This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Friday, July 3, 2020

যৌবন ধরে রাখার সিক্রেট টিপস (Youth Retention Secret Tips)

youth retention

যৌবন ধরে রাখার জন্য আমরা সবাই চেষ্টা করি। কিন্তু বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চেহারায় আসা পরিবর্তনগুলোকে আটকানো তো মুখের কথা নয়। তার জন্য প্রয়োজন নিয়ম মেনে কিছু রুটিন ফলো করা। তাহলে ৪০-এ আপনাকে হয়তো কুড়ির মতো লাগবে না, তবে অকালে বুড়িয়ে যাওয়াও আপনাকে গ্রাস করতে পারবে না।

১। যৌবন ধরে রাখার মূল মন্ত্রই হল সুস্থ, নির্মেদ শরীর৷ আর এর জন্য হাঁটার কোনও বিকল্প নেই। প্রতিদিন অন্তত আধঘণ্টা করে হাঁটুন। মোবাইলে গান শুনতে শুনতে হাঁটা নয়, ঘড়ি ধরে একেবারে ব্রিস্ক ওয়াকিং। ফলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে, হার্ট ভালো থাকবে৷ নিয়ন্ত্রণে থাকবে হার্টের রোগ, ডায়াবেটিজ, কোলেস্টেরল, প্রেশারের মতো সমস্যা৷ ফলে আপনাকেও লাগবে ঝরঝরে।

২। প্রতিদিনের ডায়েটে অন্তত একটা করে মরসুমী ফল রাখুন৷ তবে রোজ যদি আম, কলা, আনারস, কাঁঠাল খেতে থাকেন, তাহলে ওজন বেড়ে আপনাকে বয়সের থেকে আরও দশবছর বেশি বয়স্ক লাগবে৷ তাছাড়া ফল পুষ্টিগুণেও ভরপুর। ফলে থাকা ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরে পুষ্টি যোগায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আর আপনাকে রাখে তরতাজা।

৩। দৈনন্দিন ডায়েট থেকে সবুজ শাকসব্জি বাদ দিলে কিন্তু চলবে না৷সবজি খেলে মানসিক উন্নতিসহ শারীরিক উন্নতিও হয়। মানুষ আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।মোটের উপর সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

৪। ওজন কমাতে গিয়ে বা স্রেফ ইচ্ছে করছে না বলে ব্রেকফাস্ট কখনওই বাদ দেবেন না৷তাহলে কিন্তু শরীরের মেটাবলিজম সিস্টেমের গোলমাল হয়ে বেশি করে খিদে পেতে থাকে৷ আর বারে বারে খেতে খেতে আখেড়ে আমরা নিজের ক্ষতিই ডেকে আনি।

৫। যৌবন ধরে রাখতে হলে মিষ্টি জাতীয় খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। চকোলেট, পেস্ট্রি, ব্রাউনি, আইসক্রেমর মতো খাবারে প্রচুর কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট থাকে যা শরীরে ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল বাড়ায়। তাই এগুলি যতটা সম্ভব কম খান৷ তা বলে ডায়েট থেকে চিনি পুরোপুরি ছেঁটে ফেলবেন না। অল্প হলেও নিয়মিত খান৷ তাহলে শরীরের এনার্জি লেভেল ঠিক থাকবে। শরীর-মন জুড়ে স্বতস্ফূর্ততার অনুভূতি থাকবে।চেষ্টা করুন প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমোতে৷ সঙ্গে হাল্কা ব্যায়ামের অভ্যেস রাখতে পারলে উপকৃত হবেন আপনিই।

