smart phone) ব্যবহারের ফলে কানের সমস্যা তৈরির বিষয়টি অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে। হেডফোন ব্যবহার করে উচ্চশব্দে গান শুনলে অন্তকর্ণের কোষগুলোর ওপর প্রভাব পড়ে এবং মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক আচরণ করে। অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে একসময় বধির হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফোনে অতিরিক্ত কথা বলা এবং অতিরিক্ত গান শোনা শরীল ও মানুসিক ক্ষতি কারন।

উচ্চশব্দে ফোন এবং হেডফোন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

৫) কমে যেতে পারে শুক্রাণু

গবেষকেরা জানান, মুঠোফোন থেকে হাই ফ্রিকোয়েন্সির ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন নির্গত হয়। এই ক্ষতিকর তরঙ্গের সঙ্গে মস্তিষ্কে ক্যানসারের যোগসূত্র থাকতে পারে। এ ছাড়া শরীরের অন্য কোষকলা এই ক্ষতিকর তরঙ্গের প্রভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে পুরুষের প্রজননতন্ত্রেরও। গবেষকেদের দাবি, মুঠোফোন থেকে নির্গত ক্ষতিকর তরঙ্গ শুক্রাণুর ওপর প্রভাব ফেলে এবং শুক্রাণুর ঘনত্ব কমিয়ে দিতে পারে।

অপ্রয়োজনে স্মার্টফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন



স্মার্টফোনের উপর প্রভাব

১) লো সিগনাল  

সিগনাল দুর্বল থাকলে ফোন থেকে রেডিও ওয়েব বেশি নির্গত হয়। এ কারণে ফোন গরমও বেশি হয়। এ সময় তাই হেডফোন ব্যবহার করা ভালো। এই সময় ফোন ব্যবহার করলে ফোনের স্বায়িত্ব কমে যেতে পারে।

2) বাথরুমে নিষিদ্ধ

অনেকেরই বাথরুমে গিয়ে স্মার্টফোন (smart phone) ব্যবহার করার প্রবণতা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এর ফলে আপনার স্মার্টফোনে অনেক বেশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে থাকে।তাই টয়লেটে স্মার্টফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

৩) ভাইব্রেশন 

সারাক্ষণ ফোন ভাইব্রেশনে দিয়ে রাখলে ব্যাটারি দ্রুত খরচ হয়। ফোনের আয়ু কমে যায়। তাই প্রয়োজন হলে ফোন সাইলেন্ট রাখা ভালো। এছাড়াও এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই স্মার্টফোনকে ভাইব্রেশনে রাখুন।

৪) বজ্রপাতের সময় ফোন চার্জ 

বজ্রপাত হলে পাওয়ার কর্ড দিয়ে বিদ্যুৎ ফোনে ঢুকতে পারে। তাই বজ্রপাতের সময় ফোন চার্জে না দিয়ে অপেক্ষা করতে হবে।এতে করে স্মার্টফোন (smart phone) পুড়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারে। তাই বজ্রপাতের সময় ফোন চার্জ দিবেন না।

৫) সফটওয়্যার আপডেট 

ফোনে আপডেটের নোটিফিকেশন আসলে তা এড়ানো ঠিক নয়। অ্যাপ আপডেট করলে অনেক বাগ ঠিক হয়, নিত্য নতুন ফিচারও পাওয়া যায়। স্টোরেজ দখল করলেও অ্যাপ আপডেট করার কোনো ক্ষতিকর দিক নেই। ফোন কে আপডেট না করাটা বোকামী। 

Sunday, June 7, 2020

আপনার সিমটি ফোরজি কিনা জানতে পারবেন যেভাবে (How to know if your SIM is 4G)

4G network


সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ফোরজি যুগে প্রবেশ করল দেশের মোবাইল ফোন প্রযুক্তি। দেশের চার মোবাইল ফোন অপারেটরকে সরকারের পক্ষ থেকে ফোরজির লাইসেন্স হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হয়।

মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণ ফোন, টেলিটক, বাংলালিংক ও রবির প্রতিনিধিদের হাতে ওই লাইসেন্স তুলে দেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার। এরপরই গ্রামীণ ফোন, বাংলালিংক ও রবির ফোরজি সেবা চালু হয়ে যায়।

গ্রাহকের সিমটি ফোরজি কি না তা জানা যাবে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর দেয়া নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে।গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীরা *১২১*৩২৩২# ডায়াল করলে ফিরতি এসএমএসে পেয়ে যাবেন তার সিমটি ফোরজি কি না।

রবির গ্রাহকরা *১২৩*৪৪# ডায়েল করলে এবং বাংলালিংকের গ্রাহকেরা মোবাইল ফোন থেকে 4G লিখে ৫০০০ নম্বরে এসএমএস পাঠালে ফিরতি ম্যাসেজে ফোরজি সিমের বিষয়ে তথ্য পাবেন।

গ্রাহকের সিমটি যদি ফোরজি না হয়, তাহলে তা সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন অপারেটরের গ্রাহকসেবা কেন্দ্র থেকে পরিবর্তন করে নেয়ার সুযোগ রয়েছে।