This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Showing posts with label স্বাস্থ্যবার্তা. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্যবার্তা. Show all posts

Thursday, July 9, 2020

প্রাকৃতিক উপায়ে দূর করুন গ্যাস্ট্রিক! (Get rid of gastric! by natural way)



কমবেশি সকলেই গ্যাস্ট্রিকের সাথে পুরিচিত। একেবারে ‘চিরতরে গ্যাস্ট্রিকের যন্ত্রণার ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে শুধু খাদ্যাভাস নয়, দৈনন্দিন জীবনেও ছোট-খাটো কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। ‘আমার গ্যাস্ট্রিক বা গ্যাস্ট্রাইটিসের সমস্যা নেই’ এ কথা কেউ বলতে পারবেন। কেউ কেউ নিয়মিত, কেউ বা মাঝে মধ্যে এ সমস্যায় ভোগেন৷কেন এই সমস্যা হয় এবং খাওয়ার পর গ্যাস বা অম্বলকে কীভাবে এড়ানো যায় তার জন্য কার্যকরী কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। কোলনের ইন্টারনাল মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ ডা. ইয়োর্গেন স্ল্যুইটারের পরামর্শ অনুযায়ী

খাবার ৬ বেলায় খান: আপনি তিন বেলার খাবারকে ভাগ করে ছয়বার খান৷ তেলে ভাজা খাবার, অতিরিক্ত ঝাল, চর্বি, মসলা, মিষ্টি, অর্থাৎ যেসব খাবার হজম করতে সমস্যা হয়, সেগুলো খাবার তালিকা থেকে আস্তে আস্তে কমিয়ে দিয়ে হালকা খাবার খান৷ যেমন আপনার খাবারের তালিকায় থাকতে পারে মাছ, অল্প মাংস, সবজি, আলু ইত্যাদি৷ এছাড়া খালি পেটে ফলের রস বা টক জাতীয় খাবার একেবারেই নয়৷

খাবার উপভোগ করুন: পরিমাণে অল্প খাবার একটু ধীরে ধীরে ভালো করে চিবিয়ে খান৷ দুপুরে খাওয়ার পর পরই ঘুমানো উচিত নয়, কারণ এতে খাবার আবার পাকস্থলীতে ফিরে আসতে পারে৷ বরং হাতে সময় থাকলে খাবার পর একটু হাঁটা যেতে পারে, যা খাবার হজম এবং মলত্যাগে সহায়তা করে থাকে৷

বুঝে পান করুন: পিপাসা মেটাতে পানি এবং হালকা চা পান করতে পারেন৷ তবে দিনে কম পক্ষে দুই লিটার পানি পান করা উচিত, যাতে খাবার পাকস্থলীতে ভালো করে মিশে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পারে৷ কফি বা অ্যালকোহল যতটা সম্ভব কম পান করলেই ভালো৷ তবে শুধু খাবার নয়, জল পান করার দিকেও কিছুটা গুরুত্ব দিতে হবে৷

ঢিলেঢালা পোশাক: খুব টাইট জিন্স বা কোমরের বেল্ট বেশি টাইট করে বাঁধবেন না৷ কারণ টাইট বেল্ট পেটে চাপ দেয়, যার ফলে টক ঢেকুর উঠতে পারে৷ কাজেই একটু আরামদায়ক বা একটু ঢিলে কাপড়-চোপড় পরাই স্রেয়৷

নিয়মিত হাঁটাচলা করুন: হাঁটা-চলার কোনো বিকল্প নেই’ এ কথা কম-বেশি আমরা সকলেই জানি৷ অতিরিক্ত ওজনের কারণে পেটে চাপ পড়ে এবং হাঁটাচলা না করায় মলত্যাগ করার পথে বাঁধা সৃষ্টি হয়৷ তাছাড়া পেটে খাবার জমে থাকা মানেই অস্বস্তি বোধ এবং সে কারণে ওজন কমানো বা ওজন ঠিক রাখাও সম্ভব হয় না৷ ব্যায়াম এবং হাঁটাচলা করলে শরীর থাকে হালকা থাকে, অন্ত্রও থাকে সক্রিয় আর গ্যাসও হয় কম৷