Thursday, July 2, 2020

তারণ্যের স্বপ্ন পুরনের হাতছানি কুনমিং বিশ্ববিদ্যালয় (Kunming University of Chaina)


kunming university of chaina

দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের কুনমিং নগরীর কাছে প্রাকৃতিক পরিবেশ ঘেরা অবস্থানে ১৯২৩ সালে কুনমিং বিশ্ববিদ্যালয় (Kunming University) প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি এ অঞ্চলের প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিদেশী শিক্ষার্থীদেরও এখন এই বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে। এসব বিদেশী শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার। কুনমিং থেকে বাংলাদেশের দূরত্ব কম। মাত্র দুই ঘণ্টায় ঢাকা থেকে কুনমিংয়ে যাওয়া যায়। কুনমিং ইউনান প্রদেশের রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘তারা এখানে মানসম্পন্ন শিক্ষা পাচ্ছেন এবং এখানে টিউশন ফি, থাকার খরচ ও আনুষঙ্গিক খরচ নিজ নিজ দেশের তুলনায় কম।’ ঢাকা থেকে যাওয়া এক ছাত্র বলেন, ‘এখানে শিক্ষার্থীদের পাঠকক্ষে উপস্থিতি নীতি কঠোরভাবে মানা হয়। ইংরেজী ভাষায় পড়ালেখার সুযোগ আছে বলে অনেক বাংলাদেশী শিক্ষার্থী এখানে পড়ালেখা করতে পারবে।’

যে বিষয়গুলোতে ভর্তি হওয়া যাবে?

ইঞ্জিনিয়ারিং
কম্পিউটার সাইন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

বিবিএম

হোটেল ম্যানেজমেন্ট

যে সকল সুবিধাদি পাওয়া যাবে:
৪ বছরের কোর্স এ কোন Tuition Fees দিতে হবে না। পুরোটাই Scholarship
হোস্টেল সুবিধা।
পড়াশুনা শেষ এ চাকুরীর সুযোগ ।
ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশুনা করার সুযোগ।
বাংলাদেশীদের জন্য ১০০% পর্যন্ত শিক্ষা বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ।
পড়াশুনার পাশাপাশি ব্যবসা করার সুযোগ।

আবেদনের যোগ্যতা:
SSC & HSC পাস থাকলেই ভর্তি হতে পারবেন।
Minimum GPA SSC & HSC দুটো মিলে (4+4= 8) থাকলে Scholarship পাবেন।
কোন বিষয়ে B গ্রেড নিচে থাকা যাবে না।
শুধু ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫, ২০১৬ সালে HSC পাস করেছে, তারাই Apply করতে পারবে।


খরচ কেমন হতে পারে?
হোস্টেল ফি এবং অন্যান্য খরচ সহ প্রতি বছর বাংলাদেশী ১ লক্ষ টাকা খরচ যা বাংলাদেশে থাকা খাওয়ার থেকেও কম।

Tuesday, June 30, 2020

আলুর দোপিঁয়াজা (Potato dopi yoja)

আলুর দোপিঁয়াজা রান্না


উপকরণ

আলু ৫০০গ্রাম। পেঁয়াজ ৩০০ গ্রাম। তেল ৩ টেবিল-চামচ। হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ। মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ। গরম মসলাগুঁড়া আধা চা-চামচ। হিং এক চিমটি। আদাবাটা বা গুঁড়া আধা চা-চামচ। রসুনবাটা বা কাটা আধা চা-চামচ। ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ। লবণ স্বাদ মতো। আমচুর অথবা লেবুর রস আধা চা-চামচ। টমেটো মাঝারি ১টি। পেঁয়াজপাতা নিজের পছন্দ মতো। চিনি আধা চা-চামচ।

পদ্ধতি

প্রথমে আলু ভালোভাবে ছিলে কিউব করে কেটে ধুয়ে নিন। পেঁয়াজ কিউব করে কেটে প্যানে তেল দিয়ে বাদামি করে ভেজে আলু দিন। টমেটো, পেঁয়াজপাতা, আমচুর অথবা লেবুর রস এবং চিনি বাদে সব মসলা দিয়ে আর অল্প পানি দিয়ে ঢেকে দিন। অল্প আঁচে ছয় মিনিট রান্না করুন।
আলু গলে আসলে টমেটো, পেঁয়াজপাতা, আমচুর অথবা লেবুর রস এবং চিনি দিয়ে মিনিট দুএক নেড়ে নামিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন।
সাদাভাত, লুচি, রুটি এবং পরোটা দিয়ে খেতে দারুন।

