This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Showing posts with label নিউজ. Show all posts
Showing posts with label নিউজ. Show all posts

Friday, July 3, 2020

ভারত ৩৩.৪৪ বিলিয়ন ডলারে ৩৩ টি রাশিয়ান যুদ্ধবিমান কিনছে (India to buy 33 Russian fighter jets)

India to buy 33 Russian fighter jets


ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Indian defense ministry) জানিয়েছে, বিমান বাহিনীর লড়াইয়ের স্কোয়াডগুলোর সংখ্যা বাড়িয়ে তোলার জন্য ২১ টি মিগ -২৯ এবং ১২ টি এস -৩০ এমকেআই ক্রয় করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক পারমাণবিক-সশস্ত্র প্রতিবেশী চীনের সাথে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ৩৩ টি রুশ যুদ্ধবিমান ক্রয় ও ৫৯ টি যুদ্ধবিমানকে আধুনিক ও উন্নত করার বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। মিনিস্ট্রি অফ ডিফেন্স জানিয়েছে, ২১ টি মিগ -২৯ এবং ১২ টি এস -৩০ এমকেআই কেনার পাশাপাশি বিদ্যমান বিদ্যমান মিগ ২৯- কে উন্নীত করা হচ্ছে। ভারতীয় বিমানবাহিনীর লড়াইয়ের স্কোয়াড্রনগুলিকে "বৃদ্ধি" করা হচ্ছে।মন্ত্রক আরও বলেছে যে, তারা সামরিক বাহিনীর তিনটি শাখার জন্য ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমের স্থানীয় বিকাশ এবং সেনাবাহিনীর জন্য গোলাবারুদ এবং পদাতিক যুদ্ধ বাহিনীকে উন্নত করার অনুমোদন দিয়েছে।

"আমাদের সীমান্ত রক্ষার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে শক্তিশালী করার প্রয়োজন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর 'স্বনির্ভর ভারত' করার আহ্বানের কারণে" ভারতের প্রতিরক্ষা সামর্থ্যকে আরও বাড়িয়ে তোলা হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।

এই ঘোষণাটি রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে মোদির ফোনালপের পর ভারতের পক্ষ থেকে ঘোষনাটি দেওয়া হয়েছে।

রাশিয়া - ভারতের বৃহত্তম অস্ত্র সরবরাহকারী

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং গত মাসে মস্কোতে  ৭৫ তম বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে অংশ নিতে মস্কো সফর করেছিলেন। যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানিটির বিরুদ্ধে সোভিয়েতের বিজয় চিহ্নিত হওয়া উপলক্ষে পালিত হয়।

রাশিয়া (Russia) নয়াদিল্লির শীতল যুদ্ধের মিত্র ছিল এবং ভারতের বৃহত্তম অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ।

2018 সালে, দুই দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞার হুমকি সত্ত্বেও 5.4 বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তিতে এস -400 রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেম সরবরাহের জন্য একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।

২০১৬ সালে ফ্রান্সের সাথে "উড়তে প্রস্তুত" শর্তে ফ্রান্সের সাথে স্বাক্ষরিত $ ৮.৭৮ বিলিয়ন ডলারের চুক্তির অংশ হিসাবে অর্ডার করা ৩৬ টি রাফালে যুদ্ধবিমানের প্রথম ব্যাচের আগমনের অপেক্ষায় রয়েছে ভারত, তারা ফ্রান্সে তৈরি করবে।

নয়াদিল্লি আশা করছে যে এই মাসের শেষের দিকে চার থেকে ছয়টি রাফালে বিমান ভারতে পৌঁছাবে।

সেনাবাহিনীকে আধুনিকীকরণের সাথে সাথে দক্ষিণ এশীয় এই দেশ বিশ্বের বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক রাহুল বেদী বলেছিলেন, রাশিয়ান বিমানের অধিগ্রহণটি বিমান বাহিনীর নিষ্ক্রিয় হওয়া ফাইটার স্কোয়াড্রন সংখ্যা বাড়িয়ে তুলবে, যা অনুমোদিত মোট ৪২ থেকে ২৮ এ নেমে এসেছে। একটি স্কোয়াড্রনে ১৮ টি বিমান রয়েছে।

বেডি দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছে, 12 টি এস -30 এমকেআইগুলি ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেডের লাইসেন্সের আওতায় নির্মিত হবে।

Thursday, July 2, 2020

তারণ্যের স্বপ্ন পুরনের হাতছানি কুনমিং বিশ্ববিদ্যালয় (Kunming University of Chaina)


kunming university of chaina

দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের কুনমিং নগরীর কাছে প্রাকৃতিক পরিবেশ ঘেরা অবস্থানে ১৯২৩ সালে কুনমিং বিশ্ববিদ্যালয় (Kunming University) প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি এ অঞ্চলের প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিদেশী শিক্ষার্থীদেরও এখন এই বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে। এসব বিদেশী শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার। কুনমিং থেকে বাংলাদেশের দূরত্ব কম। মাত্র দুই ঘণ্টায় ঢাকা থেকে কুনমিংয়ে যাওয়া যায়। কুনমিং ইউনান প্রদেশের রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘তারা এখানে মানসম্পন্ন শিক্ষা পাচ্ছেন এবং এখানে টিউশন ফি, থাকার খরচ ও আনুষঙ্গিক খরচ নিজ নিজ দেশের তুলনায় কম।’ ঢাকা থেকে যাওয়া এক ছাত্র বলেন, ‘এখানে শিক্ষার্থীদের পাঠকক্ষে উপস্থিতি নীতি কঠোরভাবে মানা হয়। ইংরেজী ভাষায় পড়ালেখার সুযোগ আছে বলে অনেক বাংলাদেশী শিক্ষার্থী এখানে পড়ালেখা করতে পারবে।’

যে বিষয়গুলোতে ভর্তি হওয়া যাবে?