বালিশটা একটু উঁচু করে ঘুমাবেন: গ্যাসট্রিক বা অম্বলের সমস্যা সাধারণত রাতে বেলায় হয়৷ তাই বালিশটা একটু উঁচু করে এবং শরীরের ওপরের দিকটাও একটু উঁচুতে তুলে ঘুমাবেন৷ এতে গ্যাসট্রিক অ্যাসিড ওপরে উঠতে পারে না৷ বাঁদিকে কাত হয়ে ঘুমালেও পেটে চাপ কম পড়ে৷ তাছাড়া রাতের খাবার ঘুমাতে যাওয়ার তিন ঘণ্টা আগে খেলে খাবার হজম করতে আর কোনো সমস্যা হয় না৷

আঁশযুক্ত খাবার: ডাক্তারি ভাষায় টক খাবার বলতে বোঝায় মুরগির মাংস, মাছ, ভাত, মসুরের ডাল ইত্যাদি৷ এ ধরনের খাবার খাওয়ার পর এসিড হতে পারে৷ তাই আলু, রুটি, সিম, মটরশুটি, মুগের ডাল, কলাইয়ের ডাল ইত্যাদি খাবার ‘টক’ খাবারের সাথে মিশিয়ে খেলে অম্বলের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়৷ এছাড়া প্রতিদিন খাবারের তালিকায় সামান্য আলু সেদ্ধ বা আলুর তরকারি থাকতে পারে৷ আঁশযুক্ত খাবারের কথা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে৷

স্ট্রেসকে দূরে রাখুন: স্ট্রেস বা মানসিক চাপের সঙ্গে রয়েছে পেটের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক৷ তাই যে কোনো সংঘাত এড়িয়ে যতটা সম্ভব স্ট্রেস থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করুন৷ হালকা খাবার, যথেষ্ট হাঁটাচলা, কিছুটা বিশ্রাম – এভাবেই পেট বা অন্ত্রকে রক্ষা করতে, গ্যাসট্রিককে প্রতিরোধ করতে পারেন৷

ধূমপান পরিহার করুন: স্ট্রেস বা মানসিক চাপের ফলে পেটে অ্যাসিড প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় – সে কথা আমরা অনেকেই জানি৷ স্ট্রেসের কারণে অনেকে ধূমপান করেন৷ কিন্তু নিকোটিন অন্ত্রের খাবার মলদ্বারের রাস্তায় যে পথ দিয়ে যায়, সেটিকে দুর্বল করার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে৷

এছাড়া স্ট্রেস হরমোন হজম শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ শরীরের ভারসাম্য রক্ষায় অসুবিধার কারণে পেটে অ্যাসিড উৎপাদন হয়, কাজেই আর ধূমপান নয়!

Friday, July 3, 2020

যৌবন ধরে রাখার সিক্রেট টিপস (Youth Retention Secret Tips)

youth retention

যৌবন ধরে রাখার জন্য আমরা সবাই চেষ্টা করি। কিন্তু বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চেহারায় আসা পরিবর্তনগুলোকে আটকানো তো মুখের কথা নয়। তার জন্য প্রয়োজন নিয়ম মেনে কিছু রুটিন ফলো করা। তাহলে ৪০-এ আপনাকে হয়তো কুড়ির মতো লাগবে না, তবে অকালে বুড়িয়ে যাওয়াও আপনাকে গ্রাস করতে পারবে না।

১। যৌবন ধরে রাখার মূল মন্ত্রই হল সুস্থ, নির্মেদ শরীর৷ আর এর জন্য হাঁটার কোনও বিকল্প নেই। প্রতিদিন অন্তত আধঘণ্টা করে হাঁটুন। মোবাইলে গান শুনতে শুনতে হাঁটা নয়, ঘড়ি ধরে একেবারে ব্রিস্ক ওয়াকিং। ফলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে, হার্ট ভালো থাকবে৷ নিয়ন্ত্রণে থাকবে হার্টের রোগ, ডায়াবেটিজ, কোলেস্টেরল, প্রেশারের মতো সমস্যা৷ ফলে আপনাকেও লাগবে ঝরঝরে।