জ্যাকলিনের হয়ে সাফাই গাইলেন সালমান (Salman Khan saves for Jacqulin)

jaqulin


'বাঘি ২' ছবিতে একটি 'আইটেম গান' হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে মাধুরী দীক্ষিত অভিনীত 'তেজাব' ছবির সেই বিখ্যাত ও প্রবাদতুল্য গান 'এক দো তিন'। তবে, এ ব্যাপারে একদম খুশি নন মূল ছবির অনেকেই, বিশেষ করে পরিচালক এন চন্দ্র। 'এক দো তিন'-এর নতুন এই 'জ্যাকলিন ফানার্ন্দেজ ভার্সন'কে সম্পূর্ণ 'অনুভূতিহীন' বলে আখ্যা দিলেন এই দুঁদে পরিচালক।


তবে, এমন পরিস্থিতিতে জ্যাকলিনের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন তাঁর 'রেস ৩' কো-স্টার বলিউড 'ভাইজান' সালমান খান। গানটির কিছু অংশ নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে প্রকাশ করে সালমান লেখেন, গানটি ভালো লেগেছে। যদিও মাধুরীর সাথে মেলানো সম্ভব নয়, তবুও গানটিতে কোরিওগ্রাফার সরোজ খানের লিজেন্ডারি মুভমেন্টের প্রতি যথেষ্ট সুবিচার করার চেষ্টা করেছেন জ্যাকলিন।
  
যদিও এ কথা মানতে একেবারেই নারাজ 'তেজাব' পরিচালক এন চন্দ্র। এ-প্রসঙ্গে উষ্মা প্রকাশ করে তিনি বলেন, কাজটি আমার ঠিক মনে হয়নি। এটিকে আমি 'ক্রিয়েটিভ ভ্যানডালিজম' বলতে চাই। এবং আমি চাই এ বিষয়ে একটি কঠিন আইন থাকুক। 


বার্তা সংস্থা আইএএনএস-এর সাথে কথা বলতে গিয়ে এন চন্দ্র বলেন, তাঁরা 'এক দো তিন'-এর এ হাল করবেন তা আমি ভাবতেও পারিনি। মাধুরীর জায়গায় আমি জ্যাকলিনকে ভাবতেও পারি না। এটা অসম্ভব। এটা অনেকটা সেন্ট্রাল পার্ককে  বোটানিক্যাল গার্ডেনে পরিণত করার মতো বিষয়। মাধুরীর সেই নাচে ছিল মাধুর্য আর সরলতায় পূর্ণ- ওটা আপনি এখন কোথায় পাবেন!


তবে, এ-প্রসঙ্গে মুখ খুলতে একেবারেই নারাজ সেলিব্রিটি নারী কোরিওগ্রাফার সরোজ খান। তবে, একটি তথ্য জানিয়ে দিই, মাধুরীর মূল গানে যাঁরা তাঁর সাথে নেচেছিলেন, তাঁদেরই একজন গণেশ আচার্য। তিনিই 'এক দো তিন'-এর জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ ভার্সন-এর কোরিওগ্রাফ করেছেন।


আগামী ৩০ মার্চ মুক্তি পাবে 'বাঘি ২'। তার আগে আসুন আমরা 'এক দো তিন'-এর ১ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডের রিডাক্সটা দেখে নিই।


