This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Tuesday, June 30, 2020

আলুর দোপিঁয়াজা (Potato dopi yoja)

আলুর দোপিঁয়াজা রান্না


উপকরণ

আলু ৫০০গ্রাম। পেঁয়াজ ৩০০ গ্রাম। তেল ৩ টেবিল-চামচ। হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ। মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ। গরম মসলাগুঁড়া আধা চা-চামচ। হিং এক চিমটি। আদাবাটা বা গুঁড়া আধা চা-চামচ। রসুনবাটা বা কাটা আধা চা-চামচ। ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ। লবণ স্বাদ মতো। আমচুর অথবা লেবুর রস আধা চা-চামচ। টমেটো মাঝারি ১টি। পেঁয়াজপাতা নিজের পছন্দ মতো। চিনি আধা চা-চামচ।

পদ্ধতি

প্রথমে আলু ভালোভাবে ছিলে কিউব করে কেটে ধুয়ে নিন। পেঁয়াজ কিউব করে কেটে প্যানে তেল দিয়ে বাদামি করে ভেজে আলু দিন। টমেটো, পেঁয়াজপাতা, আমচুর অথবা লেবুর রস এবং চিনি বাদে সব মসলা দিয়ে আর অল্প পানি দিয়ে ঢেকে দিন। অল্প আঁচে ছয় মিনিট রান্না করুন।
আলু গলে আসলে টমেটো, পেঁয়াজপাতা, আমচুর অথবা লেবুর রস এবং চিনি দিয়ে মিনিট দুএক নেড়ে নামিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন।
সাদাভাত, লুচি, রুটি এবং পরোটা দিয়ে খেতে দারুন।

জ্যাকলিনের হয়ে সাফাই গাইলেন সালমান (Salman Khan saves for Jacqulin)

jaqulin


'বাঘি ২' ছবিতে একটি 'আইটেম গান' হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে মাধুরী দীক্ষিত অভিনীত 'তেজাব' ছবির সেই বিখ্যাত ও প্রবাদতুল্য গান 'এক দো তিন'। তবে, এ ব্যাপারে একদম খুশি নন মূল ছবির অনেকেই, বিশেষ করে পরিচালক এন চন্দ্র। 'এক দো তিন'-এর নতুন এই 'জ্যাকলিন ফানার্ন্দেজ ভার্সন'কে সম্পূর্ণ 'অনুভূতিহীন' বলে আখ্যা দিলেন এই দুঁদে পরিচালক।


তবে, এমন পরিস্থিতিতে জ্যাকলিনের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন তাঁর 'রেস ৩' কো-স্টার বলিউড 'ভাইজান' সালমান খান। গানটির কিছু অংশ নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে প্রকাশ করে সালমান লেখেন, গানটি ভালো লেগেছে। যদিও মাধুরীর সাথে মেলানো সম্ভব নয়, তবুও গানটিতে কোরিওগ্রাফার সরোজ খানের লিজেন্ডারি মুভমেন্টের প্রতি যথেষ্ট সুবিচার করার চেষ্টা করেছেন জ্যাকলিন।
  
যদিও এ কথা মানতে একেবারেই নারাজ 'তেজাব' পরিচালক এন চন্দ্র। এ-প্রসঙ্গে উষ্মা প্রকাশ করে তিনি বলেন, কাজটি আমার ঠিক মনে হয়নি। এটিকে আমি 'ক্রিয়েটিভ ভ্যানডালিজম' বলতে চাই। এবং আমি চাই এ বিষয়ে একটি কঠিন আইন থাকুক। 


বার্তা সংস্থা আইএএনএস-এর সাথে কথা বলতে গিয়ে এন চন্দ্র বলেন, তাঁরা 'এক দো তিন'-এর এ হাল করবেন তা আমি ভাবতেও পারিনি। মাধুরীর জায়গায় আমি জ্যাকলিনকে ভাবতেও পারি না। এটা অসম্ভব। এটা অনেকটা সেন্ট্রাল পার্ককে  বোটানিক্যাল গার্ডেনে পরিণত করার মতো বিষয়। মাধুরীর সেই নাচে ছিল মাধুর্য আর সরলতায় পূর্ণ- ওটা আপনি এখন কোথায় পাবেন!


তবে, এ-প্রসঙ্গে মুখ খুলতে একেবারেই নারাজ সেলিব্রিটি নারী কোরিওগ্রাফার সরোজ খান। তবে, একটি তথ্য জানিয়ে দিই, মাধুরীর মূল গানে যাঁরা তাঁর সাথে নেচেছিলেন, তাঁদেরই একজন গণেশ আচার্য। তিনিই 'এক দো তিন'-এর জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ ভার্সন-এর কোরিওগ্রাফ করেছেন।


আগামী ৩০ মার্চ মুক্তি পাবে 'বাঘি ২'। তার আগে আসুন আমরা 'এক দো তিন'-এর ১ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডের রিডাক্সটা দেখে নিই।