২। প্রতিদিনের ডায়েটে অন্তত একটা করে মরসুমী ফল রাখুন৷ তবে রোজ যদি আম, কলা, আনারস, কাঁঠাল খেতে থাকেন, তাহলে ওজন বেড়ে আপনাকে বয়সের থেকে আরও দশবছর বেশি বয়স্ক লাগবে৷ তাছাড়া ফল পুষ্টিগুণেও ভরপুর। ফলে থাকা ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরে পুষ্টি যোগায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আর আপনাকে রাখে তরতাজা।

৩। দৈনন্দিন ডায়েট থেকে সবুজ শাকসব্জি বাদ দিলে কিন্তু চলবে না৷সবজি খেলে মানসিক উন্নতিসহ শারীরিক উন্নতিও হয়। মানুষ আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।মোটের উপর সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

৪। ওজন কমাতে গিয়ে বা স্রেফ ইচ্ছে করছে না বলে ব্রেকফাস্ট কখনওই বাদ দেবেন না৷তাহলে কিন্তু শরীরের মেটাবলিজম সিস্টেমের গোলমাল হয়ে বেশি করে খিদে পেতে থাকে৷ আর বারে বারে খেতে খেতে আখেড়ে আমরা নিজের ক্ষতিই ডেকে আনি।

৫। যৌবন ধরে রাখতে হলে মিষ্টি জাতীয় খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। চকোলেট, পেস্ট্রি, ব্রাউনি, আইসক্রেমর মতো খাবারে প্রচুর কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট থাকে যা শরীরে ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল বাড়ায়। তাই এগুলি যতটা সম্ভব কম খান৷ তা বলে ডায়েট থেকে চিনি পুরোপুরি ছেঁটে ফেলবেন না। অল্প হলেও নিয়মিত খান৷ তাহলে শরীরের এনার্জি লেভেল ঠিক থাকবে। শরীর-মন জুড়ে স্বতস্ফূর্ততার অনুভূতি থাকবে।চেষ্টা করুন প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমোতে৷ সঙ্গে হাল্কা ব্যায়ামের অভ্যেস রাখতে পারলে উপকৃত হবেন আপনিই।

Tuesday, June 23, 2020

মোটা হওয়ার সহজ উপায় (Easy ways to be obese)

Easy ways to be obese


ফিনফিনে পাতলা শরীর কারোই কাম্য নয়। দেখতেও মানানসই নয়। বেশী মোটা কিংবা শুকনা কোনোটাই ভাল নয়; মাঝামাঝি থাকাটাই মঙ্গলময়। স্বাস্থ্য (health) প্রকৃতিগত ভাবে পাওয়া। চাইলেই যদি সব পাওয়া যেত তাহলে ইচ্ছেমত সবাই শরীরটাকে বদলে দিত, তবে হ্যা চর্চার মাধ্যমে সব অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়।

নিয়মিত অনুশীলন, চেষ্টা ধৈর্য আপনার চাওয়াকে পাওয়াতে পরিণত করবে। যারা খুব শুকনা তারা মোটা হওয়ার উপায়গুলো জেনে নিন।

১) যদি নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান এবং রাতের ঘুম ঠিক রাখেন তাহলে আপনি তাড়াতাড়ি আপনার স্বাস্থ্য মোটা করতে পারবেন। না ঘুমাতে পারলে আপনার শরীর ক্যালরী ধরে রাখতে পারে না। রাতে তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ করুন এবং তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ুন।

২) একটা নিদিষ্ট সময় ধরে খাবেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক ঘন্টার মধ্যে সকালের নাস্তা শেষ করুন। সকালে প্রচুর পরিমাণে খেয়ে নিতে পারেন। হ্যাম বার্গার, ভাজা খাবার, চিকেন ব্রেস্ট খেলেও ক্ষতি নেই।