ইঞ্জিনিয়ারিং
কম্পিউটার সাইন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

বিবিএম

হোটেল ম্যানেজমেন্ট

যে সকল সুবিধাদি পাওয়া যাবে:
৪ বছরের কোর্স এ কোন Tuition Fees দিতে হবে না। পুরোটাই Scholarship
হোস্টেল সুবিধা।
পড়াশুনা শেষ এ চাকুরীর সুযোগ ।
ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশুনা করার সুযোগ।
বাংলাদেশীদের জন্য ১০০% পর্যন্ত শিক্ষা বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ।
পড়াশুনার পাশাপাশি ব্যবসা করার সুযোগ।

আবেদনের যোগ্যতা:
SSC & HSC পাস থাকলেই ভর্তি হতে পারবেন।
Minimum GPA SSC & HSC দুটো মিলে (4+4= 8) থাকলে Scholarship পাবেন।
কোন বিষয়ে B গ্রেড নিচে থাকা যাবে না।
শুধু ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫, ২০১৬ সালে HSC পাস করেছে, তারাই Apply করতে পারবে।


খরচ কেমন হতে পারে?
হোস্টেল ফি এবং অন্যান্য খরচ সহ প্রতি বছর বাংলাদেশী ১ লক্ষ টাকা খরচ যা বাংলাদেশে থাকা খাওয়ার থেকেও কম।

Saturday, June 27, 2020

পাকিস্তানে সামরিক ঘাঁটি খুলছে চীন, কৌশলগত চাপে ভারত (China opens military bases in Pakistan, India under strategic pressure)

china army


সম্প্রতি এক রিপোর্টে জানা গেছে, ইতিমধ্যে ইসলামাবাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনাও শুরু করে দিয়েছে বেইজিং। ভারতের ওপর কৌশলগত চাপ বাড়াতে চীন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে ইরানের চবাহার বন্দরের অদূরে জিয়ানিতে চীন সামরিক ঘাঁটি করবে। তাৎপর্য পূর্ণভাবে চবাহার বন্দর পুননির্মাণে ইরানকে সাহায্য করছে ভারত।এমনকি ইরানের চাবাহার থেকে আফগানিস্তানের হাজিগক পর্যন্ত যে করিডর নির্মাণের কাজ চলছে তার প্রধান বিনিযোগকারী দেশ ভারত। এই করিডর নির্মাণের কাজ শেষ হলে আফগানিস্তান হয়ে ইরান পর্যন্ত ভারতীয় পণ্য রপ্তানি আরও মসৃণভাবে করা যাবে।

তাছাড়া ভৌগলিকগত দিক থেকেও এই এলাকার গুরুত্ব অনেক। একদিকে রয়েছে গালফ অফ ওমান সীমান্ত অন্যদিকে আছে বালোচিস্তান প্রদেশ।ফলে জিয়ানিতে সামরিক ঘাঁটি হলে গোটা চত্বরে নজরদারি চালাতে পারবে চীন। একই সঙ্গে চবাহার থেকে হাজিগক পর্যন্ত করিডরও চীনের নজরদারির আওতায় চলে আসবে।

এ ব্যাপারে এক দক্ষিণ এশীয় বিশেষজ্ঞের মতে, ‘বেজিং এবং ইসলামাবাদ উভয়েরই যৌথভাবে পাকিস্তানের মাটিতে নৌ এবং বিমানসেনা ঘাঁটি তৈরি করার ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে এমন কোনো পদক্ষেপের প্রয়োজন নেই।’

উল্লেখ্য, দেশের বাইরে এর আগে আফ্রিকার জিবুতিতে নৌসেনাঘাঁটি খুলেছে চীন।

যেভাবে ভূমিকম্প প্রতিরোধ করবে বোতলের তৈরি বাড়ি (How to prevent earthquake bottles made home)


funny house


কি অবাক হচ্ছেন তাইনা ? ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের নাম শুনলেই আমরা চিন্তায় পড়ে যাই। কারণ বিপুল পরিমাণ প্রাণঘাতী দুর্যোগের নাম ভূমিকম্প। কোনো রকম পূর্বাভাস জানার উপায় নেই। হঠাৎ ঘটে যায় এ দুর্যোগ। ধ্বংস হয় জনপথ। প্রাণ হারায় মানুষ।

ভূমিকম্প প্রতিরোধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি গ্রহণ করে থাকে।তবে এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই নাইজেরিয়া।তাই ভূমিকম্প প্রতিরোধে বোতলের বাড়ি বানাচ্ছেন তারা।
এই বোতলের বাড়িতে তেমন খরচ নেই বললে চলে। এছাড়া প্লাস্টিক দূষণ ঠেকাতে, বেকারত্ব দূর ও ভূমিকম্প প্রতিরোধে নতুন এক প্রকল্প হাতে নিয়েছে নাইজেরিয়া৷
জার্মান উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে সাত বছর আগে নাইজেরিয়ার কিছু নির্মাণশ্রমিককে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিল। তাদের অনেকেই এখন পরিণত হয়েছেন দক্ষ প্রশিক্ষকে৷ এখন বোতল বাড়ি নির্মাণকাজে আগ্রহীদের সংখ্যাও বেড়ে চলেছে৷
আসুন দেখে নেয়া যাক বোতল দিয়ে কীভাবে ভূমিকম্প প্রতিরোধে বাড়ি তৈরি করে নাইজেরিয়ার অধিবাসীরা।

নাইজেরিয়ার বোতল বাড়িঃ
প্লাস্টিক দূষণ ঠেকাতে ও বেকারত্ব দূর করতে নতুন এক প্রকল্প হাতে নিয়েছে নাইজেরিয়া৷ প্রকল্পের আওতায় প্লাস্টিক বোতল এবং বালি দিয়ে বানানো হচ্ছে বাসাবাড়ি৷ এই বাড়িগুলো পরিবেশসম্মত এবং দীর্ঘস্থায়ী৷

প্রশিক্ষণ, দক্ষতাঃ
ইটের বাড়ি বানানোর প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন সিইবা৷ কিন্তু গত সাত বছর ধরে তিনি ইটের বদলে বাড়ি বানাচ্ছেন বোতল দিয়ে৷

ভিন্ন ধরনের রিসাইক্লিংঃ
প্রায় ১৯ কোটি মানুষের দেশটিতে প্লাস্টিক একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে৷ প্লাস্টিক বোতল মাঝেমধ্যেই দেশটির শহরগুলোর পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায় বাধা সৃষ্টি করে৷ বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও বাজে রূপ নেয়৷ বছরে উৎপাদিত ৩ দশমিক ২ টন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দেশটিতে নেই তেমন কার্যকর ব্যবস্থা৷ ফলে রিসাইক্লিং যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দিয়েছে৷
প্রকল্পের উদ্যোক্তাঃ