সূত্র : এনডিটিভি

Saturday, June 27, 2020

পাকিস্তানে সামরিক ঘাঁটি খুলছে চীন, কৌশলগত চাপে ভারত (China opens military bases in Pakistan, India under strategic pressure)

china army


সম্প্রতি এক রিপোর্টে জানা গেছে, ইতিমধ্যে ইসলামাবাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনাও শুরু করে দিয়েছে বেইজিং। ভারতের ওপর কৌশলগত চাপ বাড়াতে চীন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে ইরানের চবাহার বন্দরের অদূরে জিয়ানিতে চীন সামরিক ঘাঁটি করবে। তাৎপর্য পূর্ণভাবে চবাহার বন্দর পুননির্মাণে ইরানকে সাহায্য করছে ভারত।এমনকি ইরানের চাবাহার থেকে আফগানিস্তানের হাজিগক পর্যন্ত যে করিডর নির্মাণের কাজ চলছে তার প্রধান বিনিযোগকারী দেশ ভারত। এই করিডর নির্মাণের কাজ শেষ হলে আফগানিস্তান হয়ে ইরান পর্যন্ত ভারতীয় পণ্য রপ্তানি আরও মসৃণভাবে করা যাবে।

তাছাড়া ভৌগলিকগত দিক থেকেও এই এলাকার গুরুত্ব অনেক। একদিকে রয়েছে গালফ অফ ওমান সীমান্ত অন্যদিকে আছে বালোচিস্তান প্রদেশ।ফলে জিয়ানিতে সামরিক ঘাঁটি হলে গোটা চত্বরে নজরদারি চালাতে পারবে চীন। একই সঙ্গে চবাহার থেকে হাজিগক পর্যন্ত করিডরও চীনের নজরদারির আওতায় চলে আসবে।

এ ব্যাপারে এক দক্ষিণ এশীয় বিশেষজ্ঞের মতে, ‘বেজিং এবং ইসলামাবাদ উভয়েরই যৌথভাবে পাকিস্তানের মাটিতে নৌ এবং বিমানসেনা ঘাঁটি তৈরি করার ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে এমন কোনো পদক্ষেপের প্রয়োজন নেই।’

উল্লেখ্য, দেশের বাইরে এর আগে আফ্রিকার জিবুতিতে নৌসেনাঘাঁটি খুলেছে চীন।

যেভাবে ভূমিকম্প প্রতিরোধ করবে বোতলের তৈরি বাড়ি (How to prevent earthquake bottles made home)


funny house


কি অবাক হচ্ছেন তাইনা ? ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের নাম শুনলেই আমরা চিন্তায় পড়ে যাই। কারণ বিপুল পরিমাণ প্রাণঘাতী দুর্যোগের নাম ভূমিকম্প। কোনো রকম পূর্বাভাস জানার উপায় নেই। হঠাৎ ঘটে যায় এ দুর্যোগ। ধ্বংস হয় জনপথ। প্রাণ হারায় মানুষ।

ভূমিকম্প প্রতিরোধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি গ্রহণ করে থাকে।তবে এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই নাইজেরিয়া।তাই ভূমিকম্প প্রতিরোধে বোতলের বাড়ি বানাচ্ছেন তারা।
এই বোতলের বাড়িতে তেমন খরচ নেই বললে চলে। এছাড়া প্লাস্টিক দূষণ ঠেকাতে, বেকারত্ব দূর ও ভূমিকম্প প্রতিরোধে নতুন এক প্রকল্প হাতে নিয়েছে নাইজেরিয়া৷
জার্মান উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে সাত বছর আগে নাইজেরিয়ার কিছু নির্মাণশ্রমিককে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিল। তাদের অনেকেই এখন পরিণত হয়েছেন দক্ষ প্রশিক্ষকে৷ এখন বোতল বাড়ি নির্মাণকাজে আগ্রহীদের সংখ্যাও বেড়ে চলেছে৷
আসুন দেখে নেয়া যাক বোতল দিয়ে কীভাবে ভূমিকম্প প্রতিরোধে বাড়ি তৈরি করে নাইজেরিয়ার অধিবাসীরা।

নাইজেরিয়ার বোতল বাড়িঃ
প্লাস্টিক দূষণ ঠেকাতে ও বেকারত্ব দূর করতে নতুন এক প্রকল্প হাতে নিয়েছে নাইজেরিয়া৷ প্রকল্পের আওতায় প্লাস্টিক বোতল এবং বালি দিয়ে বানানো হচ্ছে বাসাবাড়ি৷ এই বাড়িগুলো পরিবেশসম্মত এবং দীর্ঘস্থায়ী৷

প্রশিক্ষণ, দক্ষতাঃ
ইটের বাড়ি বানানোর প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন সিইবা৷ কিন্তু গত সাত বছর ধরে তিনি ইটের বদলে বাড়ি বানাচ্ছেন বোতল দিয়ে৷

