This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Showing posts with label ভ্রমন বিষয়ক. Show all posts
Showing posts with label ভ্রমন বিষয়ক. Show all posts

Sunday, July 12, 2020

বাংলাদেশী জনপ্রিয় খাবারগুলি যা বিদেশী টুরিস্টদের খাওয়া উচিত (popular food in Bangladesh)

Bangladeshi food

বাংলাদেশ সুস্বাদু খাবার এবং মিষ্টান্নের জন্য বিখ্যাত। বাংলাদেশি খাবারের বিশেষত্ব হ'ল এগুলো মশলাদার। ভাত মূল
বাংলাদেশি খাবার । ভাত মাছের তরকারি এবং মসুর ডাল সাধারণ মানুষের জন্য প্রচলিত বাংলাদেশী খাবার। বাংলাদেশ তার মিষ্টান্নগুলির জন্যও বিখ্যাত। আপনি কয়েক ডজন মিষ্টি, বিভিন্ন প্রকার কেক, চাল ও গুড়ের বানানো খাবার এবং অন্যান্য অনেক মিষ্টি দেখতে পাবেন, বেশিরভাগই চাল এবং গরুর দুধ থেকে তৈরি। এটি খাদ্যপ্রেমীদের জন্য একটি স্বর্গ।

শীর্ষস্থানীয় বাংলাদেশি খাবারের তালিকা

একটি খাঁটি বাংলাদেশ ভ্রমনের অভিজ্ঞতার জন্য, বাংলাদেশ সফর করার সময় অবশ্যই শীর্ষস্থানীয় বাংলাদেশি খাবারের স্বাদ নেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। যে তালিকা এখানে দেওয়া রয়েছে। এই খাবারগুলির বেশিরভাগই এতিহ্যবাহী বাংলাদেশি রেস্তোঁরাগুলিতে স্বাদ নিতে পাওয়া যায়। তবে এর মধ্যে কয়েকটি হ'ল হোমমেড খাবার যা রেস্তোঁরাগুলিতে পাওয়া যায় না। তাদের স্বাদ নেওয়ার একমাত্র সুযোগ হ'ল যদি আপনি কোনও বাংলাদেশি পরিবার দ্বারা আমন্ত্রিত হন। এই বিখ্যাত বাংলাদেশী খাবার চেষ্টা করে দেখুন এবং আপনার সেগুলি কতটা পছন্দ তা কমেন্টে আমাদের জানান।

বাংলাদেশী সকালের খাবার

পরোটা

পরোটা হ'ল বাংলাদেশের একটি খামিবিহীন ফ্ল্যাটব্রেড যা একটি ফ্রাইং প্যানে ময়দার আটা বেকিং করে এবং অগভীর ভাজ দিয়ে শেষ করে দেওয়া হয়। এটি তেল দিয়ে লেপ এবং স্তরিত ময়দার কৌশল ব্যবহার করে বারবার ভাঁজ করে স্তরযুক্ত করা হয়।রেস্তোঁরাগুলিতে প্রাতঃরাশের জন্য এটি সর্বাধিক জনপ্রিয় বাংলাদেশী খাবার, যা সাধারণত ভাজি (মিশ্র সবব্জী) অথবা বিভিন্ন প্রকার ডাল বা এই দুটির মিশ্রণ এবং ভাজা ডিমের সাথে খাওয়া হয়।

আপনি যদি বাংলাদেশ ঘুরে দেখেন তবে আপনার দিন শুরু করার সবচেয়ে খাঁটি স্থানীয় উপায় হ'ল পরোটা, ভাজি এবং ডিম ভাজি দিয়ে সকালের নাস্তাটা সারা। সবশেষে চা খাওয়া। আপনার কাছে পরোটা সাথে গুরু নেহারী খাওয়ার অপশন ও রয়েছে । যা ধীরে ধীরে রান্না করা গরুর মাংসের পায়ের অংশ যার সাথে প্রচুর তেল মিশ্রিত ঝোল থাকে।  স্থানীয়দের একটি খুব জনপ্রিয় সকালের খাবার এটি।

বাংলাদেশীদের জন্য মেইন ডিশ

কাচ্চি বিরিয়ানি - বিশেষ বাংলাদেশী খাবার

কাচ্চি বিরিয়ানি সাধারণত বিবাহ এবং সামাজিক সমাবেশ এমনকি বিশেষ দিন উদযাপনের জন্য বানানো হয়। কাচ্চি বিরিয়ানি তৈরির জন্য মাংস, চাল এবং আলু স্তরগুলি সুগন্ধযুক্ত মশলাদা্রা উষ্ণ এবং ভালোভাবে মিশ্রিত করা হয়। 

কাচ্চি বিরিয়ানী বানানোর নিময় ও বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

কাচ্চি বিরিয়ানির সাথে একটি সাধারণ সালাদই যথেষ্ট ।  তবে এতিহ্যগতভাবে শামী কাবাব এবং চাটনি পাশাপাশি পরিবেশন করা হয়। এছাড়াও কাঁচ্চি বিরিয়ানির সাথে বোরহানি রাখা খুব জনপ্রিয়, এটি একটি  এতিহ্যবাহী পানীয়। কাচ্চি বিরিয়ানি হ'ল সর্বাধিক জনপ্রিয় আনুষ্ঠানিক বাংলাদেশী খাবার যা আপনি বাংলাদেশ সফর করার সময় অবশ্যই একবার খাবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

ভুনা খিচুড়ি

"ভুনা খিচুড়ি" শব্দটির অর্থ বাদামি করা। চাল, ডাল অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের সবজ্বীও থাকে সাথে মশলা গভীর ভাজা। ভুনা মানে বেশীক্ষন ভাজা। তাই এই খাবারে স্বাদ এবং মশলা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ধীরে ধীরে রান্না করা হয় এবং রান্না করার সময় আপনি সুন্দর সুগন্ধ উপেক্ষা করতে পারবেন না!