সূত্র : এনডিটিভি

Saturday, June 27, 2020

পাকিস্তানে সামরিক ঘাঁটি খুলছে চীন, কৌশলগত চাপে ভারত (China opens military bases in Pakistan, India under strategic pressure)

china army


সম্প্রতি এক রিপোর্টে জানা গেছে, ইতিমধ্যে ইসলামাবাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনাও শুরু করে দিয়েছে বেইজিং। ভারতের ওপর কৌশলগত চাপ বাড়াতে চীন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে ইরানের চবাহার বন্দরের অদূরে জিয়ানিতে চীন সামরিক ঘাঁটি করবে। তাৎপর্য পূর্ণভাবে চবাহার বন্দর পুননির্মাণে ইরানকে সাহায্য করছে ভারত।এমনকি ইরানের চাবাহার থেকে আফগানিস্তানের হাজিগক পর্যন্ত যে করিডর নির্মাণের কাজ চলছে তার প্রধান বিনিযোগকারী দেশ ভারত। এই করিডর নির্মাণের কাজ শেষ হলে আফগানিস্তান হয়ে ইরান পর্যন্ত ভারতীয় পণ্য রপ্তানি আরও মসৃণভাবে করা যাবে।

তাছাড়া ভৌগলিকগত দিক থেকেও এই এলাকার গুরুত্ব অনেক। একদিকে রয়েছে গালফ অফ ওমান সীমান্ত অন্যদিকে আছে বালোচিস্তান প্রদেশ।ফলে জিয়ানিতে সামরিক ঘাঁটি হলে গোটা চত্বরে নজরদারি চালাতে পারবে চীন। একই সঙ্গে চবাহার থেকে হাজিগক পর্যন্ত করিডরও চীনের নজরদারির আওতায় চলে আসবে।

এ ব্যাপারে এক দক্ষিণ এশীয় বিশেষজ্ঞের মতে, ‘বেজিং এবং ইসলামাবাদ উভয়েরই যৌথভাবে পাকিস্তানের মাটিতে নৌ এবং বিমানসেনা ঘাঁটি তৈরি করার ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে এমন কোনো পদক্ষেপের প্রয়োজন নেই।’

উল্লেখ্য, দেশের বাইরে এর আগে আফ্রিকার জিবুতিতে নৌসেনাঘাঁটি খুলেছে চীন।

যেভাবে ভূমিকম্প প্রতিরোধ করবে বোতলের তৈরি বাড়ি (How to prevent earthquake bottles made home)


funny house


কি অবাক হচ্ছেন তাইনা ? ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের নাম শুনলেই আমরা চিন্তায় পড়ে যাই। কারণ বিপুল পরিমাণ প্রাণঘাতী দুর্যোগের নাম ভূমিকম্প। কোনো রকম পূর্বাভাস জানার উপায় নেই। হঠাৎ ঘটে যায় এ দুর্যোগ। ধ্বংস হয় জনপথ। প্রাণ হারায় মানুষ।

ভূমিকম্প প্রতিরোধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি গ্রহণ করে থাকে।তবে এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই নাইজেরিয়া।তাই ভূমিকম্প প্রতিরোধে বোতলের বাড়ি বানাচ্ছেন তারা।
এই বোতলের বাড়িতে তেমন খরচ নেই বললে চলে। এছাড়া প্লাস্টিক দূষণ ঠেকাতে, বেকারত্ব দূর ও ভূমিকম্প প্রতিরোধে নতুন এক প্রকল্প হাতে নিয়েছে নাইজেরিয়া৷
জার্মান উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে সাত বছর আগে নাইজেরিয়ার কিছু নির্মাণশ্রমিককে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিল। তাদের অনেকেই এখন পরিণত হয়েছেন দক্ষ প্রশিক্ষকে৷ এখন বোতল বাড়ি নির্মাণকাজে আগ্রহীদের সংখ্যাও বেড়ে চলেছে৷
আসুন দেখে নেয়া যাক বোতল দিয়ে কীভাবে ভূমিকম্প প্রতিরোধে বাড়ি তৈরি করে নাইজেরিয়ার অধিবাসীরা।