নির্মাণ প্রকৌশলী ইয়াহিয়া আহমেদ জার্মানিতে ২৭ বছর ধরে বাস করেছেন, চাকরিও করেছেন৷ নিজের দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশদূষণ নিয়ে তিনি বেশ চিন্তিত৷ দক্ষিণ অ্যামেরিকায় বানানো এ ধরনের কিছু বাড়ি থেকেই এই ধারণা পান আহমেদ৷ তিনি বলেন, জার্মানিতে এক বন্ধু আমাকে এ বুদ্ধি দেয়৷ ভাবলাম, নাইজেরিয়াতে এটা কাজে লাগানো যায়৷

বেকারত্ব নিরসনঃ 
নাইজেরিয়ার ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের এক চতুর্থাংশেরই কোনো নিয়মিত আয় নেই৷ অনেককেই শেষ পর্যন্ত জীবনধারণে বেছে নিতে হয় ভিক্ষাবৃত্তি বা চুরি৷ আহমেদ বলছেন, এদের অনেকে রাজনীতির শিকারে পরিণত হয়, কেউ জড়িয়ে পড়ে মৌলবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে৷ এ জন্য তাদের বিকল্প উপায় দিতে হবে৷

সাধারণ কিন্তু কার্যকরঃ
নির্মাণ প্রক্রিয়া বিস্ময়করভাবে সহজ৷ প্লাস্টিকের খালি বোতল বালি এবং পাথরকুচি দিয়ে ভর্তি করা হয়৷ এরপর নাইলনের দড়ি দিয়ে বেঁধে সেগুলোকে একটার ওপর একটা সাজিয়ে কাদা দিয়ে আটকে দেয়া হয়৷ এই পদ্ধতি যে শুধু পরিবেশবান্ধব তাই নয়, খরচও অনেক কম৷ এতে নির্মাণ খরচ প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কমানো সম্ভব৷

বুলেটপ্রুফ এবং ভূমিকম্প-প্রতিরোধীঃ
বোতল বাড়ির আরেক বড় সুবিধা- স্থায়িত্ব৷ বালিভর্তি বোতলগুলো প্রায় অবিনশ্বরই বলা চলে৷ দক্ষিণ অ্যামেরিকার হন্ডুরাসে বানানো এমন কিছু বাড়ি ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পেও অক্ষত ছিল৷ নির্মাতাদের দাবি, এই বাড়িগুলো বুলেটপ্রুফ৷

অসীম সৃষ্টিশীলতাঃ
আবুজা প্রকল্পে নানা আকারের ও বর্ণের প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার করা হয়৷ ফলে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ডিজাইনে বাড়ি বানাতেও কোনো বাধা নেই৷ উত্তর নাইজেরিয়ার ঐতিহ্যবাহী বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে নানা রং ও নকশা মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে  অপূর্ব কিছু বাড়ি

পরস্পরকে পেটানোর হুমকি ট্রাম্প-বাইডেন’র (Trump-Baiden threatens to beat each other)

trump biden


মায়ামিতে যৌন নিপীড়নবিরোধী একটি র‌্যালিতে যোগ দিয়ে ২০০৫ সালে নারীদের নিয়ে ট্রাম্পের করা আপত্তিকর মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন ওবামা সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এমনকি ওই র‌্যালিতে দেয়া ভাষণে ট্রাম্পকে পিটিয়ে তুলোধুনো করারও হুমকি দেন তিনি।

হোয়াইট হাউজের মসনদে বসে এমন সমালোচনা নিশ্চয় চুপ করে সইতে পারেন না ট্রাম্প। পাল্টা জবাব দিতে তিনিও সরব হলো। পাটকেল ছুড়লেন জো বাইডেনের দিকে। বাইডেনকে পেটানোর হুমকি দিলেন ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের এ সংক্রান্ত একটি টুইটারের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো এমন খপর প্রকাশ করেছে।

টুইটে ট্রাম্প লিখেছেন: ‘‘ক্ষ্যাপা জো বাইডেন নিজেকে শক্তিশালী লোক বলে প্রমাণের চেষ্টা চালাচ্ছে। আসলে সে দুর্বল। সে শারীরিক ও মানসিক দুদিক থেকেই আমার চেয়ে দুর্বল।

তারপরও সে আমায় ভয় দেখাচ্ছে। এ নিয়ে দু’দুবার সে আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ভয় দেখিয়েছে। সে আসলে চেনে না আমি কেমন মানুষ। সে জানে না, সে হয়তো কেঁদেও পার পাবে না।’’
গত মঙ্গলবারের ওই র‌্যালিতে জো বাইডেন “Access Hollywood” নামের একটি ভিডিও বার্তা তুলে ধরেন। ২০০৫ সালে ওই ভিডিও টেপে নারীদের সম্পর্কে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নারীদের অনুমতি ছাড়াই আমি তাদের শরীর স্পর্শ করতে পারি। অনেকবার এমনটি করেছিও।

জো বাইডেন ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে তার ভাষণে বলেন, ‘হাইস্কুলের ছাত্র হলে আমি ট্রাম্পকে জিমনেসিয়ামের পেছনে ডেকে নিয়ে পেটাতাম।’

ট্রাম্পের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বাইডেন আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে ট্রাম্প কোনও নারীকে নিয়ে এমন আপত্তিকর মন্তব্য করলে আমি ওকে নিশ্চিত পেটাবো। যারা নারীদের অবমাননা করে তারা কুৎসিত।’

এসময় তিনি ট্রাম্পকে বিশেষ ইতর প্রাণীর সঙ্গেও তুলনা করেন। সূত্র: ইয়াহো ডটকম 

Friday, June 19, 2020

আমেরিকার সৈন্যরা যে সাতটি দেশে বেশি তৎপর (American soldiers are more active in the seven countries)

আমেরিকার সৈন্য


গত অক্টোবর মাসে আফ্রিকার দেশ নিজের-এ ওঁত পেতে থাকা হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের চার জন সৈন্য নিহত হয়। মার্কিন জনগণ এই খবরে স্তম্ভিত হয়ে পড়ে। তখন থেকেই প্রশ্ন উঠতে থাকে পশ্চিম আফ্রিকার ছোট এই দেশটিতে মার্কিন সৈন্যরা ঠিক কী করছিল?

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশ আমেরিকা। আর এই দেশটি বিশ্বের ১৮০টি দেশে ২ লাখ সামরিক কর্মচারী নিযুক্ত করেছে বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু মাত্র সাতটি দেশে মার্কিন বাহিনী প্রত্যক্ষভাবে সামরিক অভিযানের সাথে জড়িত রয়েছে জানিয়েছে দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকা।

কোন সাতটি দেশে তারা তৎপর?