ভুনা খিচুড়ি বিভিন্ন ধরণের মাংস - বিফ বা গরুর মাংস, মাটন বা ছাগলের মাংশ অথবা চিকেন বা মুরগির সাথে রান্না করা যেতে পারে। এছাড়াও এটিতে ডিম বা চিংড়ির যোগ থাকতে পারে। এটি এতিহ্যবাহী বাংলাদেশি রেস্তোঁরাগুলিতে মধ্যাহ্নভোজনের জন্য একটি খুব জনপ্রিয় খাবার। ভুনা খিচুড়ি আপনি বাংলাদেশ সফর করার সময় অবশ্যই চেষ্টা করবেন।এটি তিন নম্বর খাঁটি বাংলাদেশী খাবার।

ডিমের কারি, ভোর্তা, ভাজি এবং ডালের সাথে ভাত - প্রতিদিনের বাংলাদেশী খাবার

ফ্রেশ ভাত বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য। এটি বিভিন্ন মাছ এবং মাংসের তরকারি, বিভিন্ন শাকসবজি এবং মাছের ভোর্তা (ম্যাশ), বিভিন্ন শাকসব্জি ভাজি (ভাজা) এবং পাতলা ডাল (মসুরের স্যুপ) দিয়ে পরিবেশন করা হয়। বাংলাদেশে একটি প্রবাদ আছে - "ভাত এবং মাছ বাঙালি মানুষের রসনা বিলাশ করে"। এ থেকে আপনি বুঝতে পারবেন যে মাছ এবং ভাত বাংলাদেশের সর্বাধিক জনপ্রিয় খাবার।

বাংলাদেশ ভ্রমণের সময়, দেশের যে কোনও প্রথাগত রেস্তোঁরাটিতে যান এবং বিভিন্ন তরকারী, ভোরতা, ভাজি এবং ডাল দিয়ে ভাত অর্ডার করুন। এটি মধ্যাহ্নভোজ বা রাতের খাবারের জন্য সর্বাধিক প্রচলিত। এই বাংলাদেশী খাবারটি বাংলাদেশ ভ্রমণ করার সময় অন্তত একবার মধ্যাহ্নভোজনের খাবারে জন্য চেষ্টা করা উচিত।

বাংলাদেশীদের সন্ধ্যার নাস্তা

নান রোটির সাথে গ্রিলড চিকেন

গ্রিলড চিকেন সম্প্রতি বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। প্রায় প্রতিটি রাস্তায় মুখে এবং অলিগলির সামনে আপনি ভাজা ভাজা মুরগির সন্ধান করতে পারেন। চিকেন মশলা দিয়ে মেরিনেট করা হয় এবং পরে গ্রিলারে গ্রিল করা হয়। মুরগিটি ভিতরে ভিতরে বেশ আর্দ্র তবে বাইরে স্তরগুলো টুকরো টুকরো 
একটু শক্ত মাংশ ছড়িয়ে থাকে যা স্বর্গীয় স্বাদ তৈরি করে। গ্রিলড মুরগি সাধারণত নান রুটি (একটি ওভেন-বেকড ফ্ল্যাটব্রেড), মেয়োনিজ এবং সাধারণ সালাদ দিয়ে পরিবেশন করা হয়। এটি একটি বিকেলের নাস্তা, বেশিরভাগ রেস্তোঁরাগুলিতে সন্ধ্যা ৫.০০ টার পরে পাওয়া যায়।

হালিম

হালিম বাংলাদেশে মশলাদার মসুরের স্যুপ খুব জনপ্রিয়। হালিম গম, যব, মাংস (সাধারণত গরুর মাংস বা মাটন এর তৈরি মাংস), বিভিন্ন ধরণের ড, মশলা এবং কখনও কখনও চাল ব্যবহার করা হয়। এই খাবার বানাতে সাত থেকে আট ঘন্টা ধীরে ধীরে রান্না করা হয়, যার ফলে পেস্টের মতো সামঞ্জস্য হয়, মশলা, মাংস, বার্লি এবং গমের স্বাদ মিশ্রিত হয়।

হালিমকে ধনিয়া পাতা, লেবুর কুঁচি, কাটা আদা, সবুজ মরিচ এবং ভাজা পেঁয়াজ দিয়ে পরিবেশন করা হয়। কখনও কখনও এটি নান বা কোনও ধরণের রুটির সাথে পরিবেশন করা হয় বাংলাদেশে। এটি বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি রেস্তোঁরায় পাওয়া যায় আরেকটি সন্ধ্যাকালীন নাস্তা। হালিম একটি বিশেষ বাংলাদেশী খাবার যা আপনি বাংলাদেশ ভ্রমণের সময় মিস করবেন না। আপনি যদি এটি না খান তবে আপনি অনেক মিস করবেন!