৩) সফ্ট ড্রিংকস্ এবং ফ্যাটি খাবার খেলে স্বাস্থ্য মোটা হয়। এতে হাই-ইন্সুলিন থাকে। ইন্সুলিন হরমোন তৈরি করে। যার সাহায্যে শরীরে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফ্যাট জমে। যখন ফ্যাটি ফুডস্ খাবেন তখন জল পান করুন; সফ্ট ড্রিংকস্ নয়। এমনকি ডায়েট সফ্ট ড্রিংকস্ও নয়। এটা খেলে আপনি ফ্যাটি ফুড খেতে পারবেন না।

৪) এনার্জি ফুড খেলেও আপনি মোটা হবেন। শরীরে যদি এনার্জি ফুড না থাকে তাহলে শরীরে শক্তিই থাকে না মোটা হওয়া তো দূরের কথা। আপনি কখনো ব্যাটারিতে ল্যাপটপ কম্পিউটার চালাতে পারবেন না যদি প্লাগ না দেন। শরীরও তার ব্যতিক্রম নয়।

৫) টেনশনমুক্ত থাকুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে ক্ষুধা বেড়ে যায় টেনশন দূরে করে।
৬) প্রচুর ফল খান। ফল পুষ্টিকর খাবার এতে প্রচুর ক্যালরি পাওয়া যায়। প্রতিদিন ফল এবং ফলের রস খান। ফলের তৈরি বিভিন্ন সিরাপ, কুবিথ, গাম, জ্যাম, জ্যালি খান এতে ফ্যাট আছে যা আপনার স্বাস্থ্য (health) মোটা করবে।

৭) আপনি কী এ্যালকোহল পানে অভ্যস্ত? এ্যালকোহল পান করলে শরীর মোটা হয় (যদিও এ্যালকোহল পান করা স্বাস্থ্যের ক্ষতিকর। এর অতিরিক্ত পানে লিভার সহ শরীরের আরো অন্যান্য অংশ মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়)। এটা শরীরের মাংশপেশীতে হরমোন তৈরি করে। শরীরে যখন অতিরিক্ত ক্যালরির প্রয়োজন হয় দিনের শেষে সন্ধ্যার দিকে, তখন এ্যালকোহল পান করতে পারেন। এ্যালকোহলে প্রচুর ক্যালরি পাওয়া যায়। রাতে এ্যালকোহল পান করে তাড়াতাড়ি রাতের খাবার সেরে ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। এতে খুব দ্রুত মোটা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

Monday, June 15, 2020

ঘরে হেয়ার কালার করার সময় মনে রাখুন এই ব্যাপারগুলো (Remember these things when you have hair color in the house)


hair color

ব্যস্ততাময় জীবনে সময় বের করে পার্লারে হেয়ার কালার করতে যাওয়াটা বেশ ঝক্কির। সেইসাথে একগাদা পয়সা খরচ হয়ে যাওয়ার ব্যাপার তো আছেই। তাই ইচ্ছে করলেই এখন ঘরে বসেই হেয়ার কালার করে নিতে পারেন আপনি। তবে, ঘরে হেয়ার কালার করার সময় পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরো সহজ করে ফেলার জন্য মনে রাখুন এই ছোট্ট এবং কার্যকরী টিপসগুলো!