নাইজেরিয়ার বোতল বাড়িঃ
প্লাস্টিক দূষণ ঠেকাতে ও বেকারত্ব দূর করতে নতুন এক প্রকল্প হাতে নিয়েছে নাইজেরিয়া৷ প্রকল্পের আওতায় প্লাস্টিক বোতল এবং বালি দিয়ে বানানো হচ্ছে বাসাবাড়ি৷ এই বাড়িগুলো পরিবেশসম্মত এবং দীর্ঘস্থায়ী৷

প্রশিক্ষণ, দক্ষতাঃ
ইটের বাড়ি বানানোর প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন সিইবা৷ কিন্তু গত সাত বছর ধরে তিনি ইটের বদলে বাড়ি বানাচ্ছেন বোতল দিয়ে৷

ভিন্ন ধরনের রিসাইক্লিংঃ
প্রায় ১৯ কোটি মানুষের দেশটিতে প্লাস্টিক একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে৷ প্লাস্টিক বোতল মাঝেমধ্যেই দেশটির শহরগুলোর পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায় বাধা সৃষ্টি করে৷ বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও বাজে রূপ নেয়৷ বছরে উৎপাদিত ৩ দশমিক ২ টন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দেশটিতে নেই তেমন কার্যকর ব্যবস্থা৷ ফলে রিসাইক্লিং যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দিয়েছে৷
প্রকল্পের উদ্যোক্তাঃ

নির্মাণ প্রকৌশলী ইয়াহিয়া আহমেদ জার্মানিতে ২৭ বছর ধরে বাস করেছেন, চাকরিও করেছেন৷ নিজের দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশদূষণ নিয়ে তিনি বেশ চিন্তিত৷ দক্ষিণ অ্যামেরিকায় বানানো এ ধরনের কিছু বাড়ি থেকেই এই ধারণা পান আহমেদ৷ তিনি বলেন, জার্মানিতে এক বন্ধু আমাকে এ বুদ্ধি দেয়৷ ভাবলাম, নাইজেরিয়াতে এটা কাজে লাগানো যায়৷

বেকারত্ব নিরসনঃ 
নাইজেরিয়ার ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের এক চতুর্থাংশেরই কোনো নিয়মিত আয় নেই৷ অনেককেই শেষ পর্যন্ত জীবনধারণে বেছে নিতে হয় ভিক্ষাবৃত্তি বা চুরি৷ আহমেদ বলছেন, এদের অনেকে রাজনীতির শিকারে পরিণত হয়, কেউ জড়িয়ে পড়ে মৌলবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে৷ এ জন্য তাদের বিকল্প উপায় দিতে হবে৷

সাধারণ কিন্তু কার্যকরঃ
নির্মাণ প্রক্রিয়া বিস্ময়করভাবে সহজ৷ প্লাস্টিকের খালি বোতল বালি এবং পাথরকুচি দিয়ে ভর্তি করা হয়৷ এরপর নাইলনের দড়ি দিয়ে বেঁধে সেগুলোকে একটার ওপর একটা সাজিয়ে কাদা দিয়ে আটকে দেয়া হয়৷ এই পদ্ধতি যে শুধু পরিবেশবান্ধব তাই নয়, খরচও অনেক কম৷ এতে নির্মাণ খরচ প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কমানো সম্ভব৷

বুলেটপ্রুফ এবং ভূমিকম্প-প্রতিরোধীঃ
বোতল বাড়ির আরেক বড় সুবিধা- স্থায়িত্ব৷ বালিভর্তি বোতলগুলো প্রায় অবিনশ্বরই বলা চলে৷ দক্ষিণ অ্যামেরিকার হন্ডুরাসে বানানো এমন কিছু বাড়ি ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পেও অক্ষত ছিল৷ নির্মাতাদের দাবি, এই বাড়িগুলো বুলেটপ্রুফ৷