বাংলাদেশি স্ট্রিট ফুড

ফুচকা 

বাংলাদেশের সর্বাধিক জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড, প্রধানত সন্ধ্যায় পরিবেশিত হয়। এটি একটি অনন্য মশলাদার,মচমচে, টক স্বাদযুক্ত । এটি একটি গোলাকার, ফাঁকা পুরী, ভাজা চকচকে এবং স্বাদযুক্ত জলের মিশ্রণে ভরা, তেঁতুলের চাটনি, মরিচ, চাট মশলা, আলু, পেঁয়াজ এবং ছোলা দিয়ে তৈরি। ফুচকাতে সেদ্ধ মাশানো আলুর মিশ্রণটি ভরাটকরণ উপকরণ হিসাবে ব্যবহার করে । মিষ্টি বদলে বেশী মজাদার থাকে যখন পানি টক এবং মশলাদার হয়।

মিষ্টি দই

মিষ্টি দই একটি এতিহ্যবাহী বাংলা মিষ্টি আইটেম যা স্থানীয়ভাবে মিষ্টি দই নামে পরিচিত। এটি একটি স্বাস্থ্যকর লো-ফ্যাট মিষ্টি। কোনও বাঙালি উপলক্ষ মিষ্টি দই এবং মিষ্টি ছাড়া সম্পূর্ণ হয় না। এটি খুবই ঘন এবং ক্রিমযুক্ত পনিরের মতো। 

দুধ ও চিনি বা গুড় দিয়ে মিশে দোই তৈরি হয়। এটি সামান্য ঘন হওয়া, দুধ চিনি বা গুড় দিয়ে মিষ্টি করা এটি দীর্ঘ সময় দুধ দ্বারা প্রস্তুত করা হয়। মিষ্টি দই তৈরির জন্য মাটির পাত্রগুলি সর্বদা পাত্রে হিসাবে ব্যবহৃত হয় কারণ এর ছিদ্র প্রাচীরের মধ্য দিয়ে জল ধীরে ধীরে বাষ্পীভবন হয়ে দইকে আরও ঘন করে এবং জমাট বাধার জন্য সঠিক তাপমাত্রা নিশ্চিত করে।

বাংলাদেশী মানুষ মিষ্টি দই খুব পছন্দ করেন। মিষ্টি দই মধ্যাহ্নভোজ বা রাতের খাবারের পরে জনপ্রিয়। মিষ্টি দই বেশিরভাগ মিষ্টির দোকানে বিক্রি হয় তবে এটি রেস্তোঁরাগুলিতেও পাওয়া যায়। রেস্তোঁরাগুলিতে, তারা সাধারণত এটি মৃৎশিল্প দিয়ে তৈরি ছোট কাপে পরিবেশন করে। বগুড়ার মিষ্টি দই বাংলাদেশের সর্বাধিক বিখ্যাত।ঢাকার আলি-বাবা সুইটস বাংলাদেশের অন্যতম সেরা মিষ্টি দই তৈরি করে।

রসমালাই 

এক অনন্য বাংলাদেশী সুস্বাদু খাবার। এই বাংলাদেশী ডেজার্টটি চ্যাপ্টা পনিরের বলটি মালাইয়ে ভিজিয়ে রাখা (ক্লটেড ক্রিম) এলাচ দিয়ে স্বাদযুক্ত। মালাই বা জমাট ক্রিম নিজেই একটি অনন্য টেক্সচার আছে।

বাংলাদেশের প্রতিটি মিষ্টির দোকানে রসমালাই পাওয়া যায়। কুমিল্লার একটি মিষ্টির দোকানের রসমালাই "মাতৃ ভান্ডার" নামে বাংলাদেশের সর্বাধিক বিখ্যাত। ঢাকার "বনফুল সুইটস" ভাল মানের রাসমালাই তৈরি করে। আপনি যদি বাংলাদেশ ঘুরে দেখেন, ভাল মানের রসমালাই অবশ্যই স্বাদ পাওয়া উচিত।

বাংলাদেশী পানীয়

বোরহানি

এটি বিবাহ বা বিরিয়ানি, তেহারি, ভুনা খিচুড়ি বা মরোগ পোলাওয়ের সাথে বড় পার্টিতে পরিবেশন করা মশলাদার দইযুক্ত পানীয়। এটি একটি এতিহ্যবাহী পানীয় এবং এটি তৈরি করা খুব সহজ। বোরহানী মূল খাবারের মশালাকে সমতা বিধান করে এবং এতে পুদিনা, জিরা এবং দইয়ের মতো উপাদান রয়েছে। এটি হজমে সহায়তা করে।

বোতলজাত বোরহানি রেস্তোঁরাগুলিতে পাওয়া যায় তবে এটি হ'ল বিবাহের ভোজে ঘরের তৈরি একটি পানীয় ।

মিষ্টি লাচ্ছি

লাচ্ছি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় দই-ভিত্তিক পানীয়। লাচ্ছি হ'ল দই, জল, মশলা এবং কখনও কখনও ফলের মিশ্রণ। বেশিরভাগ মধ্যাহ্নভোজন সহ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গরম-আবহাওয়ার মধ্যে নিজেকে সতেজ ও ঠাণ্ডা উপভোগ করা জন্য লাচ্ছি ব্যবহার করা হয়। এটি বাংলাদেশের একটি খুব জনপ্রিয় পানীয় যা বাংলাদেশ ভ্রমণের সময় আপনাকে অবশ্যই একবার এই পানীয়ের স্বাদ গ্রহন করতে হবে। যা আপনি অনেকদিন মনে রাখবেন।