১। আপনার চুলের স্বাস্থ্য ঠিক আছে তো? ভাবছেন, চুলের স্বাস্থ্যের সাথে হেয়ার কালারের কী সম্পর্ক? বলুন তো একবার, চুল যদি সুন্দর না হয়, তাহলে সেই চুলে ব্যবহার করা রঙ কী করে সুন্দর দেখাবে? তাই প্রথমেই চুলের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন। রুক্ষ ও ভঙ্গুর হলে আপনার চুল রং করানোর উপযুক্ত নয়। রং করানোর জন্য উপযুক্ত ঝলমলে স্বাস্থ্যকর চুল। এই চুলে কালার দীর্ঘদিন থাকে এবং দেখতেও ভালো লাগে। আপনার চুল যদি রুক্ষ হয় তবে প্রোটিন ট্রিটমেন্ট অথবা হেয়ার স্পা করিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসুন।

২। খেয়াল রাখুন যেন চুলে রং করার কিছুদিন আগে থেকে বেশি শ্যাম্পু করা বন্ধ করা হয়। কারণ, শ্যাম্পু করলে আপনার চুল দিনকে চিন রুক্ষ হয়ে উঠবে।

৩। নির্দিষ্ট সময়ের চাইতে বেশিক্ষণ কালার চুলে রাখবেন না। আপনি যে ডাইটি ব্যবহার করছেন, তার প্যাকেটের গায়েই একটি নির্দিষ্ট সময়ের কথা লেখা থাকে। ততটুকু সময় আপনার চুলে রাখুন। বেশি রাখলে যে চুল আরও বেশি কালার হবে, তা কিন্তু নয়। বরং আপনার চুল ড্যামেজ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এতে চুল ভেঙ্গে যায়।

৪। আপনার কপালে, গালে, পেছনে হেয়ার লাইনের নিচে রং লাগতে পারে তাই ভ্যাসলিন বা লিপ বাম মেখে নিন। একে বলা হয় কোটিং। এর মাধ্যমে রং লাগা প্রতিরোধ করা যায়।

Wednesday, June 10, 2020

দাঁতের ক্ষয় রোধে করণীয় (dental tips to preventing caries)

dental tips to preventing caries


দাঁতের ক্যাভিটি সমস্যা হলো দাঁতে পোকা ধরার সমস্যা। এটী খুবই বিরক্তিকর একটি বিষয়। দাঁতের ক্ষয় হয়ে যাওয়া এবং দাঁতে গর্তের সৃষ্টি হওয়ার কারণে খাবার খাওয়ার সময় অনেক যন্ত্রণা পোহাতে হয়।

এছাড়াও ক্যাভিটি যদি বেশি হয়ে যায় তাহলে রুট ক্যানেল না করানো ছাড়া উপায় থাকে না। কিন্তু ক্যাভিটির সমস্যা থেকে আমরা চাইলেই মুক্ত থাকে পারি। একটু সতর্কতাই এই সমস্যার সমাধান করতে পারে।

আসুন জেনে নিন দাঁতের ক্যাভিটি সমস্যা প্রতিরোধে জরুরী কিছু করণীয় –

১) নিয়মিত ব্রাশ, ফ্লস এবং অ্যালকোহল মুক্ত মাউথওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার রাখুন। দাঁতের পাশাপাশি নজর দিন জিহ্বার দিকেও। নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন জিহ্বা। এতে করে দাঁতে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করতে পারবে না।

২) চিনিযুক্ত ক্যান্ডি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার যতোটা সম্ভব কম খাওয়ার চেষ্টা করুন। এবং যদি একেবারেই না খেয়ে থাকতে না পারেন তবে এইধরনের খাবার যা দাঁতে লেগে থাকার সম্ভাবনা বেশি খাওয়ার পরপরই দাঁত ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।

৩) অতিরিক্ত স্টার্চ ও রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার যেমন চিপস, পাউরুটি, পাস্তা এবং অন্যান্য ক্র্যাকার থেকে দূরে থাকুন। এতে ক্যাভিটির সমস্যাও দূরে থাকবে।

৪) যে সকল কার্বোনেটেড সফটড্রিংকসে অনেক বেশি মাত্রার চিনি, ফসফরাস এবং কার্বনেশন যৌগ রয়েছে তা একেবারেই পান করবেন না। এর পরিবর্তে তাজা ফলের রস পান করুন। এবং অবশ্যই ফলের রস পানের পর মুখ পরিষ্কার রাখুন।