ভিন্ন ধরনের রিসাইক্লিংঃ
প্রায় ১৯ কোটি মানুষের দেশটিতে প্লাস্টিক একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে৷ প্লাস্টিক বোতল মাঝেমধ্যেই দেশটির শহরগুলোর পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায় বাধা সৃষ্টি করে৷ বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও বাজে রূপ নেয়৷ বছরে উৎপাদিত ৩ দশমিক ২ টন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দেশটিতে নেই তেমন কার্যকর ব্যবস্থা৷ ফলে রিসাইক্লিং যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দিয়েছে৷
প্রকল্পের উদ্যোক্তাঃ

নির্মাণ প্রকৌশলী ইয়াহিয়া আহমেদ জার্মানিতে ২৭ বছর ধরে বাস করেছেন, চাকরিও করেছেন৷ নিজের দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশদূষণ নিয়ে তিনি বেশ চিন্তিত৷ দক্ষিণ অ্যামেরিকায় বানানো এ ধরনের কিছু বাড়ি থেকেই এই ধারণা পান আহমেদ৷ তিনি বলেন, জার্মানিতে এক বন্ধু আমাকে এ বুদ্ধি দেয়৷ ভাবলাম, নাইজেরিয়াতে এটা কাজে লাগানো যায়৷

বেকারত্ব নিরসনঃ 
নাইজেরিয়ার ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের এক চতুর্থাংশেরই কোনো নিয়মিত আয় নেই৷ অনেককেই শেষ পর্যন্ত জীবনধারণে বেছে নিতে হয় ভিক্ষাবৃত্তি বা চুরি৷ আহমেদ বলছেন, এদের অনেকে রাজনীতির শিকারে পরিণত হয়, কেউ জড়িয়ে পড়ে মৌলবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে৷ এ জন্য তাদের বিকল্প উপায় দিতে হবে৷

সাধারণ কিন্তু কার্যকরঃ
নির্মাণ প্রক্রিয়া বিস্ময়করভাবে সহজ৷ প্লাস্টিকের খালি বোতল বালি এবং পাথরকুচি দিয়ে ভর্তি করা হয়৷ এরপর নাইলনের দড়ি দিয়ে বেঁধে সেগুলোকে একটার ওপর একটা সাজিয়ে কাদা দিয়ে আটকে দেয়া হয়৷ এই পদ্ধতি যে শুধু পরিবেশবান্ধব তাই নয়, খরচও অনেক কম৷ এতে নির্মাণ খরচ প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কমানো সম্ভব৷

বুলেটপ্রুফ এবং ভূমিকম্প-প্রতিরোধীঃ
বোতল বাড়ির আরেক বড় সুবিধা- স্থায়িত্ব৷ বালিভর্তি বোতলগুলো প্রায় অবিনশ্বরই বলা চলে৷ দক্ষিণ অ্যামেরিকার হন্ডুরাসে বানানো এমন কিছু বাড়ি ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পেও অক্ষত ছিল৷ নির্মাতাদের দাবি, এই বাড়িগুলো বুলেটপ্রুফ৷

অসীম সৃষ্টিশীলতাঃ
আবুজা প্রকল্পে নানা আকারের ও বর্ণের প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার করা হয়৷ ফলে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ডিজাইনে বাড়ি বানাতেও কোনো বাধা নেই৷ উত্তর নাইজেরিয়ার ঐতিহ্যবাহী বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে নানা রং ও নকশা মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে  অপূর্ব কিছু বাড়ি

পরস্পরকে পেটানোর হুমকি ট্রাম্প-বাইডেন’র (Trump-Baiden threatens to beat each other)

trump biden


মায়ামিতে যৌন নিপীড়নবিরোধী একটি র‌্যালিতে যোগ দিয়ে ২০০৫ সালে নারীদের নিয়ে ট্রাম্পের করা আপত্তিকর মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন ওবামা সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এমনকি ওই র‌্যালিতে দেয়া ভাষণে ট্রাম্পকে পিটিয়ে তুলোধুনো করারও হুমকি দেন তিনি।

হোয়াইট হাউজের মসনদে বসে এমন সমালোচনা নিশ্চয় চুপ করে সইতে পারেন না ট্রাম্প। পাল্টা জবাব দিতে তিনিও সরব হলো। পাটকেল ছুড়লেন জো বাইডেনের দিকে। বাইডেনকে পেটানোর হুমকি দিলেন ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের এ সংক্রান্ত একটি টুইটারের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো এমন খপর প্রকাশ করেছে।

টুইটে ট্রাম্প লিখেছেন: ‘‘ক্ষ্যাপা জো বাইডেন নিজেকে শক্তিশালী লোক বলে প্রমাণের চেষ্টা চালাচ্ছে। আসলে সে দুর্বল। সে শারীরিক ও মানসিক দুদিক থেকেই আমার চেয়ে দুর্বল।