১. আফগানিস্তান
আফগানিস্তানে মোতায়েন মার্কিন সৈন্য সংখ্যা ১৩,৩২৯ জন। ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক এবং ওয়াশিংটন ডিসির ওপর হামলার পর তালেবানের সাথে লড়াই করার জন্য এদের পাঠানো হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এটি হচ্ছে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অফিস থেকে কংগ্রেসের জন্য তৈরি করা এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘মার্কিন বাহিনী আফগানিস্তানে মোতায়েন থাকার প্রয়োজন এই কারণে যে সেই দেশকে নিরাপদ আশ্রয় বানিয়ে সন্ত্রাসীরা যেন আবার যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হামলা চালাতে না পারে’।
আমেরিকান সৈন্যরা আফগানিস্তানে আল-কায়েদা, তথাকথিত ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠী, তালেবান এবং তার বিভিন্ন উপগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে।

২. ইরাক
ইসলামিক স্টেটকে পরাজিত করার সামরিক সাফল্যের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে তার মূল লক্ষ্যে পরিবর্তন আনছে। লড়াই থেকে সরে এসে তারা তাদের সাফল্যকে ধরে রাখার চেষ্টা করছে। কংগ্রেসে মার্কিন সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র আইএস-এর উপগোষ্ঠীগুলোর ওপর হামলা অব্যাহত রাখবে।

এর কারণ হচ্ছে প্রাণঘাতী হামলার চালানোর ক্ষমতা এই দলগুলোর রয়েছে। এরা ইরাকের বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে বড় হুমকি।

ইরাকে লড়াইয়ের পাশাপাশি মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরাকি বাহিনী, কুর্দি পেশমার্গা বাহিনীকেও অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।

৩. সিরিয়া
যুক্তরাষ্ট্র তার অনুগত সামরিক জোটকে নিয়ে ২০১৭ সালে ইরাকে অভিযান চালিয়ে আইএস-এর কবল থেকে ৪৫ লক্ষ লোককে মুক্ত করে। এর পর থেকে আইএস ইরাক এবং সিরিয়ায় তার দখলে থাকা ৯৮% ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ হারায়।

সিরিয়ায় এখন ১৫০০ মার্কিন সৈন্য তৎপর রয়েছে। এরা সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্স, এসডিএফ-কে নানা ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করছে।

যুক্তরাষ্ট্র সরকার বলছে, এসব সাহায্যের মধ্যে রয়েছে বোমা বর্ষণ করা, স্থানীয় বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয় করা এবং অস্ত্র ও সরঞ্জাম সরবরাহ করা।

৪. ইয়েমেন 

মার্কিন বাহিনী ইয়েমেনে ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে কিছু বোমা বর্ষণ করছে। আল কায়েদা ইন দ্যা অ্যারাব পেনিনসুলা বা অ্যাকাপের বিরুদ্ধে তারা কিছু লড়াই চালিয়েছে।

মার্কিন সরকার স্বীকার করেছে যে ইয়েমেনের সাবেক প্রেসিডেন্ট আলী আব্দুল্লাহ সালেহর বিরুদ্ধে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটকে তারা সীমিত পর্যায়ে সামরিক সমর্থন দিয়েছে।

এই সাহায্যের মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা তথ্য প্রদান করা এবং জোটের বাহিনীগুলিকে সামরিক সরঞ্জাম প্রদান করা। তবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি এই লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছে না।

৫. সোমালিয়া
সোমালিয়ায় মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর সৈন্য সংখ্যা প্রায় ৩০০ জন। ঐ দেশে তাদের লক্ষ্য হচ্ছে ইসলামিক স্টেট এবং আল-কায়েদার মতো গোষ্ঠীগুলির ‘সন্ত্রাসবাদী হুমকি’ মোকাবেলা করা। এই দেশেই ১৯৯৩ সালে মার্কিন সৈন্যরা এক চরম বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছিল।

মার্কিন স্পেশাল ফোর্সেস সে সময় যুদ্ধবাজ নেতা মোহামেদ ফারাহ্ আইদিদের একজন ডান হাতকে পাকড়াও করার চেষ্টা করছিল। কিন্তু পরিকল্পনাটি ব্যর্থ হয়। অভিযানে ১৮ জন মার্কিন সৈন্য নিহত, ৭০ জন আহত এবং দুটি ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। বর্তমানে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা সোমালিয়ায় সন্ত্রাস-বিরোধী তৎপরতায় পরামর্শ দিচ্ছে।

৬. লিবিয়া
সরকারিভাবে লিবিয়ায় মার্কিন সৈন্যের সংখ্যা সীমিত। কিন্তু সৈন্য সংখ্যা কম থাকার মানে যে লিবিয়ার ভেতরে তাদের তৎপরতা কম, তা কিন্তু নয়। কংগ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন বাহিনী লিবিয়ার মরুভূমিতে লুকিয়ে থাকা ইসলামিক স্টেট-এর অনুসারী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে বিমান হামলা চালায়। তারা সেখানে ড্রোন ব্যবহারও করে থাকে।

৭. নাইজেরিয়া
নাইজেরিয়া ৫০০ মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা মোতায়েন রয়েছে। কিন্তু তাদের কথা ২০১৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ববাসীর অজানা ছিল। ঐ সময়ে ইসলামিক স্টেটের অনুগত এক বাহিনী মার্কিন সৈন্যদের ওপর চোরাগোপ্তা হামলা চালায়। এতে চার জন মার্কিন সৈন্য নিহত হয়।

সে সময় এই ঘটনা নিয়ে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছিল। নাইজেরিয়া নিহত এক সৈন্যের স্ত্রী দাবি করেন, ঐ ঘটনার পর তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছ থেকে এক বিতর্কিত শোকবার্তা পেয়েছিলেন। যাতে লেখা ছিল, ‘সে (সৈন্য) জানতো, সে কিসের মধ্যে ঢুকছে’।

ঐ ঘটনার দু’মাস পরে নাইজেরিয়ান সৈন্যদের সাথে টহল দেয়ার সময় মার্কিন সৈন্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, এইসব ঘটনার বাইরেও ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে আফ্রিকা মহাদেশে মার্কিন বাহিনী আরও ১০টি সামরিক সংঘাতে জড়িত হয়েছে।