Thursday, July 2, 2020

তারণ্যের স্বপ্ন পুরনের হাতছানি কুনমিং বিশ্ববিদ্যালয় (Kunming University of Chaina)


kunming university of chaina

দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের কুনমিং নগরীর কাছে প্রাকৃতিক পরিবেশ ঘেরা অবস্থানে ১৯২৩ সালে কুনমিং বিশ্ববিদ্যালয় (Kunming University) প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি এ অঞ্চলের প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিদেশী শিক্ষার্থীদেরও এখন এই বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে। এসব বিদেশী শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার। কুনমিং থেকে বাংলাদেশের দূরত্ব কম। মাত্র দুই ঘণ্টায় ঢাকা থেকে কুনমিংয়ে যাওয়া যায়। কুনমিং ইউনান প্রদেশের রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘তারা এখানে মানসম্পন্ন শিক্ষা পাচ্ছেন এবং এখানে টিউশন ফি, থাকার খরচ ও আনুষঙ্গিক খরচ নিজ নিজ দেশের তুলনায় কম।’ ঢাকা থেকে যাওয়া এক ছাত্র বলেন, ‘এখানে শিক্ষার্থীদের পাঠকক্ষে উপস্থিতি নীতি কঠোরভাবে মানা হয়। ইংরেজী ভাষায় পড়ালেখার সুযোগ আছে বলে অনেক বাংলাদেশী শিক্ষার্থী এখানে পড়ালেখা করতে পারবে।’

যে বিষয়গুলোতে ভর্তি হওয়া যাবে?

ইঞ্জিনিয়ারিং
কম্পিউটার সাইন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

বিবিএম

হোটেল ম্যানেজমেন্ট

যে সকল সুবিধাদি পাওয়া যাবে:
৪ বছরের কোর্স এ কোন Tuition Fees দিতে হবে না। পুরোটাই Scholarship
হোস্টেল সুবিধা।
পড়াশুনা শেষ এ চাকুরীর সুযোগ ।
ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশুনা করার সুযোগ।
বাংলাদেশীদের জন্য ১০০% পর্যন্ত শিক্ষা বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ।
পড়াশুনার পাশাপাশি ব্যবসা করার সুযোগ।

আবেদনের যোগ্যতা:
SSC & HSC পাস থাকলেই ভর্তি হতে পারবেন।
Minimum GPA SSC & HSC দুটো মিলে (4+4= 8) থাকলে Scholarship পাবেন।
কোন বিষয়ে B গ্রেড নিচে থাকা যাবে না।
শুধু ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫, ২০১৬ সালে HSC পাস করেছে, তারাই Apply করতে পারবে।


খরচ কেমন হতে পারে?
হোস্টেল ফি এবং অন্যান্য খরচ সহ প্রতি বছর বাংলাদেশী ১ লক্ষ টাকা খরচ যা বাংলাদেশে থাকা খাওয়ার থেকেও কম।

Saturday, June 27, 2020

শশী লজ কেবল একটি সাধারণ স্থাপনা নয় (Shoshi Lodge)

শশী লজ


নাম শুনে শশী লজকে খুব সাধারণ কোনোকিছু মনে হতেই পারে আপনার। তবে শশী লজ কেবল একটি সাধারণ স্থাপনা নয়, এর সাথে জড়িয়ে আছে অতীত অনেক ইতিহাস।

‘শশী লজ’ (Soshi Lodge) ময়মনসিংহ শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত মহারাজা শশীকান্ত আচার্যের বাড়ির নাম। স্থানীয়ভাবে এটি ময়মনসিংহ রাজবাড়ি নামেও পরিচিত। এ লজের অদূরে ব্রহ্মপুত্র নদ। জমিদার মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য ১৮ শতকের শেষার্ধে ‘ক্রিস্টাল প্যালেস’ নামে এক মনোরম প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন, যা ‘রংমহল’ নামেও পরিচিত ছিল। ১৮৯৭ সালের ১২ জুন গ্রেট ইন্ডিয়ান ভূমিকম্পে এ প্রাসাদ ধ্বংস হয়ে যায়। ১৯ শতকের একদম শুরুর দিকে মহারাজ সূর্যকান্ত আচার্য একই স্থানে বাইজেন্টাইন ধাঁচের নির্মাণ শৈলীতে শশী লজের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ভবনটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই সূর্যকান্ত আচার্য মত্যুবরণ করেন। নিঃসন্তান সূর্যকান্তের দত্তক পুত্র শশীকান্ত আচার্য ১৯০৫ সালে এ ভবনটির নির্মাণ কাজ শেষ করেন। তাঁর নাম অনুসারে এ ভবনের নামকরণ হয় ‘শশী লজ’। মহারাজ শশীকান্ত ১৯১১ সালে শশী লজের সৌন্দর্যবর্ধনে কিছু সংস্কার কাজ করে এ ভবনকে করে তোলেন অনিন্দ্যসুন্দর।

শশী লজে প্রবেশ করলে প্রথমেই আপনার দৃষ্টি কেড়ে নেবে বিশাল এক শ্বেত মার্বেল পাথরের ভেনাসের পূর্ণাঙ্গ মূর্তি। এছাড়া ভেতরে ১৮টি বিশাল বিশাল ঘর নিয়ে শশী লজ। বারান্দা ও করিডোর নিয়ে ভবনটি ৫০,০০০ বর্গ ফুটের কম হবে না। পুরো ভবনের ফ্লোর মার্বেল পাথর দিয়ে নির্মিত। ছাদে উঠার জন্য একটি কারুকাজ খচিত লোহার প্যাঁচানো সিঁড়ি আছে। পুরো ভবনে রানিং ওয়াটারের লাইন টানা আছে। ভবনের ভেতরে আধুনিক টয়লেটও আছে। ভবনটি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এর অনেক কিছুই এখনও নষ্ট হয়নি।