তারপরও সে আমায় ভয় দেখাচ্ছে। এ নিয়ে দু’দুবার সে আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ভয় দেখিয়েছে। সে আসলে চেনে না আমি কেমন মানুষ। সে জানে না, সে হয়তো কেঁদেও পার পাবে না।’’
গত মঙ্গলবারের ওই র‌্যালিতে জো বাইডেন “Access Hollywood” নামের একটি ভিডিও বার্তা তুলে ধরেন। ২০০৫ সালে ওই ভিডিও টেপে নারীদের সম্পর্কে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নারীদের অনুমতি ছাড়াই আমি তাদের শরীর স্পর্শ করতে পারি। অনেকবার এমনটি করেছিও।

জো বাইডেন ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে তার ভাষণে বলেন, ‘হাইস্কুলের ছাত্র হলে আমি ট্রাম্পকে জিমনেসিয়ামের পেছনে ডেকে নিয়ে পেটাতাম।’

ট্রাম্পের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বাইডেন আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে ট্রাম্প কোনও নারীকে নিয়ে এমন আপত্তিকর মন্তব্য করলে আমি ওকে নিশ্চিত পেটাবো। যারা নারীদের অবমাননা করে তারা কুৎসিত।’

এসময় তিনি ট্রাম্পকে বিশেষ ইতর প্রাণীর সঙ্গেও তুলনা করেন। সূত্র: ইয়াহো ডটকম 

শশী লজ কেবল একটি সাধারণ স্থাপনা নয় (Shoshi Lodge)

শশী লজ


নাম শুনে শশী লজকে খুব সাধারণ কোনোকিছু মনে হতেই পারে আপনার। তবে শশী লজ কেবল একটি সাধারণ স্থাপনা নয়, এর সাথে জড়িয়ে আছে অতীত অনেক ইতিহাস।

‘শশী লজ’ (Soshi Lodge) ময়মনসিংহ শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত মহারাজা শশীকান্ত আচার্যের বাড়ির নাম। স্থানীয়ভাবে এটি ময়মনসিংহ রাজবাড়ি নামেও পরিচিত। এ লজের অদূরে ব্রহ্মপুত্র নদ। জমিদার মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য ১৮ শতকের শেষার্ধে ‘ক্রিস্টাল প্যালেস’ নামে এক মনোরম প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন, যা ‘রংমহল’ নামেও পরিচিত ছিল। ১৮৯৭ সালের ১২ জুন গ্রেট ইন্ডিয়ান ভূমিকম্পে এ প্রাসাদ ধ্বংস হয়ে যায়। ১৯ শতকের একদম শুরুর দিকে মহারাজ সূর্যকান্ত আচার্য একই স্থানে বাইজেন্টাইন ধাঁচের নির্মাণ শৈলীতে শশী লজের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ভবনটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই সূর্যকান্ত আচার্য মত্যুবরণ করেন। নিঃসন্তান সূর্যকান্তের দত্তক পুত্র শশীকান্ত আচার্য ১৯০৫ সালে এ ভবনটির নির্মাণ কাজ শেষ করেন। তাঁর নাম অনুসারে এ ভবনের নামকরণ হয় ‘শশী লজ’। মহারাজ শশীকান্ত ১৯১১ সালে শশী লজের সৌন্দর্যবর্ধনে কিছু সংস্কার কাজ করে এ ভবনকে করে তোলেন অনিন্দ্যসুন্দর।

শশী লজে প্রবেশ করলে প্রথমেই আপনার দৃষ্টি কেড়ে নেবে বিশাল এক শ্বেত মার্বেল পাথরের ভেনাসের পূর্ণাঙ্গ মূর্তি। এছাড়া ভেতরে ১৮টি বিশাল বিশাল ঘর নিয়ে শশী লজ। বারান্দা ও করিডোর নিয়ে ভবনটি ৫০,০০০ বর্গ ফুটের কম হবে না। পুরো ভবনের ফ্লোর মার্বেল পাথর দিয়ে নির্মিত। ছাদে উঠার জন্য একটি কারুকাজ খচিত লোহার প্যাঁচানো সিঁড়ি আছে। পুরো ভবনে রানিং ওয়াটারের লাইন টানা আছে। ভবনের ভেতরে আধুনিক টয়লেটও আছে। ভবনটি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এর অনেক কিছুই এখনও নষ্ট হয়নি।

পেছনে রয়েছে পাড় বাঁধানো পুকুর। পুকুর পাড়ে হাওয়া খাওয়ার জন্য দ্বিতল ছোট্ট ভবন। পুকুর পাড়েই গোলাকৃতির একটি কাপড় পরিবর্তনের ঘর রয়েছে। লজের চারপাশে এখনও কিছু বিশদাকায় বৃক্ষ কালের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। সেই ১০০ বছরেরও অধিকাল আগের নির্মিত সীমানা প্রাচীর আজও প্রায় অটুট আছে।

ভাবছেন, কীভাবে যাবেন শশী লজে? ঢাকার যেখান থেকে ময়মনসিংহ যাবার বাস পাবেন, সেখান থেকেই বাসে উঠে ময়মনসিংহ শহরে নামবেন। (মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে এনা বাস যায়)। সেখান থেকে যেকোনো রিক্সা বা ইজি বাইকে শশী লজ বা ময়মনসিংহ রাজবাড়ি বলে দরদাম করে ভাড়া ঠিক করবেন। ব্যস, পৌঁছে যাবেন শশী লজে!