তবে দেখা যাচ্ছে আমেরিকার এই সামরিক তৎতপরতা শুধু মুসলিম প্রধান দেশেই বিদ্যমান। বিশ্বের ভয়াবহতম নির্যাতন নিপিড়ণ চলছে মসুলমান সংখ্যা গরিষ্ট ভারতের কাশ্মির, মায়ানমারের আরাকান ও চীনের উইঘুর প্রদেশ। কিন্তু বিশ্বের মোড়ল আমেরিকা সেখানে নিরব ভুমিকা পালন করছে। 

Wednesday, June 17, 2020

৭৮ কোটি ৩০ লাখ মানুষ নিরাপদ পানির অধিকার থেকে বঞ্চিত (78 core and 30 lacs people deprived of safe water rights)

safe water


পানি নিরাপত্তা সূচকের বাংলাদেশের অবস্থান কোথায় তা জানে না পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড। টেকসই উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পানি নিরাপত্তা। অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পানির নিরাপত্তা সূচক তাই তিনটি সাব সূচকের উপর নির্ভর করে। এগুলো হলো- খাদ্য উৎপাদনে পানির নিরাপত্তা, শিল্পপণ্য উৎপাদনে পানির নিরাপত্তা এবং শক্তি উৎপাদনে পানির নিরাপত্তা। এই তিনটির মধ্যে একটিতেও নেই বাংলাদেশের নাম। অথচ খাদ্য নিরাপত্তা, জ্বালানি নিরাপত্তা ও পানি নিরাপত্তা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। 

২০২০ সালের মধ্যে সকলের জন্য সরাসরি নিরাপদ খাবার পানির সংস্থান নিশ্চিত করতে চায় বাংলাদেশ। এ জন্য গত ১৪ মার্চ জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পানিবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের প্যানেলের প্রতিবেদন হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ। আগামী ২২ মার্চ জাতিসংঘ হাই-লেবেল প্যানেল অন ওয়াটার (এইচএলপিডবিøউ) এর ফলাফল ডকুমেন্টের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য সরকার পক্ষ থেকে পানি সরবরাহের একটি সমন্বিত জাতীয় পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিন আগামী ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন। 


পানি জীবনের একটি মৌলিক উপাদন। জীবন এবং জীবিকার জন্য পানির সঠিক ব্যবহার ও টেকসই ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বরোপ করে ১৯৯৩ সাল থেকে জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর ২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস পালিত হয়ে আসছে। জাতিসংঘ প্রণীত ২০১৬-২০৩০ মেয়াদী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলোকে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে। অথচ বাংলাদেশে জাতিসংঘ প্রণীত সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে না। পানিকে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি না দিয়ে পানি সম্পদের সমন্বিত উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা, আহরণ, বিতরণ, ব্যবহার, সুরক্ষা ও সংরক্ষণ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বিধান করে ২০১৩ পানি আইন পাস করা হয়েছে।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সার্বিক পানি উন্নয়ন সূচকের অবস্থানের মধ্যে মোট ৪৯ টি দেশ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে কোনোটিই সর্বোচ্চ পানি নিরাপত্তা সূচক (৫) অর্জন করতে পারেনি। মাত্র দু’টি দেশ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মান (৪) অর্জন করতে পেরেছে। মাঝারি অবস্থানে (৩) রয়েছে ১০টি দেশ। এগুলো হলো, আর্মেনিয়া, ব্রæনাই, দারুসসালাম, হংকং, জাপান, কাজাকাস্তান, মালয়েশিয়া, রিপাবলিক অব কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, তাইপে ও তাজিকিস্তান। নিরাপত্তা সূচক ২ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ২৯ টি দেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ মোট ১০ টি দেশ ন্যূনতম ১ নিরাপত্তা সূচক অর্জন করেছে।


জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সারা বিশ্বের ৭৮৩ মিলিয়ন অর্থাৎ ৭৮ কোটি ৩০ লাখ মানুষ নিরাপদ বা পানযোগ্য পানির অধিকার থেকে বঞ্চিত। ২৫ লাখ মানুষ এখনো ন্যূনতম স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সুবিধা বঞ্চিত। ২০৪০ সাল নাগাদ প্রায় ৬০ কোটি শিশুর বসবাসের এলাকায় পানির তীব্র সঙ্কট দেখা দিবে। এতে করে জীবনধারণ ও সুস্থতা হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে ইউনিসেফের প্রতিবেদনে। পৃথিবীতে মোট শ্রমশক্তির প্রায় অর্ধেক জনশক্তিই পানি সংক্রান্ত  এবং পানিকে ঘিরে জীবিকা নির্বাহের কাজে নিয়োজিত রয়েছে।

সারা বিশ্বে বিভিন্ন কর্মে নিয়োজিত সে সংখ্যা প্রায় দেড় বিলিয়ন। পৃথিবীপৃষ্ঠের চার ভাগের তিন ভাগই পানি। শতকরা হিসাবে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৭১ দশমিক ৪ শতাংশ। এত পানি থাকার পরও চারদিকে শুধু পানির অভাব। আর সেই অভাবটি হলো বিশুদ্ধ পানির। কারণ ৭১ দশমিক ৪ শতাংশ পানির মধ্যে ৯৭ শতাংশ পানিই লবণাক্ত পানি, ২ শতাংশ বরফ এবং বাকি মাত্র ১ শতাংশ বিশুদ্ধ পানি। পানির রাসায়নিক গুণাবলির মধ্যে রয়েছে, এর কোনো অ¤øত্ব কিংবা ক্ষারকত্ব নেই। অর্থাৎ পানির পিএইচ মান হলো সাত (৭)। মহাবিশ্বে এখন পর্যন্ত পৃথিবীই একমাত্র গ্রহ যেখানে পানি রয়েছে। পানি আইনের প্রথমেই বলা হয়েছে, পানিসম্পদের সমন্বিত উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা, আহরণ, বিতরণ, ব্যবহার, সুরক্ষা ও সংরক্ষণের লক্ষ্যে বিধান প্রণয়ন করা। যা এখনো করা হয়নি।