পেছনে রয়েছে পাড় বাঁধানো পুকুর। পুকুর পাড়ে হাওয়া খাওয়ার জন্য দ্বিতল ছোট্ট ভবন। পুকুর পাড়েই গোলাকৃতির একটি কাপড় পরিবর্তনের ঘর রয়েছে। লজের চারপাশে এখনও কিছু বিশদাকায় বৃক্ষ কালের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। সেই ১০০ বছরেরও অধিকাল আগের নির্মিত সীমানা প্রাচীর আজও প্রায় অটুট আছে।

ভাবছেন, কীভাবে যাবেন শশী লজে? ঢাকার যেখান থেকে ময়মনসিংহ যাবার বাস পাবেন, সেখান থেকেই বাসে উঠে ময়মনসিংহ শহরে নামবেন। (মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে এনা বাস যায়)। সেখান থেকে যেকোনো রিক্সা বা ইজি বাইকে শশী লজ বা ময়মনসিংহ রাজবাড়ি বলে দরদাম করে ভাড়া ঠিক করবেন। ব্যস, পৌঁছে যাবেন শশী লজে!

Wednesday, June 24, 2020

বসন্তের শহর-কুনমিং যেন নব যৌবনা (Spring city-kunming)

stone forest


চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী ‘কুনমিং’কে বলা হয় ‘চির বসন্তের শহর’। কুনমিং হচ্ছে চাইনিজ শব্দ যার অর্থ হচ্ছে চির বসন্তের শহর। সারা বছরই বসন্ত কালের মতো আবহাওয়া। না শীত, না গরম। তিন দিকে পাহাড় এবং একদিকে বিখ্যাত ‘ডায়ানচি লেক’। মনোরম আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা কুনমিং প্রাচীনকাল থেকে ভ্রমন পিপাসুদের আকৃষ্ট করছে।

ঢাকা থেকে প্লেনে কুনমিং এয়ারপোর্টে পৌঁছাতে সময় লাগে মাত্র দুই ঘন্টা। সুন্দর ঝকঝকে বিশাল এয়ারপোর্টটি ২০১২ সালে চালু হয়েছে। এর মধ্যে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ১০০টি এয়ারপোর্টের মধ্যে স্থান করে নিয়েছে এটি। ছিমছাম যানজটমুক্ত আধুনিক শহর। আগে থেকেই হোটেল বুকিং দেওয়া থাকলে ভালো। ট্যাক্সি নিয়ে হোটেলে পৌঁছে বিশ্রাম নিন।

ইন্টারনেটের বদৌলতে আগে থেকেই দশর্নীয় স্থানগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে রাখতে পারেন। আর কোনদিন কোনটা দেখবেন তাও ঠিক করে রাখবেন আগে থেকেই।সফরের প্রথম দিন শহরের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে শহরটি সম্পর্কে একটি ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করলে পরবর্তীতে সুবিধা হবে আপনার জন্য। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ৬২০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত প্রায় ২৪০০ বছরের একটি পুরানো শহর বর্তমানে আধুনিক স্থাপত্য শিল্পের এক অনুপম নিদর্শন। আকাশ ছোঁয়া সব দৃষ্টি নন্দন অট্টালিকা এবং প্রশস্ত রাস্তা এর বিশেষত্ব।

এখানকার মানুষজনও খুবই ভদ্র ও সহনশীল। চারদিকে ফুলের সমারোহ। সারা বছরই নানা রঙ্রে ফুলে চোখ জুড়িয়ে যায়। মনে হয় পুরো শহরটিই যেন একটি বৃহৎ ফুলের বাগান।বিশাল একটি ফুলের মার্কেট আছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ফুল রপ্তানি হয় এখান থেকে।প্রায় সবখানে নাকে আসবে ফুলের সুবাস যা আপনাকে মুগ্ধ ও পুলকিত রাখবে সবসময়।

এখানকার যাতায়াত ব্যবস্থাও খুবই ভাল। বাস, ট্রেন, মেট্রো সবই আছে। বাস খুবই সহজলভ্য এবং তুলনামূলকভাবে সস্তা। ১ অথবা ২ আরএমবি দিয়ে শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাওয়া যায় (১ আরএমবি সমান ১৩ টাকা)।

দর্শনীয় স্থানঃ  স্টোন ফরেস্ট’(Stone Forest )

পৃথিবীর প্রথম বিস্ময় হিসেবে খ্যাত ‘স্টোন ফরেস্ট’। কুনমিং শহর থেকে ১২০ কি. মি. দক্ষিণে এই দশর্নীয় স্থানটি অবস্থিত। বাস, ট্রেন, ট্যাক্সিতে খুব সহজেই যাওয়া যায় এখানে। আমরা সকালে কুনমিং রেলস্টেশন থেকে একটি ট্রেনে মাত্র দেড় ঘণ্টায় স্টোন ফরেস্টে পৌঁছি। স্টোন ফরেস্ট প্রকৃতির এক অদ্ভুত খেয়াল। চারদিকে পাথরের অভূতপূর্ব সব কারুকার্য। প্রায় ৩৫০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছোট বড় উঁচু নীচু বিভিন্ন আকৃতির পাথর বৃক্ষের মত দাঁড়িয়ে আছে।

দূর থেকে দেখেলে মাঝে মাঝে বিশাল গাছ, জীবজন্তু বা মানুষের আকৃতি বলে একে ভুল হতেই পারে।
স্টোন ফরেস্টের প্রবেশমূল্য ১৭৫ আরএমবি। দশনার্থীদের জন্য সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

আরো দেখতে পারেনঃ

ডায়ানচি লেক,
বাডর্স অ্যান্ড ফ্লাওয়ার মার্কেট,
ইউয়ান্তং বৌদ্ধ মন্দির,
ওয়েস্টান হিল,
ডাগুয়ান পার্ক,
আদিবাসী গ্রাম,
ইউনান জাতীয় জাদুঘর,
গ্রান্ড ভিউপার্ক,
হুয়াটিং টেম্পল,
ড্রাগন গেট 