Friday, June 26, 2020

সুশান্তের মৃত্যু হত্যা না আত্নহত্যা সি বি আই তদন্তের দাবি রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের (rupa ganguly)



বলিউড রপালী জগতের প্রতিভাবান অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়।

বৃহস্পতিবার তিনি এ বিষয়ে তিনটি টুইট করেন। গত ১৪ জুন রবিবার মুম্বইয়ের বান্দ্রার বাসভবন থেকে সুশান্তের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর এই অকাল মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনও রহস্য আছে এই মৃত্যুর পিছনে? এই প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত মায়া নগরীর অভিনেতা, অভিনেত্রী, সুশান্তের আত্মীয় পরিজন, গুণমুগ্ধরা। এই আবহেই তরুণ প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। বিজেপির রাজ্যসভার এই সাংসদ আবেগমথিত ভাষায় তিনটি টুইট করেছেন। লিখেছেন, ' আমরা বাবা, মা, সতীর্থ, বন্ধু, পরিবার, নাগরিক হিসাবে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে দায়ী থেকে যাবো, যদি সুশান্ত প্রকৃত বিচার না পায়। আর নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য সিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া উচিত। তিনি আরও লিখেছেন, ' আমরা কি বিষয়টা এমনিই ছেড়ে দেবো? যেখানে অনেক প্রশ্নের উত্তর নেই। আমরাও কি তাহলে এমন প্রতিভার অপমৃত্যুর জন্য দায়ী থাকবো না?' যেখানে আমাদের দেশে প্রত্যেকের আইনের সাম্যের অধিকার রয়েছে, সেখানে আমরা কাউকে সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারিনা।'

বিবাহের প্রথম বছর কি সত্যিই কঠিন? (Is The First Year Of Marriage Really The Hardest? )


couple love

বিবাহের প্রথম বছর একটি অল্প বিস্তর দ্বন্দ্ব এবং নিজের সাথে দোটানার বছর।ব্যাপকভাবে মধুযামিনী সময় হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।প্রায় সব দম্পতিদের জন্য একসঙ্গে তাদের পরবর্তী অধ্যায়ের শুরু করতে হয় প্রথম বছর বিশেষ করে যারা পরিবারে সম্মতিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কিন্তু র্যাচেল এ,সউসমান, এলসিএসবি এরং নিউ ইয়র্ক সিটির রিলেশনশিপ কাউন্সিলিং বিশেষজ্ঞএর মতে, যে কোনও নতুন অভিজ্ঞতার মতই, বিবাহিত জীবন নিজস্ব চ্যালেঞ্জগুলি উপস্থাপন করতে বাধ্য যা সমাধান করা সহজ নাও হতে পারে।যতদুর পারা যায় একে অপরকে ছাড় দেবার মানসিকতা এই সব সম্যসার সহজ সমাধান দিতে পারে।

পুরাতন বিবাহিত রমনিদের সাথে কথা বলে জানা যায় বিবাহের প্রথম বছর সবচেয়ে কঠিন হচ্ছে না।"বিবাহের প্রথম বছর সত্যিই আনন্দিত হওয়া উচিত।বিবাহের প্রথম বছরের মধ্যে [অনেকগুলো সমস্যা আছে] যেসব সমস্যা দম্পতির সাথে শুরু হয়েছিল তাদের সমস্যা গুলো দূর হয়ে যায়।"

বিবাহের প্রথম বছর 9 কঠিন জিনিস মোকাবেলা করতে হয়ঃ
১। আপনি আপনার নতুন শিরোনাম সম্পর্কে উত্তেজিত হতে পারে।
২।আপনি নতুন অভ্যাসে আসক্ত হতে পারেন।
৩।নতুন দম্পতি ছেলে হবে না মেয়ে হবে? দেখতে কার মত হবে এই বিষয় নীয়ে খুনসুটিতে ব্যস্ত হতে পারে।
৪।অযথা গুজবে কান দিতে পারেন এবং একে অপরকে সন্দেহ করতে পারে।
৫।মাঝে মাঝে আপনি বিশ্বাস করতে চাইবেন না যে আপনি বিবাহিত।আপনি নিজেকে চিম্টি কেটে পরখ করতে চাইবেন।
৬।আপনি নিজেকে বয়স্ক মনে করতে পারেন।
৭। বিশ্বের সবচেয়ে ছন্নছাড়া ব্যক্তিটি রুটিন মাফিক চলতে অভস্ত্য হবে
৮। অর্থের প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যেতে পারে।

এবং যদি আপনি প্রথম বছর উপভোগ করেন - মনে করেন আপনি আরও অনেকদুর  এগিয়ে যাবেন।

Thursday, June 25, 2020

ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ইনিংসের রান সেরা পাঁচটি (Highest innings totals in One-day Internationals)