অসীম সৃষ্টিশীলতাঃ
আবুজা প্রকল্পে নানা আকারের ও বর্ণের প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার করা হয়৷ ফলে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ডিজাইনে বাড়ি বানাতেও কোনো বাধা নেই৷ উত্তর নাইজেরিয়ার ঐতিহ্যবাহী বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে নানা রং ও নকশা মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে  অপূর্ব কিছু বাড়ি

পরস্পরকে পেটানোর হুমকি ট্রাম্প-বাইডেন’র (Trump-Baiden threatens to beat each other)

trump biden


মায়ামিতে যৌন নিপীড়নবিরোধী একটি র‌্যালিতে যোগ দিয়ে ২০০৫ সালে নারীদের নিয়ে ট্রাম্পের করা আপত্তিকর মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন ওবামা সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এমনকি ওই র‌্যালিতে দেয়া ভাষণে ট্রাম্পকে পিটিয়ে তুলোধুনো করারও হুমকি দেন তিনি।

হোয়াইট হাউজের মসনদে বসে এমন সমালোচনা নিশ্চয় চুপ করে সইতে পারেন না ট্রাম্প। পাল্টা জবাব দিতে তিনিও সরব হলো। পাটকেল ছুড়লেন জো বাইডেনের দিকে। বাইডেনকে পেটানোর হুমকি দিলেন ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের এ সংক্রান্ত একটি টুইটারের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো এমন খপর প্রকাশ করেছে।

টুইটে ট্রাম্প লিখেছেন: ‘‘ক্ষ্যাপা জো বাইডেন নিজেকে শক্তিশালী লোক বলে প্রমাণের চেষ্টা চালাচ্ছে। আসলে সে দুর্বল। সে শারীরিক ও মানসিক দুদিক থেকেই আমার চেয়ে দুর্বল।

তারপরও সে আমায় ভয় দেখাচ্ছে। এ নিয়ে দু’দুবার সে আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ভয় দেখিয়েছে। সে আসলে চেনে না আমি কেমন মানুষ। সে জানে না, সে হয়তো কেঁদেও পার পাবে না।’’
গত মঙ্গলবারের ওই র‌্যালিতে জো বাইডেন “Access Hollywood” নামের একটি ভিডিও বার্তা তুলে ধরেন। ২০০৫ সালে ওই ভিডিও টেপে নারীদের সম্পর্কে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নারীদের অনুমতি ছাড়াই আমি তাদের শরীর স্পর্শ করতে পারি। অনেকবার এমনটি করেছিও।

জো বাইডেন ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে তার ভাষণে বলেন, ‘হাইস্কুলের ছাত্র হলে আমি ট্রাম্পকে জিমনেসিয়ামের পেছনে ডেকে নিয়ে পেটাতাম।’

ট্রাম্পের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বাইডেন আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে ট্রাম্প কোনও নারীকে নিয়ে এমন আপত্তিকর মন্তব্য করলে আমি ওকে নিশ্চিত পেটাবো। যারা নারীদের অবমাননা করে তারা কুৎসিত।’

এসময় তিনি ট্রাম্পকে বিশেষ ইতর প্রাণীর সঙ্গেও তুলনা করেন। সূত্র: ইয়াহো ডটকম 

শশী লজ কেবল একটি সাধারণ স্থাপনা নয় (Shoshi Lodge)

শশী লজ


নাম শুনে শশী লজকে খুব সাধারণ কোনোকিছু মনে হতেই পারে আপনার। তবে শশী লজ কেবল একটি সাধারণ স্থাপনা নয়, এর সাথে জড়িয়ে আছে অতীত অনেক ইতিহাস।