কোথায় থাকবেনঃ

বাংলাদেশিদের থাকা ও খাওয়া  জন্য এখানে অনেকগুলো বাংলাদেশি গেস্ট হাউস বা রেস্টহাউস আছে। এদের সার্ভিসও ভাল। এসব গেস্ট হাউসের প্রতিনিধিদের সাক্ষাত পাওয়া যাবে বিমান বন্দরে নামলেই। এছাড়াও শহরের কেন্দ্রস্থলে হোটেলও থাকা যাবে। প্রচুর হোটেল আছে, ভাড়াও খুব বেশি নয়। আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধাই হোটেলগুলোতে পাওয়া যাবে। 

Wednesday, June 17, 2020

রাঁচি স্বপ্ন ময় দুনিয়ার হাতছানি। (Ranchi is the world's dreamy world)

ranchi


ঝাড়খণ্ড রাজ্যকে বিহার থেকে উৎকীর্ণ করা হয়েছে। এই রাজ্য ভূগর্ভস্থ খনিজ পদার্থের প্রাচুর্য ও ভারতের (India) সবচেয়ে ভারী শিল্পের জন্য অত্যন্ত বিখ্যাত।ছোটনাগপুর মালভূমির অরণ্যলিপ্ত পথে অবস্থিত ঝাড়খণ্ডকে যথাযোগ্যভাবে “ছোটনাগপুরের রাণী” বলে অভিহিত করা হয়।এই রাজ্যের হরপ্পা সভ্যতার মত পুরাতন এক সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। হাজারি বাগে হরপ্পা মৃৎশিল্পের আবিষ্কার তার প্রাচীনত্বের জন্য বিখ্যাত। এই অঞ্চল ভারতের (India traveling)স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিরসা মুন্ডার বীরত্বপূর্ণ কিংবদন্তী এখনও প্রতিটি মানুষের স্মৃতিতে জীবিত।

ঝাড়খণ্ড ভারতের এক অন্যতম কনিষ্ঠ রাজ্য।পূর্বে এই রাজ্যটি বিহার রাজ্যের অংশ ছিল।রাজ্যের রাজধানী রাঁচি (Rahchi) পূর্বে বিহারের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী ছিল।নবীন রাজ্য হলেও, ঝাড়খণ্ড যাওয়া খুব একটা কঠিন নয়।বহু সংখ্যক শিল্পকেন্দ্র কৌশলগতভাবে ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত এবং এক সুদৃঢ় যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা পরিবেশিত।

ভুটানের সেরা আকর্ষণীয় স্থান (Bhutan) 

ভারতের (India) পশ্চিম বঙ্গের রাজধানী কলিকাতার হাওড়া স্টেশন থেকে রয়েছে একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেন। কয়েকদিনের জন্য ঘুরে আসতে পারেন পড়শি রাজ্যে রাজধানী রাঁচি থেকে।কলকাতা থেকে সড়ক পথে দূরত্ব ৪৫০ কিলোমিটারের মতো। তবে ভারতে ট্রেনজার্নি আরাম দায়ক।সেই জন্য ট্রেনকেই আপনার যাত্রায় প্রথম পছন্দের তালিকায় রাখতে পারেন।

কি কি দেখবেন রাঁচিতে (interesting thing in Ranchi)

১। রক গার্ডেন
২। কাঁকে ড্যাম
৩। টেগোর হিলঃকথিত আছে, রবীন্দ্রনাথ তাঁর বিশ্ববিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘গীতাঞ্জলি’ রচনার কাজ শুরু করেছিলেন রাঁচির মোরাবাদি হিলে বসে, যা পরে টেগোর হিল নামে পরিচিত।
৪। হুড্রু জলপ্রপাত
৫। জগন্নাথ মন্দির
৬। পাহাড়ি মন্দির
৭। দেউরি মন্দির
৮। দশম জলপ্রপাত
৯। নক্ষত্র বন
১০। রাঁচি লেক
১১। সূর্য মন্দির
১২ বৈদ্যনাথ ধাম 


কীভাবে যাবেনঃ

হাওড়া থেকে শতাব্দী এক্সপ্রেস, রাঁচি ইন্টারসিটি, কিংবা রাঁচি-হাতিয়ার মতো একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেন পেয়ে যাবেন। এছাড়াও সাঁতরাগাছি থেকে অজমের এক্সপ্রেসেও যেতে পারেন। সড়ক পথে কলকাতা থেকে রাঁচির দূরত্ব ৪৫০ কিলোমিটারের মতো। গাড়িতে দুর্গাপুর, ধানবাদ হয়েও যেতে পারে। তাড়াতাড়ি যেতে চাইলে কলকাতা থেকে ফ্লাইটেও traveling করে রাঁচি যেতে পারেন।

কোথায় থাকবেনঃ

রাঁচি (Ranchi) শহরে বিভিন্ন মানের অসংখ্য হোটেল রয়েছে। তাই থাকার ক্ষেত্রে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। তবে আগে থেকে অনলাইনে হোটেল বুকিং করে নিলে সুবিধে হবে।
১। হোটেল রিভার ভিউ
2।এম্বাসি হোটেল
৩।চাণক্য হোটেল
৪।ওমরান ভিলা 

পরিদর্শনের (Traveling) সেরা সময়ঃ ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল

Thursday, June 11, 2020

ভুটানের সেরা আকর্ষণীয় স্থান (bhutan)