গত দেড় দশক ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দলের ব্যাটিংয়ের ক্ষমতা সীমিত ওভারের ক্রিকেটে পুরোপুরি আলাদা স্তরে চলে গেছে। ওয়ানডে ক্রিকেট বিশেষত ৩৫০ টিরও বেশি স্কোরকে সাধারণ হয়ে উঠেছে। বল পরিবর্তনের নিয়ম, সংক্ষিপ্ত সীমানা এবং উন্নত মানের ব্যাটসের সাহায্যে ব্যাটসম্যানদের দিকে খেলা ঝুঁকছে।

ব্যাটসম্যানরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বোলারদের দাপট বিস্তার করতে দেখা যায় এবং বোলাদের উইকেটের জন্য খুব কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। ফলশ্রুতিতে বেশিরভাগ সময় ধরে ৫০ ওভারের ফর্ম্যাটে দলটি মোট রান ৩৫০ পার করে চলেছ

সবভাবনা ব্লগস্পোট ডটকম এখানে ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ পাঁচটি সর্বোচ্চ দলীয় রান সংগ্রহ করেছে এমন রেকর্ড তুলে ধরছে।

ইংল্যান্ড ৪৮১/৬ (২০১৮ সালে বনাম অস্ট্রেলিয়া) England 481/6 (vs Australia in 2018)

মাঠের অবৈধ ক্রিয়াকলাপ এবং মানসম্পন্ন বোলারদের ইনজুরির সমস্যা। সেই সাথে শীর্ষ বাটসম্যানদের ইঞ্জুরীতে পড়ার কারণে তাদের শীর্ষ ব্যাটসম্যানরা  সফর স্থগিত করে। এইরকম এক কঠিন সময় অস্ট্রেলিয়ান ভঙ্গুরদল ২০১৮ সালে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলার জন্য ইংল্যান্ড সফর করেছিল। স্বাগতিক ইংল্যান্ড সুপার ফর্মে ছিলো এবং নির্মম ছিল, কারণ তারা 5 ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রতিটি খেলায় অসিদের 5-0 ব্যবধানে পরাজিত করেছিল।

ইংল্যান্ড 444/3 (2016 সালে বনাম পাকিস্তান)

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডর মালিক বিশ্বের প্রথম সারির ওয়ানডে দলের অন্তর্গত, ইংল্যান্ড। নটিংহামের ট্রেন্ট ব্রিজ বিগত কয়েক বছরে ব্যাটিং স্বর্গে এবং বোলারদের জন্য একটি কবরস্থান ছিল। স্টেডিয়ামটি বেশ কয়েকটি ওডিআই ব্যাটিংয়ের রেকর্ড ভেঙে যাওয়ার সাক্ষী এবং তাও দ্রুত গতিতে। 2016 সালের আগস্টে, পাকিস্তানের বোলাররা ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের ক্রোধের মুখোমুখি হয়েছিল, স্বাগতিকরা দু'বছর পরে একই ভেন্যুতে নিজের রেকর্ড ভাঙার আগে ৪৪৪/৩ রানে তখনকার সেরা রান করেছিল।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে ওপেনার জেসন রায়কে (১৫) বাদ দিয়ে পুরো ব্যাটিং অর্ডারে বিস্ফোরিত হয়ে চার ও ছক্কা ফুল ফোটাতে থাকে গ্যলারী জুড়ে। এই ম্যাচে ওপেনার অ্যালেক্স হেলস তাঁর সর্বোচ্চ ওয়ানডে স্কোরটি নিখুঁতভাবে  করেন । তিনি মোট 122 বলে 172 রেকর্ড করেছিলেন। যা একটি বিশাল টোটালের জন্য নিখুঁত প্ল্যাটফর্ম স্থাপন করেছিলেন। জো জো রুট (৮৫) এরপরে ইংল্যান্ডকে সঠিক পথে রাখার জন্য মাঝের ওভারগুলিতে সুন্দরভাবে সহায়তা করেছিলেন এবং তারপরে জোস বাটলার (৫১ বলে ৯০*) এবং অধিনায়ক ইইন মরগান (২৭ বোলে ৫৭*) নিশ্চিত বড় স্কোর গড়তে যাহায্য করে।পাকিস্তানের অধিনায়ক আজহার আলীর ব্যবহৃত সাত বোলার ইংল্যান্ডের জাগরনটাকে এক সেকেন্ডের জন্যও থামতে পারেননি। ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত ১৬৯ রানের বিশাল ব্যবধানে ম্যাচটি জিতে যায়।

শ্রীলঙ্কা 443/9 (2006 সালে বনাম নেদারল্যান্ডস)