জানা গেছে, গত ১৪ মার্চ জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পানিবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের প্যানেলের প্রতিবেদন হস্তান্তর করা হয়। প্রতিবেদন বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ নেতৃবৃন্দের পক্ষে যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করা হল তা সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের এসডিজি বাস্তবায়ন এবং সকলের জন্য ‘পানি-নিরাপদ’ পৃথিবী গড়ার ক্ষেত্রে পানিসংক্রান্ত অর্থবহ পদক্ষেপ গ্রহণে পথ দেখাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বে বাংলাদেশ সকলের জন্য নিরাপদ খাবার পানি ও নিরাপদ পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বৈশ্বিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। ১৬০ মিলিয়নেরও অধিক মানুষের বাংলাদেশে প্রায় প্রতিটি মানুষের জন্যই নিরাপদ খাবার পানির সংস্থান করা হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে সকলের জন্য সরাসরি নিরাপদ খাবার পানির সংস্থান নিশ্চিত হবে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান ইনকিলাবকে বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য পানির গুরুত্বপূর্ণ পানি। আমরা পানির নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করছি। আগামী ২০২০ সালের মধ্যে সকলের জন্য সরাসরি নিরাপদ খাবার পানির সংস্থান নিশ্চিত করবে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোঃ নজিবুর রহমান ইনকিলাবকে বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা, জ্বালানি নিরাপত্তা ও পানি নিরাপত্তা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।


তিনি বলেন, পানি বিদ্যুতে হাই লেভেল প্যানেলের ফলাফল ডকুমেন্টের সুপারিশের ভিত্তিতে, একটি সমন্বিত (জাতীয়) পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে- যা পানির জন্য তৈরি করা হবে। সেটা হবে বাংলাদেশের জন্য উপযোগী। পানি বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. আইনুন নিশাত বলেন, নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সারা দেশ জুড়ে খালখনন এবং পুনরায় খনন করতে হবে। 
জানা গেছে, ২০১৬ থেকে মার্চ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দুই বছর মেয়াদি প্রতিষ্ঠিত, এইচএলপিউএ›র দুই সহ-সভাপতি মরিশাস অ্যামিনহর প্রেসিডেন্ট গিরিব-ফকিম এবং মেক্সিকো এনরিক পেন ন্যাটোর প্রেসিডেন্ট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্যানেলের সদস্য ছিলেন, অন্য প্যানেল সদস্য হলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল, হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট জনস অ্যাডার, জর্ডানের প্রধানমন্ত্রী হানি আল মুলকি, নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী রোকস রকেট, পেরুর প্রেসিডেন্ট পাবলো কুইজিনস্কি গর্ডার্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমা,সেনেগালের প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সল, তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইমমালি রাহমোন এবং কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডাঃ হান সেং- সো।


জাতিসংঘের পরিবেশ উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলন (ইউএনসিইডি)-এর ১৯৯২ সালের মিটিংয়ে বিশ্ব পরিবেশে পানির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে তার পরের বছর অর্থাৎ ১৯৯৩ সাল থেকে সর্বপ্রথম বিশ্ব পানি দিবস পালন করে আসছে।
পানিসঙ্কটের মানচিত্রে ভবিষ্যতের ৬০ কোটি শিশু।


জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আগামী দুই দশকে সুপেয় পানি সঙ্কট এতোটাই প্রকট হয়ে উঠবে। ২০৪০ সাল নাগাদ প্রতি চারজন শিশুর একজনকে সঙ্কট পড়তে হবে। বিশ্বের ৩৬টি দেশে পানির তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এসব দেশে পানির চাহিদার তুলনায় সরবরাহের পরিমাণ খুবই কম। উষ্ণ আবহাওয়া, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বন্যা, খরা এবং বরফ গলে যওয়ার মত ঘটনায় সুপেয় পানির প্রাপ্যতা, মান ও পয়ঃনিস্কাশনে প্রভাব। 

জনসংখ্যা বৃদ্ধি, পানির নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবহার এবং শিল্পায়ন ও নগরায়নের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রæত নেমে যাওয়ার কারণ বলে মনে করে বিশেষজ্ঞরা। ইউনিসেফ প্রতিবেদনে বলা হয়, সুপেয় পানির উৎস এখনো বিশ্বের ৬৬ কোটি ৩০ লাখ মানুষের নাগালের বাইরে। খোলা আকাশের নিচে মলত্যাগ করে এখনো প্রায় ৯৪ কোটি ৬০ লাখ মানুষ। সুপেয় পানি সংগ্রহে বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন ২০ কোটি ঘণ্টার বেশি সময় ব্যয় করতে হচ্ছে নারী ও কন্যাশিশুদের। পানির ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকার গুলোর কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়ার তাগিদ দেওয়ার পাশাপাশি সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি করেছে তারা।

Sunday, June 14, 2020

বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র 5 টি দেশ (the most poorest 5 countries of the world)

the most poorest 5 countries of the world


সোশ্যাল মিডিয়ায় অনাহারে কষ্ট পাচ্ছে এমন শিশুর ছবি পোস্ট করে মানুষকে অনেক কিছু জানানোর চেষ্টা করেন অনেকেই। তাতে কমেন্ট বা শেয়ার করে জনস্বার্থে প্রচার করারও অনুরোধ জানান। কিন্তু অনেকেই জানেন না এই বিশ্বে কটা দেশ, সবচেয়ে গরিবতম দেশগুলির তালিকায় সবচেয়ে শীর্ষে রয়েছে।

একটি দেশ ধনী না গরিব তা নির্ণয় করার জন্য সর্বোত্তম দুইটি উপায় বিবেচনা করা হয়। একটি হল সেদেশের সম্পদ এবং আরেকটি হল সে দেশের জনসংখ্যা। একটি দেশে যখন যথাযথভাবে এই দুইটি উপাদান বিদ্যমান থাকে তখন সে দেশের অর্থনৈতিক দিক উন্নয়নের বিশেষ সুযোগ থাকে।

আফ্রিকা মহাদেশে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে গরীব রাষ্ট্রগুলো। আজ তাদের মধ্যে এমন ৫টি দেশের সাথে পরিচয় করাবো যারা খুব মানবেতর জীবন যাপন করছে। যারা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক গরিব। এমনকি না খেয়েও দৈনিক অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে।

জেনে রাখুন পৃথিবীর ৫ গরিব রাষ্ট্র কোনগুলো।ঃ

কঙ্গো: দুনিয়ার সবচেয়ে দরিদ্রতম দেশ। দেশের প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ শুধুমাত্র অনাহারে মারা যান। ৪০ শতাংশ মানুষ আধপেটা খেয়ে বাঁচেন। দারিদ্রতার মাপকাঠি এই দেশ সবার প্রথমে। গৃহযুদ্ধের পর দেশের অর্থনীতি একেবারে জরাজীর্ণ হাল। ভ্রুক্ষেপ নেই সরকার ও প্রশাসনেরও।

