This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Wednesday, June 17, 2020

রাঁচি স্বপ্ন ময় দুনিয়ার হাতছানি। (Ranchi is the world's dreamy world)

ranchi


ঝাড়খণ্ড রাজ্যকে বিহার থেকে উৎকীর্ণ করা হয়েছে। এই রাজ্য ভূগর্ভস্থ খনিজ পদার্থের প্রাচুর্য ও ভারতের (India) সবচেয়ে ভারী শিল্পের জন্য অত্যন্ত বিখ্যাত।ছোটনাগপুর মালভূমির অরণ্যলিপ্ত পথে অবস্থিত ঝাড়খণ্ডকে যথাযোগ্যভাবে “ছোটনাগপুরের রাণী” বলে অভিহিত করা হয়।এই রাজ্যের হরপ্পা সভ্যতার মত পুরাতন এক সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। হাজারি বাগে হরপ্পা মৃৎশিল্পের আবিষ্কার তার প্রাচীনত্বের জন্য বিখ্যাত। এই অঞ্চল ভারতের (India traveling)স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিরসা মুন্ডার বীরত্বপূর্ণ কিংবদন্তী এখনও প্রতিটি মানুষের স্মৃতিতে জীবিত।

ঝাড়খণ্ড ভারতের এক অন্যতম কনিষ্ঠ রাজ্য।পূর্বে এই রাজ্যটি বিহার রাজ্যের অংশ ছিল।রাজ্যের রাজধানী রাঁচি (Rahchi) পূর্বে বিহারের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী ছিল।নবীন রাজ্য হলেও, ঝাড়খণ্ড যাওয়া খুব একটা কঠিন নয়।বহু সংখ্যক শিল্পকেন্দ্র কৌশলগতভাবে ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত এবং এক সুদৃঢ় যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা পরিবেশিত।

ভুটানের সেরা আকর্ষণীয় স্থান (Bhutan) 

ভারতের (India) পশ্চিম বঙ্গের রাজধানী কলিকাতার হাওড়া স্টেশন থেকে রয়েছে একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেন। কয়েকদিনের জন্য ঘুরে আসতে পারেন পড়শি রাজ্যে রাজধানী রাঁচি থেকে।কলকাতা থেকে সড়ক পথে দূরত্ব ৪৫০ কিলোমিটারের মতো। তবে ভারতে ট্রেনজার্নি আরাম দায়ক।সেই জন্য ট্রেনকেই আপনার যাত্রায় প্রথম পছন্দের তালিকায় রাখতে পারেন।

কি কি দেখবেন রাঁচিতে (interesting thing in Ranchi)

১। রক গার্ডেন
২। কাঁকে ড্যাম
৩। টেগোর হিলঃকথিত আছে, রবীন্দ্রনাথ তাঁর বিশ্ববিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘গীতাঞ্জলি’ রচনার কাজ শুরু করেছিলেন রাঁচির মোরাবাদি হিলে বসে, যা পরে টেগোর হিল নামে পরিচিত।
৪। হুড্রু জলপ্রপাত
৫। জগন্নাথ মন্দির
৬। পাহাড়ি মন্দির
৭। দেউরি মন্দির
৮। দশম জলপ্রপাত
৯। নক্ষত্র বন
১০। রাঁচি লেক
১১। সূর্য মন্দির
১২ বৈদ্যনাথ ধাম 


কীভাবে যাবেনঃ

হাওড়া থেকে শতাব্দী এক্সপ্রেস, রাঁচি ইন্টারসিটি, কিংবা রাঁচি-হাতিয়ার মতো একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেন পেয়ে যাবেন। এছাড়াও সাঁতরাগাছি থেকে অজমের এক্সপ্রেসেও যেতে পারেন। সড়ক পথে কলকাতা থেকে রাঁচির দূরত্ব ৪৫০ কিলোমিটারের মতো। গাড়িতে দুর্গাপুর, ধানবাদ হয়েও যেতে পারে। তাড়াতাড়ি যেতে চাইলে কলকাতা থেকে ফ্লাইটেও traveling করে রাঁচি যেতে পারেন।

কোথায় থাকবেনঃ

রাঁচি (Ranchi) শহরে বিভিন্ন মানের অসংখ্য হোটেল রয়েছে। তাই থাকার ক্ষেত্রে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। তবে আগে থেকে অনলাইনে হোটেল বুকিং করে নিলে সুবিধে হবে।
১। হোটেল রিভার ভিউ
2।এম্বাসি হোটেল
৩।চাণক্য হোটেল
৪।ওমরান ভিলা 

পরিদর্শনের (Traveling) সেরা সময়ঃ ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল

Monday, June 15, 2020

ঘরে হেয়ার কালার করার সময় মনে রাখুন এই ব্যাপারগুলো (Remember these things when you have hair color in the house)


hair color

ব্যস্ততাময় জীবনে সময় বের করে পার্লারে হেয়ার কালার করতে যাওয়াটা বেশ ঝক্কির। সেইসাথে একগাদা পয়সা খরচ হয়ে যাওয়ার ব্যাপার তো আছেই। তাই ইচ্ছে করলেই এখন ঘরে বসেই হেয়ার কালার করে নিতে পারেন আপনি। তবে, ঘরে হেয়ার কালার করার সময় পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরো সহজ করে ফেলার জন্য মনে রাখুন এই ছোট্ট এবং কার্যকরী টিপসগুলো!