৫) বাচ্চাদের নরম দাঁতে খুব সহজেই ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ হয়। তাই বাচ্চাদের ব্যাপারে অতিরিক্ত সতর্ক থাকুন। বাচ্চাদের নরম ব্রিসলের ব্রাশ ব্যবহার করতে দিন এবং টুথপিক ব্যবহার করতে দেবেন না। প্রতি ৩ মাস পরপর বাচ্চাদের ব্রাশ বদলে দিন।

৬) দাঁতের ডাক্তারের কাছে সচরাচর যাওয়া হয়ে উঠে না। কিন্তু একটু কষ্ট করে হলেও বছরে দুবার ডেন্টিস্টের কাছে গিয়ে চেকআপ করার এবং দাঁতের যেকোনো সমস্যা অবহেলা না করে যতো দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন

Monday, June 8, 2020

সূর্য রশ্মি থেকে আপনার ত্বক রক্ষা করার উপায় (6 Ways to Protect Your Skin from the Sunlight)

sunlight


আমাদের শরীরের সবচেয়ে সূক্ষ্ম অংশ ত্বক যা বাইরের পরিবেশের সবচেয়ে এক্সপোজার আছে এবং পরিবেশে ক্ষতিকারক এজেন্ট থেকে আমাদের রক্ষা করে।তাই ত্বক সুস্থ রাখার জন্য আমাদের নির্দিষ্ট ভাবে এটির যত্ন নিতে হবে।এখানে বেশ কিছু উপায় বর্নণা করা হল যা আপনার ত্বককে তরুন ও সতেজ করতে সাহায্য করবে।

ত্বক সবসময় ঢেকে রাখুনঃ

সূর্যের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে আপনার ত্বক রক্ষা করার জন্য প্রথম এবং সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ জিনিসটি হল উপযুক্ত পোষাক দিয়ে আপনার ত্বক আবৃত করা।সূর্যের ক্ষতিকারক প্রভাবের কারণে আপনার ত্বকের রঙ গাঢ় হতে পারে এবং বিভিন্ন ত্বকের রোগ হতে পারে যদি এক্সপোজার সীমা অতিক্রম করে থাকে তবে সূর্যের ক্ষতিকারক প্রভাব ত্বকের কোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।সূর্যের রশ্মি দুপুর ও সন্ধ্যায় সবচেয়ে বেশি তীব্র হয় তাই আপনি এই সময়ে সূর্যের আলোতে বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলতে পারেন, তবে যদি আপনি একান্ত বাইরে বের হতে হয় তবে সম্পূর্ণরূপে নিজেকে আবৃত করে নিন।

সানস্ক্রীন লোশন ব্যবহার করুনঃ

সূর্যের ক্ষতিকারক রে থেকে আপনার ত্বক রক্ষা করার অন্যতম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায় হল এটি একটি উচ্চ সংখ্যক এসপিএফ সুরক্ষা নিয়ে প্রচুর পরিমাণে সানস্ক্রিন প্রয়োগ করা এবং প্রতি কয়েক ঘন্টা পুনরায় প্রয়োগ করার কথা মনে রাখা।এখানে ক্লিক করে কিনুন আপনার পছন্দের সানস্ক্রিন পন্য।

ময়েশ্চারাইজারঃ

ময়শ্চারাইজিং সূর্যের ক্ষতিকারক রে থেকে আপনার ত্বক রক্ষা করার জন্যও সহায়ক।সূর্যের তেজ থেকে ত্বক রক্ষা করার জন্য একটি মৃদুভাবে স্প্রে করলে ত্বকের উপর একটি আর্দ্রতা স্তর পরে যা ত্বকের আবরন হিসাবে কাজ করে।শুধু মুখে বা ত্বকে সরাসরি ময়েশ্চারাইজার স্প্রে করবেন না, এটি আপনার হাতে ঘষে তারপর আপনার মুখের উপর লাগাবেন।