অনেকেই ভুলে যেতে পারেন যে 2006 সালে শ্রীলঙ্কা সর্বোচ্চ ওয়ানডে স্কোরের বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিল।প্রায় ৯ বছর ধরে এই রেকর্ড অক্ষত ছিলো। অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলের বিপক্ষে খেলে শ্রীলঙ্কা  এই রান করেন। অ্যামস্টেলভিনে ৪ জুলাই ৪৪৩/৯ স্কোর করে লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা ডাচ বোলারদের নিয়ে রীতিমত ছেলে খেলায় মেতে উঠেছিলো। সনাত জয়সুরিয়া (১০৪ বলে ১৫৭) এবং তিলকরত্নে দিলশান (৭৮ বলে ১১৭) রান করেছিলেন।অতিরিক্ত ৩৪ রান দেন নেদারল্যান্ডসের বোলাররা।যা শ্রীলঙ্কাকে তত্কালীন সর্বোচ্চ রান অর্জনে সহায়তা করেছিল। জবাবে, নেদারল্যান্ডস ২৪৮ রান করে প্রতিরোধ গড়ে তোলার দুর্বল প্রচেস্টা চালান।ফলে ১৯৫ রানে পরাজিত হন।

দক্ষিণ আফ্রিকা 439/2 (2015 সালে বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

২০১৯ সালে এবি ডি ভিলিয়ার্স এবং তার দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ব্যাট হাতে আগুনের বৃষ্টিপাত ঝরান । ফলশ্রুতিতে ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম বিশেষ ম্যাচ - দ্য পিঙ্ক ওয়ানডে - কে অবিস্মরণীয় করে তুলেছিল। ৪৩৯/২ স্কোর করে, ব্যাস্টে দক্ষিণ আফ্রিকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং আক্রমণকে গণহত্যা করে উইন্ডিজ ক্রিকেটের ইতিহাসের অন্যতম খারাপ দিন হিসাবে পরিণত করেছিল। মিঃ ডি ভিলার্স, সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে, সেই ম্যাচের দ্রুততম গতিতে ওয়ানডেকে স্মরণীয় করে তোলে। ৫৯ মিনিট সময় ক্রেজে থেকে মাত্র ৪৪ বলে ১৪৯ রান করে খেলাকে আনন্দদায়ক করে তোলেন। যদিও ডি ভিলার্স সেদিন ব্যাট হাতে যাদুকর ছিলেন, ওপেনার হাশিম আমলা (১৪২ বলে ১৫৩ অপরাজিত) এবং রিলে রসউ (১১৫ বলে ১২৮ রান) খুব অবিস্মরণীয় সার্পোট দেন, যার ফলে বিশ্বজুড়ে সবাই ম্যাচ দেখার জন্য তাদের টিভি সেটে স্থির ছিল। । সেদিন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানদের দুর্দান্ত ছোঁয়ায়  হতাশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনও উত্তর ছিল না। প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা যে সমস্ত স্পর্শ করেছে সেগুলি সোনায় পরিণত হয়েছিল। যদিও ওয়েস্ট ইন্ডিজের আত্মসমর্পণের আগে ২৯১ / ৭ রান স্পর্শ করে।তারপরও দিনটি দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি এ বি ডি ভিলার্সের ছিলো।

দক্ষিণ আফ্রিকা 438/9 (বনাম অস্ট্রেলিয়া 2006 সালে)

ক্রিকেটের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ম্যাচ ছিলো এটি। পরে ব্যাট করেও যে বিশাল রান তাড়া করা যায় সেই ইতিহাস দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বারা লিখিত হয়েছিল 12 ই মার্চ, 2006 এ জোহানেসবার্গে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। পরাজয়ের চোয়াল থেকে বিজয় চুরি করে, প্রোটিয়ারা সেদিন বিশ্বকে প্রমাণ করেছিল যে 435-র মতো কঠোর একটি লক্ষ্যও তাড়া করা যেতে পারে। ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়াম এবং বিশ্বজুড়ে ভক্তরা উভয় দলেরই রেকর্ড ব্রেকিংয়ের প্রচেষ্টার মুখোমুখি হয়েছিল, যেহেতু স্বাগতিকরা ৫০ ওভারের ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ায় ৪৩৫ রানের এক অসম্ভব রান তাড়া করে। রিকি পন্টিং 105 বলে 164 রান করে ।হার্শেল গিবসকে ইনিংসের শেষ বলে বাউন্ডারী হাকান।  গ্রিম স্মিথের 90 এবং মার্ক বাউচারের অপরাজিত 50 রান করেন। ম্যাচের  প্রতিটি মুহুর্ত ব্যাট এবং বলের মধ্যে একটি মহাকাব্য লড়াই ছিল। সর্বকালের সবচেয়ে স্নায়ুবিক ম্যাচে বড় অঙ্কের রান তাড়া করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪৩৮ / ৯ দিয়ে শেষ হয়েছিল, যা ওয়ানডে ফর্ম্যাটে পঞ্চম সর্বোচ্চ রান। এটি দ্বিতীয় ইনিংসের একটি বিরল স্কোর যা ওয়ানডে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের তালিকায় রয়েছে। 

গুগল এবং ফেসবুক আপনার সম্পর্কে কি জানেন(What Google and Facebook know about you)