১। আপনার চুলের স্বাস্থ্য ঠিক আছে তো? ভাবছেন, চুলের স্বাস্থ্যের সাথে হেয়ার কালারের কী সম্পর্ক? বলুন তো একবার, চুল যদি সুন্দর না হয়, তাহলে সেই চুলে ব্যবহার করা রঙ কী করে সুন্দর দেখাবে? তাই প্রথমেই চুলের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন। রুক্ষ ও ভঙ্গুর হলে আপনার চুল রং করানোর উপযুক্ত নয়। রং করানোর জন্য উপযুক্ত ঝলমলে স্বাস্থ্যকর চুল। এই চুলে কালার দীর্ঘদিন থাকে এবং দেখতেও ভালো লাগে। আপনার চুল যদি রুক্ষ হয় তবে প্রোটিন ট্রিটমেন্ট অথবা হেয়ার স্পা করিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসুন।

২। খেয়াল রাখুন যেন চুলে রং করার কিছুদিন আগে থেকে বেশি শ্যাম্পু করা বন্ধ করা হয়। কারণ, শ্যাম্পু করলে আপনার চুল দিনকে চিন রুক্ষ হয়ে উঠবে।

৩। নির্দিষ্ট সময়ের চাইতে বেশিক্ষণ কালার চুলে রাখবেন না। আপনি যে ডাইটি ব্যবহার করছেন, তার প্যাকেটের গায়েই একটি নির্দিষ্ট সময়ের কথা লেখা থাকে। ততটুকু সময় আপনার চুলে রাখুন। বেশি রাখলে যে চুল আরও বেশি কালার হবে, তা কিন্তু নয়। বরং আপনার চুল ড্যামেজ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এতে চুল ভেঙ্গে যায়।

৪। আপনার কপালে, গালে, পেছনে হেয়ার লাইনের নিচে রং লাগতে পারে তাই ভ্যাসলিন বা লিপ বাম মেখে নিন। একে বলা হয় কোটিং। এর মাধ্যমে রং লাগা প্রতিরোধ করা যায়।

Sunday, June 14, 2020

স্মার্টফোন ব্যবহার এই কাজ গুলো করা উচিত নয় (Smart Phone)


স্মার্টফোন ও মানুষ এখন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। বর্তমানে আমরা স্মার্টফোনের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে পড়েছি। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে শুরু করে রাতে ঘুম আসার আগে পর্যন্ত নিত্য সঙ্গী হয়ে উঠেছে।বাজার করা থেকে শুরু করে অফিসের কর্মচারীদের বেতন দেওয়া কিংম্বা ব্যাংকিং লেনদেন সবিই এখন আপ ব্যবহার করে করা হয়ে থাকে। আর আপ ব্যবহার করতে লাগে স্মার্টফোন। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে এমন কিছু ভুল করে থাকি যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খুবই খারাপ প্রভাব পড়ে। কিছু প্রভাব পড়ে আমাদের শরীলের উপর আর কিছু পড়ে আমাদের স্মার্টফোনের উপর।

সেই বিষয়গুলো নিচে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হলোঃ

শারিরিক প্রভাবঃ

১) ঘাড় ব্যথা ও মাথা ব্যথা

অন অফ দি কমন প্রবলেম। ফোনের দিকে তাকালে ঘাড় বাঁকাতে হয়। দীর্ঘক্ষণ ফোনের দিকে ঝুঁকে থাকার কারণে শুরু হয় মাথা ব্যথা।সোশ্যাল মিডিয়া ও ইন্টারনেটের এই যুগে আমরা টেলিভিশন ও স্মার্টফোনে দেখে থাকি। ফলে দীর্ঘ সময় স্কীনের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। যত বেশি ব্যবহার তত বেশি ঘাড় ও মাথার ব্যথা। এ সমস্যা এড়াতে চোখ বরাবর ফোন ধরা উচিত। এতে ঘাড়ের উপর চাপ পরবে না।