দেশে কর্মসংস্থানের কোনও বালাই নেই। মধ্য আফ্রিকার এই দেশে রাস্তায় রাস্তায় মানুষ খিদের জ্বালায় ছোটাছুটি করে। জিডিপি পার ক্যাপিটা ৩৪৮ মার্কিন ডলার।

লাইবেরিয়া: পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে অর্থনীতি একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। যেটুকু ছিল তা ইবোলা হানার পর নি:শেষ হয়ে গিয়েছে। একজন লাইবেরিয়ান সদ্যোজাত ৩৫০০ মার্কিন ডলার ঋণ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। জিডিপি পার ক্যাপিটা ৪৫৬ মার্কিন ডলার।

জিম্বাবুয়ে: একেবারে দেউলিয়া দেশ। রাষ্ট্রনেতা রবার্ট মুগাবের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ, ক্ষোভ-বিক্ষোভ রয়েছে। সম্পদে পরিপূর্ণ দেশ হলেও জিম্বাবুয়ে দেউলিয়া দেশে পরিণত হয়েছে। অর্থনীতির হাল এতটাই খারাপ যে ১ মার্কিন ডলারের মূল্য জিম্বাবোয়েতে দাঁড়িয়েছে ৩৬২ টাকা। জিডিপি পার ক্যাপিটা ৪৮৭ মার্কিন ডলার।

বুরুন্ডি: পূর্ব আফ্রিকার এই দেশের অর্থনীতি একেবারে বেহাল দশা। জিডিপি পার ক্যাপিটা ৬১৫ মার্কিন ডলার।

এরিত্রেয়া: গৃহযুদ্ধের পর বেহাল দশা এই দেশে। প্রশাসনিক গাফলতির কারণে আফ্রিকার এই দেশ বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র দেশের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে। জিডিপি পার ক্যাপিটা মার্কিন ৭৩৫ ডলার।

Wednesday, June 10, 2020

মানবতার নায়ক (Changemakers)

changemakers hero


আজকে যাদের কথা আপনাদের শোনাবো তাদের মধ্যে এক জন্য হচ্ছে সোমালিয়ার মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী, ভারতের দ্রুত সারাদান কারী সাহায্য কর্মী এবং যুক্তরাজ্যের একজন ঘরোয়া কর্মী।উপরের সবাই কর্ম দ্বারা নিজেদেরকে অনন্য উচ্চতায় নীয়ে গিয়েছন।

সোমালিয়ার মানসিক স্বাস্থ্যকর্মীঃ

কয়েক দশক গৃহযুদ্ধের পর, সোমালিয়ার জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা নীয়ে বেঁচে আছে। বেয়ার-বোন ক্লিনিকে কর্মরত ডাঃ আব্দুলরহমান আলী আওয়াল উপলব্দি করেন দেশের অধিকাংশ জনগনই মানুসিক অসুস্থতা ভুগছেন। মাত্র তিন মাসের টেনিং নিয়েই তিনি ঝাপিয়ে পরেন তাদের সেবা দানের জন্য।

"সোমালিয়া মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি খুবই গুরুতর" আওয়াল বলছেন।মানসিক অসুস্থতা একটি স্বাভাবিক রোগ।মানসিক অসুস্থতা নিরাময় করা যায়।এই বার্তা নিয়েই কাজ করে চলেছেন।


ভারতের অ্যাম্বুলেন্স দাদাঃ

যখন করিমুল হকের মা মারা যান তখন তিনি হাসপাতালে যেতে পারতেন না যানবাহনের অভাবে। সেদিনই  সে শপথ করেন যে ভারতের ডালাবারি গ্রামের আর কাউকে এভাবে একই ভাগ্য বরণ করতে দিবেন না।গত 15 বছর ধরে, তিনি তার মোটরসাইকেলকে অ্যাম্বুলেন্স হিসাবে ব্যবহার করছেন এবং 4,000 এরও বেশি জীবন রক্ষা করেছেন। মানুষ তাকে 'অ্যাম্বুলেন্স দাদা' [ভাই] বলে।

হক বলেন, "আমি নিজেকে বলেছিলাম যে আমার মা মারা গেছেন, কিন্তু অন্য মানুষকে তার মতো মরতে হবে না"।যার যখন প্রয়োজন পরে আমি তখনিই তাকে দ্রুত বিনামুল্যে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নীয়ে যাই। আমার মত কেউ যেন মাকে চিকিৎসা বিহিন মারা যাবার অনুশোচনায় না ভুগেন।

উদ্ধার অভিযান এর মধ্যমনিঃ

যুক্তরাজ্যে,কিছু নিয়োগকর্তা অভিবাসী গ্রহ কর্মীদের কাজে লাগান শোষন এবং যৌন অপব্যবহার করেন, এবং অনেক শ্রমিক সামান্য কারনে চাকুরী থেকে অব্যহতি প্রাপ্ত হয় কারণ তাদের ভিসা তাদের নিয়োগকর্তাদের সাথে সংযুক্ত করা হয়।মারিসা বেগনিয়া, যিনি ফিলিপাইন থেকে ইউকে এসেছিলেন, আইন পরিবর্তন করতে লড়াই করে এবং তাদের বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে সাহায্যের জন্য কয়েকটি বিকল্প আছে এমন কর্মীদের সাহায্য করে।

"আমি ফিলিপাইন্স থেকে এসেছি এবং বিদেশে কাজ করতে কল্পনাও করতে পারি নি যে এমন এমন একটি পরিস্থিতি পরবেন যাতে আপনি ঘরোয়া কাজ বা পতিতাবৃত্তি করতে বাধ্য।"বেগনিয়া আরো বলেন আমরা এই অবস্থা থেকে মুক্তি চাই এবং এ লক্ষ্যেই কাজ করছি।

স্যালুট জানাই উপরের তিন জন সমাজ সংস্কারককে যারা দুনিয়াকে পালটে দিতে নিরলস ভাবে কাজ করে চলছে।