একজন প্রযুক্তিবিধ, কনসালট্যান্ট এবং ওয়েব ডেভেলপার তার টুইটার একাউন্টে লিখেছে,গুগল এবং ফেসবুক স্মার্টফোন মালিক অনলাইন বা অফলাইন কি করে সব কিছু জানেন এবং তথ্যটি ডিভাইসটির ডেটা মুছে ফেললেও গুগল এবং ফেসবুক তা সংরক্ষিত রাখে।ডিলান কারারণ লিখেছেন "নিজেকে নির্দোষ করতে চান?" ফেসবুক এবং গুগল আপনার অনুমতি ছাড়া ঠিক কতটা দেখানো হবে।এটি উপলব্ধি করে না "।

 এখানে এর তালিকা থেকে একটি পয়েন্ট  নির্বাচন করা হলোঃ

আপনি আপনার ফোনটি চালু করলে Google আপনার অবস্থানটি সংরক্ষণ করে (যদি এটি চালু থাকে) এবং আপনি আপনার ফোনে Google ব্যবহার শুরু করার প্রথম দিন থেকে  টাইমলাইনে দেখাতে পারেন।

Google আপনার সমস্ত ডিভাইসগুলিতে অনুসন্ধান ডেটা একটি পৃথক ডেটাবেসে সঞ্চয় করে দেয়, তাই আপনি আপনার অনুসন্ধান ইতিহাস এবং ফোন ইতিহাস মুছে ফেলার পরও, Google শেষ পর্যন্ত সবকিছু সংরক্ষণ করে রাখে।এই ঝামেলা থেকে মুক্ত হতে সবকিছু মুছে নিতে হবে এবং তা আপনার সমস্ত ডিভাইস করতে থেকেই।

আপনার অবস্থান, লিঙ্গ, বয়স, শখ, কর্মজীবন, আগ্রহ, সম্পর্কের স্থিতি, সম্ভাব্য ওজন এবং আয় সহ আপনার তথ্য ভিত্তিক  একটি বিজ্ঞাপন প্রোফাইল তৈরি করে Google

Google আপনার ব্যবহৃত প্রতিটি অ্যাপ্লিকেশন এবং এক্সটেনশনের তথ্য সংরক্ষণ করে, আপনি কত ঘন ঘন তাদের ব্যবহার করেন, যেখানে আপনি তাদের ব্যবহার করেন, এবং যাদের সাথে আপনি যোগাযোগ করেন (আপনি কোনও ফেইসবুকের সাথে কথা বলছেন, কোন দেশের সাথে কথা বলছেন, আপনি কোন সময় যাবেন ঘুমানোর জন্য) সব তথ্য থাকে গুগলের কাছে।আপনার অনুমতি ছাড়াই গুগল তা ৩য় পক্ষের নিকটি বিক্রি করতে পারে।

গুগল আপনার সব ইউটিউব ইতিহাস সংরক্ষণ করে, যদি আপনি প্রগতিশীল, যদি আপনি ইহুদি, খৃস্টান বা মুসলিম হন, আপনি রক্ষণশীল হন, শীঘ্রই আপনি মা বাবা হতে চলেছেন কিনা তা জানতে পারে, ' যদি আপনি অ্যানোরিক্সিক হন তাহলে আপনি হতাশ বা আত্মহত্যা অনুভব করছেন সে তথ্য থাকবে গুগলের কাছে।গুগল আপনার সম্পর্কে সংরক্ষণ করে সব তথ্য ডাউনলোড করার একটি বিকল্প প্রস্তাব করে, "আমি এটি ডাউনলোড করার জন্য অনুরোধ করেছি এবং ফাইলটি 5.5 গিগাবাইট বড়, যা প্রায় তিন মিলিয়ন শব্দের দস্তাবেজ।

ফেসবুক (Facebook) আপনার সমস্ত তথ্য ডাউনলোড করার জন্য একটি অনুরূপ বিকল্প প্রস্তাব দেবে, প্রায় 600MB, যা প্রায় 400,000 শব্দ দস্তাবেজ হয়।

এতে আপনি যে বার্তাটি পাঠিয়েছেন বা পাঠানো হয়েছে তার প্রত্যেকটি ফাইল আপনি কখনও পাঠিয়েছেন, আপনার ফোনে সমস্ত পরিচিতি এবং আপনি যে সমস্ত অডিও বার্তা পাঠিয়েছেন বা পাঠানো হয়েছে সব কিছু থাকে ফেসবুকে।

ফেসবুকে (Facebook) আপনি যা পছন্দ করেছেন তার উপর ভিত্তি করে আপনি এবং আপনার বন্ধুরা কী বিষয়ে কথা বলছেন তার উপর ভিত্তি করে ফেসবুকে সেগুলি সংরক্ষণ করে।আপনার জন্য বিজ্ঞাপন দেখাতে পারে এবং সেই তথ্য সংরক্ষন করতে পারে।

কিছুটা নিখুঁতভাবে, তারা আপনার ফেসবুকে সর্বদা পাঠানো সমস্ত স্টিকার সংরক্ষণ করে।

তারা আপনার ফেসবুক লগ ইন করার সময়, যেখানে আপনি লগ ইন করেছেন, কোন সময় এবং কোন ডিভাইস থেকে লগইন করে রাখেন।সব জানে।