প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পুণ্যভূমি ও শান্তির দেশ ভুটান ( Bhutan ) প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য এক অনন্য ভ্রমণ গন্তব্য। ভুটানকে বলা হয় ‘ড্রাগনের দেশ’। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ আর প্রকৃতির নিশ্চুপ নিসর্গ দিয়ে ঘেরা ভুটানের রয়েছে আধ্যাত্মিক সংস্কৃতি আর সুপ্রাচীন ঐতিহ্য। নিবিড় সবুজে ঘেরা ভুটান শান্ত, নিরিবিলি ও পরিচ্ছন্ন একটি সার্কভুক্ত দেশ। বাংলাদেশর নিকটতম প্রতিবেশী। রয়েছে সুউচ্চ পর্বত শ্রেণী, অসংখ্য ঝর্ণা, বৌদ্ধ মন্দির, প্রাসাদদূর্গ, পর্বতের গায়ে অসংখ্য গুহা ভুটানকে করেছে এই অঞ্চলের অন্যতম পর্যটন সমৃদ্ধ দেশ। সাজানো-গোছানো এই দেশটিতে দেখার মত রয়েছে অনেক কিছুই। ভুটানে একটিবার গেলেই এর সৌন্দর্য  আপনার মন কেড়ে নেবেই সেই সাথে মুগ্ধ করবেই। বাংলাদেশী ভ্রমণ প্রেমীদের অন্যতম পছন্দের দেশ ভুটান। বাংলাদেশ থেকে ভুটানের দূরত্ব কম হওয়ায় বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী পর্যটক এ দেশটিতে ভ্রমণে যায়। ভুটান যাওয়ার আগে আসুন জেনে নেয়া যাক এখানকার দুইটি আকর্ষণীয় স্থান সম্পর্কে।

পাহাড়ের ঢালে নয়ানাভিরাম ভুটান (Bhutan) এর রাজধানী থিম্পু

দক্ষিণ এশিয়ার একটি উল্লেখযোগ্য সুন্দর সাজানো ছোট্র দেশ ভুটান। ভুটানের রাজধানী শহর থিম্পু। ভুটানের বড় পাহাড়ের কোল ঘেঁষে নেমে গেলে যে উপত্যাকাটি চোখে পড়ে সেখানেই গড়ে উঠেছে থিম্পু শহর। খুবই ছোট শহর থিম্পু। চারতলার চেয়ে উঁচু কোনো ভবন চোখে পড়ল না। তবে থিম্পু শহর নিজেই ৮০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত।

অতীতে থিম্পু ছিলো দেশটির শীতকালীন রাজধানী আর পুনাখা ছিলো গ্রীষ্মকালীন রাজধানী। তবে ১৯৬২ সালে থিম্পু শহরটিকে দেশের স্থায়ী রাজধানীতে পরিণত করা হয়।

পাহাড়ের ঢালে ছোট্ট এই শহরে আছে অনেক ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান। থিম্পু গেলে অবশ্যই ঘুরতে মিস করবেন এই স্থানগুলো। এদের রয়েছে প্রচুর সমৃদ্ধ এতিহ্যময় ইতিহাস। থিম্পু শহরের প্রতিটি বাড়িতেই ভুটানের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের ছাপ লক্ষণীয়। এছাড়া  শহরটি খুবই পরিচ্ছন্ন ও  সাজানো গোছানো। থিম্পুতে বেড়ানোর মত জায়গার লিস্ট নিচে দেওয়া হলঃ

গ্রেট বুদ্ধ বা দরদেনমা

বার্ডস আই ভিই

শহরের বাড়িঘর

চাংলিমিথাং স্টেডিয়াম

ন্যাশনাল মেমোরিয়াল চর্টেন 

তাশি চো জং

ফার্মাস মার্কেট

থিম্পু চু

প্যারো না দেখলে ভুটান ( Bhutan ) সফর পুর্নতা পাবেনা

প্যারো সবুজ এ সাজানো উপত্যকা। আশেপাশের প্রশস্ত উপত্যকার তালিকার তালিকায় রয়েছে পারো। পা ছু নদীর তীরে সুন্দরভাবে অবস্থিত, পারো ভুটানের একটি মনোরম গন্তব্য। এটি একটি মনোমুগ্ধকর গন্তব্য। আপনি ভুটানে থাকাকালীন অবশ্যই অবশ্যই একটি দর্শন দিতে হবে। ট্র্যাকিং, রাফটিং, মাউন্টেন বাইকিং এবং কায়াকিংয়ের মতো অ্যাডভেঞ্চারের কেন্দ্র হওয়ায় প্যারো সেরা পর্যটন কেন্দ্র। ভুটানের শহর পারোতে রয়েছে রঙিন কাঠের দোকান এবং এখানকার রেস্তোঁরাগুলির খাবারের জন্যও বিখ্যাত। প্যারো প্রধান আকর্ষণগুলির মধ্যে রয়েছেঃ

টাইগার্স নেস্ট

চেল লা পাস

রিনপং জং, জাতীয় জাদুঘর এবং আরও অনেক কিছু!