‘শশী লজ’ (Soshi Lodge) ময়মনসিংহ শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত মহারাজা শশীকান্ত আচার্যের বাড়ির নাম। স্থানীয়ভাবে এটি ময়মনসিংহ রাজবাড়ি নামেও পরিচিত। এ লজের অদূরে ব্রহ্মপুত্র নদ। জমিদার মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য ১৮ শতকের শেষার্ধে ‘ক্রিস্টাল প্যালেস’ নামে এক মনোরম প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন, যা ‘রংমহল’ নামেও পরিচিত ছিল। ১৮৯৭ সালের ১২ জুন গ্রেট ইন্ডিয়ান ভূমিকম্পে এ প্রাসাদ ধ্বংস হয়ে যায়। ১৯ শতকের একদম শুরুর দিকে মহারাজ সূর্যকান্ত আচার্য একই স্থানে বাইজেন্টাইন ধাঁচের নির্মাণ শৈলীতে শশী লজের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ভবনটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই সূর্যকান্ত আচার্য মত্যুবরণ করেন। নিঃসন্তান সূর্যকান্তের দত্তক পুত্র শশীকান্ত আচার্য ১৯০৫ সালে এ ভবনটির নির্মাণ কাজ শেষ করেন। তাঁর নাম অনুসারে এ ভবনের নামকরণ হয় ‘শশী লজ’। মহারাজ শশীকান্ত ১৯১১ সালে শশী লজের সৌন্দর্যবর্ধনে কিছু সংস্কার কাজ করে এ ভবনকে করে তোলেন অনিন্দ্যসুন্দর।

শশী লজে প্রবেশ করলে প্রথমেই আপনার দৃষ্টি কেড়ে নেবে বিশাল এক শ্বেত মার্বেল পাথরের ভেনাসের পূর্ণাঙ্গ মূর্তি। এছাড়া ভেতরে ১৮টি বিশাল বিশাল ঘর নিয়ে শশী লজ। বারান্দা ও করিডোর নিয়ে ভবনটি ৫০,০০০ বর্গ ফুটের কম হবে না। পুরো ভবনের ফ্লোর মার্বেল পাথর দিয়ে নির্মিত। ছাদে উঠার জন্য একটি কারুকাজ খচিত লোহার প্যাঁচানো সিঁড়ি আছে। পুরো ভবনে রানিং ওয়াটারের লাইন টানা আছে। ভবনের ভেতরে আধুনিক টয়লেটও আছে। ভবনটি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এর অনেক কিছুই এখনও নষ্ট হয়নি।

পেছনে রয়েছে পাড় বাঁধানো পুকুর। পুকুর পাড়ে হাওয়া খাওয়ার জন্য দ্বিতল ছোট্ট ভবন। পুকুর পাড়েই গোলাকৃতির একটি কাপড় পরিবর্তনের ঘর রয়েছে। লজের চারপাশে এখনও কিছু বিশদাকায় বৃক্ষ কালের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। সেই ১০০ বছরেরও অধিকাল আগের নির্মিত সীমানা প্রাচীর আজও প্রায় অটুট আছে।

ভাবছেন, কীভাবে যাবেন শশী লজে? ঢাকার যেখান থেকে ময়মনসিংহ যাবার বাস পাবেন, সেখান থেকেই বাসে উঠে ময়মনসিংহ শহরে নামবেন। (মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে এনা বাস যায়)। সেখান থেকে যেকোনো রিক্সা বা ইজি বাইকে শশী লজ বা ময়মনসিংহ রাজবাড়ি বলে দরদাম করে ভাড়া ঠিক করবেন। ব্যস, পৌঁছে যাবেন শশী লজে!

Friday, June 26, 2020

সুশান্তের মৃত্যু হত্যা না আত্নহত্যা সি বি আই তদন্তের দাবি রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের (rupa ganguly)



বলিউড রপালী জগতের প্রতিভাবান অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়।