প্রতিফলিত আলো থেকে নিজেকে রক্ষা করুনঃ

সূর্য থেকে প্রতিফলিত আলো থেকে আপনার যত্ন নেওয়া এবং নিজেকে রক্ষা করা উচিত কারণ সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মিগুলি থেকে ছাতা এবং অন্যান্য আধা-বহুমুখী জিনিসগুলি আমাদের সম্পূর্ণরূপে রক্ষা করতে পারে না। শরীরের প্রতিটি অংশ যত্ন নেওয়া উচিত কারণ প্রতিফলিত আলো অত্যন্ত ক্ষতিকর।

বাহিরে বের হবার সময় পরিবর্তন করুনঃ

আপনি সূর্যের আলোতে বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলবেন। যদি আপনি সূর্যের কঠোর সময়কালে আপনার কাজে যান তবে সেই সময়টি পরিবর্তন করুন।এই পরিবর্তন সত্যিই সূর্যের ক্ষতিকারক রে থেকে আপনার ত্বক রক্ষা করার জন্য অনেক উপকার করবে।

সুর্যস্নান এড়িয়ে চলুনঃ

অনেকেই প্রখর রৌদের মধ্যে সুর্যস্নান করে থাকে।মানুষ সূর্যমুখী হওয়া উচিত নয়, কারণ এই সময়ে সূর্যটি কেবল ত্বকের ক্ষতি করে না বরং ত্বকের উপরের স্তরের কোষগুলিকে পুড়িয়ে দেয় যার ফলে ত্বকের ভয়াবহ ক্ষতি হয়।

(Credit: Maria Nickerson, a skin care specialist and owner of http://supplementsbit.com)
 

Friday, June 5, 2020

ধর্ষণ প্রমাণে ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ নিষিদ্ধ করল আদালত (The court has banned 'two finger tests' against rape)

two finger test


বাংলাদেশে ধর্ষণের শিকার হওয়া নারী ও শিশুর শারীরিক পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত 'টু ফিঙ্গার টেস্ট' নিষিদ্ধ করেছে আদালত। আদালত রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেছে, ধর্ষণ প্রমাণে শারীরিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই টেস্টের কোনও বিজ্ঞানসম্মত ভিত্তি নেই।

পাঁচ বছর আগের এক রিট আবেদনের নিষ্পত্তি করে বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি একেএম সহিদুল হক বৃহস্পতিবার এই রায় দেন। ওই পরীক্ষা বন্ধের দাবি জানিয়ে অধিকারকর্মীরা বলে আসছিলেন, দুই আঙ্গুলের ‘অযৌক্তিক’ ওই পরীক্ষা ভিকটিমকে আবার ধর্ষণ করার শামিল।
২০১৩ সালে দুই আঙুলের মাধ্যমে ধর্ষণ পরীক্ষা পদ্ধতির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট ব্লাস্ট, আইন ও সালিশ কেন্দ্র, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, ব্র্যাকসহ কয়েকটি বেসরকারি সংস্থা একটি রিট আবেদন করে।

ওই প্রেক্ষাপটে সে সময় নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তথাকথিত 'টু ফিঙ্গার টেস্ট' কেন আইন বহির্ভূত এবং অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা নিয়ে রুল জারি করেছিল হাইকোর্ট।ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ বলেছেন, এ নামে চিকিৎসা বিজ্ঞানে কোন পরীক্ষা নেই। কিন্তু বাংলাদেশে ধর্ষণের শিকার নারী ও শিশুদের শারীরিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে আদালত এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্দেশে এই পরীক্ষা করাতে হয়। দেশের সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোর ফরেনসিক বিভাগে এই পরীক্ষা হয়।

সোহেল মাহমুদ বলছেন, হাতে গ্লাভস পড়ে নারীর গোপনাঙ্গে আঙুল প্রবেশ করিয়ে তার 'টেন্ডারনেস' পরীক্ষা করা হয়। এই টেস্টের নামই 'টু ফিঙ্গার টেস্ট'। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই পরীক্ষা শতভাগ নির্ভুল নয় এবং এ নিয়ে অনেক সময় কোন উপসংহারেও পৌছানো সম্ভব হয়না।