Sunday, June 7, 2020

স্বপ্নরাজ্য দার্জিলিং ভারতের রুপের রাণী (Dreamland Darjeeling is the queen of India)


Dreamland Darjeeling is the queen of India

পর্যটন শিল্পসমৃদ্ধ দেশ ভারত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পুরাকীর্তি, আধুনিক ও প্রাচীন স্থাপত্যশিল্প, সর্বোপরি বিশ্বের অন্যতম সপ্তাশ্চর্য আগ্রার তাজমহল ভারতকে দুনিয়ার সামনে তুলে ধরেছে স্বমহিমায়। ভারতজুড়ে বিভিন্ন ঐতিহাসিক এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থানগুলো এরই মধ্যে পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। দার্জিলিং তারই একটি।

দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বেড়াতে যাওয়াটা এখন আমাদের দেশের মানুষের কাছে মোটামুটি ডালভাত হয়ে গেছে। ভারতের ভিসা প্রক্রিয়া অনলাইন করার পর থেকে বাংলাদেশী পর্যটকদের মধ্যে প্রতিবেশী এই দেশটিতে ভ্রমণের হার বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। এখন তো লোকজন এটা সেটা বাজার করতেও কলকাতা ছোটেন, সেইসঙ্গে ঘোরাঘুরির কাজটাও সেরে নেন ফাঁকতালে। তবে বাংলাদেশী ভ্রমণপিয়াসুদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী আকর্ষণ যে জায়গাটা নিয়ে, সেটা সম্ভবত ভারতের দার্জিলিং। পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি থেকে অল্প দূরত্বে অবস্থিত পাহাড়ের ওপরে গড়ে ওঠা ছবির মতো সুন্দর এই শহরটাই যতো আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। পাসপোর্ট-ভিসা রেডি থাকলে তো দশ-পনের হাজার টাকা খরচ করেই ঘুরে আসা যায় পাহাড়ী এই শহর থেকে।

প্রকৃতির নৈসর্গিক ছোঁয়া পেতে লাখ লাখ পর্যটক প্রতিবছর দার্জিলিংয়ে ছুটে আসেন। ভারতের অন্যান্য স্থান থেকে এ শহরের আবহাওয়া একটু ব্যতিক্রম। শহরটি হিমালয়ের পাদদেশে হওয়ায় বছরের বেশিরভাগ সময়ই বিরাজ করে শীত ও ঠাণ্ডা আবহাওয়া। দার্জিলিং শহরটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭ হাজার ফুট উপরে। বছরের ৯ মাসই থাকে ঠাণ্ডা। মনে হবে মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশে নিজ হাতে ছোঁয়া যাবে মেঘমালাকে। বাকি ৩ মাস পুরোপুরি নিজেকে মেলে ধরতে পারে সূর্য। আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে উঠতে হয় মূল দার্জিলিং শহরে।

বস্তুত দার্জিলিং শহরটি ব্রিটিশ আমলেই বিশ্ব পর্যটকদের নজরে আসে। শহরে উঠেই দেখতে পাবেন সব জায়গায় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের চিহ্ন। রেলস্টেশন, বাসস্টেশন, রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ এমনকি চিড়িয়াখানা পর্যন্ত সব স্থানেই ব্রিটিশ ঐতিহ্যের ছোঁয়া। মূলত ব্রিটিশরা এ শহরকে তাদের নিজের মতো করে সাজিয়েছিল। কারণ ছিল একটাই এর নির্মল আবহাওয়া আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

কিভাবে যাবেনঃ

শ্যামলী পরিবহন সরাসরি শিলিগুড়ি পর্যন্ত সেবা দিয়ে থাকে। ঢাকা থেকে শিলিগুড়ি যাওয়ার ভাড়া হবে ১৬০০ টাকা। বর্ডার পার হওয়ার সময় ভ্রমণকর হিসেবে দিতে হবে অতিরিক্ত ৫৫০ টাকা। এবার আসা যাক রেলপথ। রেলপথে যেতে হলে ঢাকা থেকে টিকেট করতে হবে। এখন অবশ্য চট্টগ্রাম থেকেও মৈত্রী ট্রেনের টিকেট করা যায় কিন্তু যাত্রা করতে হবে ঢাকা থেকে।এছাড়া বিমানেও কলকাতা হয়ে দার্জিলিং যেতে পারেন। তবে সবচেয়ে সহজ বাসে যাতায়াত।

 কোথায় থাকবেনঃ

দার্জিলিং যেহেতু পর্যটন এলাকা তাই থাকার জায়গার সমস্যা নেই। এখানে মাঝারি দাম থেকে অল্প দামের হোটেলও পাবেন আপনি। তবে ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে বেলভিউ, সাগরিকা, সোনার বাংলা, মহাকাল হোটেল বেশি জনপ্রিয়। প্রতিটি সিঙ্গেল রুমের ভাড়া পড়বে ১০০০ রুপি। ডাবল রুমের ভাড়া ১২০০ রুপি। আর তিনবেডের রুমের ভাড়া ১৫০০ রুপি। ভালো হোটেল  এ থাকতে চাইলে ভাড়া আরও বেশি গুণতে হবে ।হোটেল রুমের সাথে খাবারের চুক্তি করে নিলে খরচ আরো কমবে।

কি দেখবেনঃ

সারাদিনের জন্যে জীপ ভাড়া করতে পারেন, ২০০০-২২০০ রূপি ভাড়া নেবে, আপনাকে ঘুরিয়ে আনবে দার্জিলিঙের সবগুলো ট্যুরিস্ট স্পট। মোটামুটি ছয়/সাতটা স্পট কাভার হয়ে যাবে একদিনেই।

ছবির মতো সুন্দর বাতাসিয়া লুপ, 
বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলস্টেশন ঘুম, 
বিরল পাহাড়ী বাঘের আস্তানা দার্জিলিং চিড়িয়াখানা, 
হিমালয়ান মাউন্টেইন ইনস্টিটিউট, 
সেন্ট পল’স স্কুলটা,
হ্যাপী ভ্যালি টি-গার্ডেনটি।