Tuesday, June 9, 2020

অস্ত্র কেনায় শীর্ষে যেসব দেশ (The top country for buy weapons )

fighter jet

মধ্যপ্রাচ্যে গত পাঁচ বছরে অস্ত্র আমদানি দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে বলে জানিয়েছে সুইডেনভিত্তিক সংস্থা ‘স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউট' বা সিপ্রি৷ সৌদি আরবে অস্ত্র আমদানি ২২৫ শতাংশ বেড়েছে বলে জানায় সংস্থাটি৷

সিপ্রির প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরব ২০১৩-২০১৭ মেয়াদে ২০০৮-২০১২ সময়কালের তুলনায় ২২৫ শতাংশ বেশি অস্ত্র কিনেছে৷ গত কয়েক বছর ধরে ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে দেশটি৷

সিপ্রির গবেষণা বলছে, সৌদি আরব বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক৷ গত সপ্তাহে দেশটি ব্রিটেন থেকে ৪৮টি অত্যাধুনিক ফাইটার জেট কেনার চুক্তি করেছে৷ মানবাধিকার কর্মীদের অভিযোগ, পশ্চিমা বিশ্বের কাছে থেকে কেনা অস্ত্র দিয়ে সৌদি আরব ইয়েমেনে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে৷ এদিকে, চলতি বছরের শুরুতে জার্মান সরকার জানিয়েছে, তারা ইয়েমেন যুদ্ধে লিপ্ত কারও কাছে অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেবে না৷ উল্লেখ্য, জার্মানি বিশ্বের চতুর্থ অস্ত্র বিক্রেতা৷ গত পাঁচ বছরে জার্মানির অস্ত্র বিক্রি আগের পাঁচ বছরের তুলনায় ১৪ শতাংশ কমলেও মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে ১০৯ শতাংশ৷

অন্যদিকে, অস্ত্রবিক্রেতা হিসেবে এখনও শীর্ষে আছে যুক্তরাষ্ট্র৷ গত পাঁচ বছরে তাদের অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ৷ এই পাঁচ বছরে সারা বিশ্বে বিক্রি হওয়া মোট অস্ত্রের এক-তৃতীয়াংশই করেছে যুক্তরাষ্ট্র৷ এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মোট অস্ত্র বিক্রির অর্ধেকই গেছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে৷ সিপ্রির কর্মকর্তা অডে ফ্লরান্ট বলছেন, ‘‘ওবামা প্রশাসনের সময় স্বাক্ষরিত হওয়া চুক্তির আওতায় ২০১৩-১৭ মেয়াদে যে পরিমাণ অস্ত্র বিক্রি করা হয়েছে তা নব্বই দশকের শেষে যত অস্ত্র বিক্রি করা হয়েছিল, তার তুলনায় বেশি৷

‘‘এ সব চুক্তি এবং ২০১৭ সালে আরও যত চুক্তি সই হয়েছে তাতে ধরে নেয়া যায়, আগামী কয়েক বছরেও যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র বিক্রির তালিকায় শীর্ষে থাকবে,'' বলেন সিপ্রির ঐ কর্মকর্তা৷


শীর্ষ অস্ত্র ক্রেতা দেশের তালিকাঃ
৫। আরব আমিরাত
৪। মিশর
৩। অস্ট্রেলিয়া
২। সৌদি আরব
১। ভারত।

Sunday, June 7, 2020

রাশিয়ান ৬০ কূটনীতিককে বহিষ্কার করলেন ট্রাম্প(Trump to expel Russian 60 diplomats)


american president

ওয়াশিংটন ও নিউইয়র্ক থেকে ৬০ জন রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করার নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিয়াটলে রুশ দূতাবাস বন্ধেরও নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প।
সোমবার (২৬ মার্চ) হোয়াইট হাউস এ ঘোষণা দিয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি ও সিএনএ।

এর আগে জার্মানিও ঘোষণা করেছে যে তারা চার জন রুশ কূটনীতিকে বহিষ্কার করছে। এছাড়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নের আরও কয়েকটি দেশ ১০ জন রুশ কূটনীতিককে বের করে দেওয়ার কথা জানিয়েছে।

তিন সপ্তাহ আগে ব্রিটেনে একজন সাবেক রুশ ডাবল এজেন্ট সেরগেই স্ক্রিপাল এবং তার মেয়ের ওপর নার্ভ এজেন্ট দিয়ে যে আক্রমণ হয় – তার প্রতিক্রিয়াতেই পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষ থেকে সমন্বিতভাবে এসব ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনে রুশ দূতাবাসে কর্মরত ৪৮ জন কূটনীতিক এবং নিউইয়র্কের জাতিসংঘের সদর দপ্তরে রাশিয়ান মিশনে কর্মরত ১২ গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এসব কূটনীতকদের আগামী সাত দিনের মধ্যে স্ত্রী-সন্তানসহ যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করতে হবে।

৪ মার্চ যুক্তরাজ্যের সলসব্যারি শহরের একটি বিপণিকেন্দ্রের বাইরে সের্গেই স্ক্রিপাল (৬৬) ও তার মেয়ে ইউলিয়া স্ক্রিপালকে (৩৩) অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জানা যায়, তাদের ওপর নার্ভ এজেন্ট (বিষাক্ত রাসায়নিক গ্যাস) প্রয়োগ করা হয়েছিল। সের্গেই স্ক্রিপাল একজন সাবেক রুশ গোয়েন্দা।

তিনি যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা এমআই ৬-এর কাছে রাশিয়ার গোপন কিছু তথ্য বিক্রি করেছিলেন। বিশ্বাসঘাতকতার অপরাধে ২০০৬ সালে তাকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন রাশিয়ার আদালত। ২০১০ সালে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্দী গুপ্তচর বিনিময়ের অংশ হিসেবে ছাড়া পান সের্গেই স্ক্রিপাল। যুক্তরাজ্যে তিনি আশ্রয় নেন।

ব্রিটিশ সরকার দাবি করছে, রাশিয়ায় তৈরি নার্ভ গ্যাস- নোভিচক দিয়ে স্ক্রিপালের ওপর হামলা করা হয়েছে। লন্ডন সরাসরি এ ঘটনার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেছে।

রাশিয়া এ অভিযোগকে ‘হাস্যকর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। মস্কো বলছে, ব্রিটেনসহ যেসব দেশ এই গ্যাস নিয়ে গবেষণা করছে সেগুলোর কোনো একটি দেশ থেকে এনে ওই হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে।

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ৩৫ রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করে। ওই বছরের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মার্কিন প্রশাসন।