বৃহস্পতিবার তিনি এ বিষয়ে তিনটি টুইট করেন। গত ১৪ জুন রবিবার মুম্বইয়ের বান্দ্রার বাসভবন থেকে সুশান্তের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর এই অকাল মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনও রহস্য আছে এই মৃত্যুর পিছনে? এই প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত মায়া নগরীর অভিনেতা, অভিনেত্রী, সুশান্তের আত্মীয় পরিজন, গুণমুগ্ধরা। এই আবহেই তরুণ প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। বিজেপির রাজ্যসভার এই সাংসদ আবেগমথিত ভাষায় তিনটি টুইট করেছেন। লিখেছেন, ' আমরা বাবা, মা, সতীর্থ, বন্ধু, পরিবার, নাগরিক হিসাবে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে দায়ী থেকে যাবো, যদি সুশান্ত প্রকৃত বিচার না পায়। আর নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য সিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া উচিত। তিনি আরও লিখেছেন, ' আমরা কি বিষয়টা এমনিই ছেড়ে দেবো? যেখানে অনেক প্রশ্নের উত্তর নেই। আমরাও কি তাহলে এমন প্রতিভার অপমৃত্যুর জন্য দায়ী থাকবো না?' যেখানে আমাদের দেশে প্রত্যেকের আইনের সাম্যের অধিকার রয়েছে, সেখানে আমরা কাউকে সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারিনা।'

বিবাহের প্রথম বছর কি সত্যিই কঠিন? (Is The First Year Of Marriage Really The Hardest? )


couple love

বিবাহের প্রথম বছর একটি অল্প বিস্তর দ্বন্দ্ব এবং নিজের সাথে দোটানার বছর।ব্যাপকভাবে মধুযামিনী সময় হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।প্রায় সব দম্পতিদের জন্য একসঙ্গে তাদের পরবর্তী অধ্যায়ের শুরু করতে হয় প্রথম বছর বিশেষ করে যারা পরিবারে সম্মতিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কিন্তু র্যাচেল এ,সউসমান, এলসিএসবি এরং নিউ ইয়র্ক সিটির রিলেশনশিপ কাউন্সিলিং বিশেষজ্ঞএর মতে, যে কোনও নতুন অভিজ্ঞতার মতই, বিবাহিত জীবন নিজস্ব চ্যালেঞ্জগুলি উপস্থাপন করতে বাধ্য যা সমাধান করা সহজ নাও হতে পারে।যতদুর পারা যায় একে অপরকে ছাড় দেবার মানসিকতা এই সব সম্যসার সহজ সমাধান দিতে পারে।

পুরাতন বিবাহিত রমনিদের সাথে কথা বলে জানা যায় বিবাহের প্রথম বছর সবচেয়ে কঠিন হচ্ছে না।"বিবাহের প্রথম বছর সত্যিই আনন্দিত হওয়া উচিত।বিবাহের প্রথম বছরের মধ্যে [অনেকগুলো সমস্যা আছে] যেসব সমস্যা দম্পতির সাথে শুরু হয়েছিল তাদের সমস্যা গুলো দূর হয়ে যায়।"

বিবাহের প্রথম বছর 9 কঠিন জিনিস মোকাবেলা করতে হয়ঃ
১। আপনি আপনার নতুন শিরোনাম সম্পর্কে উত্তেজিত হতে পারে।
২।আপনি নতুন অভ্যাসে আসক্ত হতে পারেন।
৩।নতুন দম্পতি ছেলে হবে না মেয়ে হবে? দেখতে কার মত হবে এই বিষয় নীয়ে খুনসুটিতে ব্যস্ত হতে পারে।
৪।অযথা গুজবে কান দিতে পারেন এবং একে অপরকে সন্দেহ করতে পারে।
৫।মাঝে মাঝে আপনি বিশ্বাস করতে চাইবেন না যে আপনি বিবাহিত।আপনি নিজেকে চিম্টি কেটে পরখ করতে চাইবেন।
৬।আপনি নিজেকে বয়স্ক মনে করতে পারেন।
৭। বিশ্বের সবচেয়ে ছন্নছাড়া ব্যক্তিটি রুটিন মাফিক চলতে অভস্ত্য হবে।
৮। অর্থের প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যেতে পারে।

এবং যদি আপনি প্রথম বছর উপভোগ করেন - মনে করেন আপনি আরও অনেকদুর  এগিয়ে যাবেন।