মনে রাখবেন ঘাড় বাঁকা করে দীর্ঘ সময় মোবাইল দেখবেন না।

২) কমতে পারে চোখের জ্যোতি

যুক্তরাজ্যের চক্ষু বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, মুঠোফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে দৃষ্টি বৈকল্য সৃষ্টি হতে পারে। এতে করে মায়োপিয়া বা ক্ষীণ দৃষ্টির সমস্যা দেখা দিতে পারে। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা সাধারণত চোখ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার দূরত্ব রেখে তা ব্যবহার করেন। তবে, অনেকের ক্ষেত্রে এ দূরত্ব মাত্র ১৮ সেন্টিমিটার। সংবাদপত্র, বই বা কোনো কিছু পড়ার ক্ষেত্রে সাধারণত চোখ থেকে গড়ে ৪০ সেন্টিমিটার দূরত্ব থাকে। চোখের খুব কাছে রেখে অতিরিক্ত সময় ধরে স্মার্টফোন ব্যবহার করলে জিনগত সমস্যা দেখা দিতে পারে। ক্ষীণদৃষ্টি সৃষ্টির জন্য যা ভূমিকা রাখতে সক্ষম। তাই ইহার কম ব্যবহার হতে পারে প্রতিরোধক। অথবা চোখ থেকে দূরে রাখেতে হবে যথাসম্ভব। কম দামী চায়না স্মার্টফোন গ্রলো চোখের জন্য মারাত্বক। তবে উন্নতমানের ফোনে ভালমানের আই প্রোটেক্টর লাগানো থাকে।

চায়না এবং কম মুল্যের সেট বর্জন করুন।

৩) ঘুমের মধ্য এস এম এস পাঠাতে পারেন

মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অতিরিক্ত সময় বার্তা পাঠানো, চ্যাটিং করার ফলে ঘুমের মধ্যেও এর প্রভাব পড়তে পারে। বার্তা পাঠানোর বিষয়টি মাথায় থাকে বলে ঘুমের মধ্যেও হাতের কাছে থাকা মুঠোফোন থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত নম্বরে বার্তা চলে যায়। একে বলে ‘স্লিপ টেক্সটিং’ সমস্যা।  এ সমস্যা হলে রাতে ঘুমের মধ্যে কাকে কী বার্তা পাঠানো হয় তা আর পরে মনে থাকে না।

মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে চ্যাটিং করবেন না।

৪) কানে কম শোনা

স্মার্টফোন (smart phone) ব্যবহারের ফলে কানের সমস্যা তৈরির বিষয়টি অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে। হেডফোন ব্যবহার করে উচ্চশব্দে গান শুনলে অন্তকর্ণের কোষগুলোর ওপর প্রভাব পড়ে এবং মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক আচরণ করে। অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে একসময় বধির হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফোনে অতিরিক্ত কথা বলা এবং অতিরিক্ত গান শোনা শরীল ও মানুসিক ক্ষতি কারন।

উচ্চশব্দে ফোন এবং হেডফোন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

৫) কমে যেতে পারে শুক্রাণু

গবেষকেরা জানান, মুঠোফোন থেকে হাই ফ্রিকোয়েন্সির ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন নির্গত হয়। এই ক্ষতিকর তরঙ্গের সঙ্গে মস্তিষ্কে ক্যানসারের যোগসূত্র থাকতে পারে। এ ছাড়া শরীরের অন্য কোষকলা এই ক্ষতিকর তরঙ্গের প্রভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে পুরুষের প্রজননতন্ত্রেরও। গবেষকেদের দাবি, মুঠোফোন থেকে নির্গত ক্ষতিকর তরঙ্গ শুক্রাণুর ওপর প্রভাব ফেলে এবং শুক্রাণুর ঘনত্ব কমিয়ে দিতে পারে।

অপ্রয়োজনে স্মার্টফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন



স্মার্টফোনের উপর প্রভাব

১) লো সিগনাল  

সিগনাল দুর্বল থাকলে ফোন থেকে রেডিও ওয়েব বেশি নির্গত হয়। এ কারণে ফোন গরমও বেশি হয়। এ সময় তাই হেডফোন ব্যবহার করা ভালো। এই সময় ফোন ব্যবহার করলে ফোনের স্বায়িত্ব কমে যেতে পারে।

2) বাথরুমে নিষিদ্ধ

অনেকেরই বাথরুমে গিয়ে স্মার্টফোন (smart phone) ব্যবহার করার প্রবণতা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এর ফলে আপনার স্মার্টফোনে অনেক বেশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে থাকে।তাই টয়লেটে স্মার্টফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

৩) ভাইব্রেশন 

সারাক্ষণ ফোন ভাইব্রেশনে দিয়ে রাখলে ব্যাটারি দ্রুত খরচ হয়। ফোনের আয়ু কমে যায়। তাই প্রয়োজন হলে ফোন সাইলেন্ট রাখা ভালো। এছাড়াও এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই স্মার্টফোনকে ভাইব্রেশনে রাখুন।

৪) বজ্রপাতের সময় ফোন চার্জ 

বজ্রপাত হলে পাওয়ার কর্ড দিয়ে বিদ্যুৎ ফোনে ঢুকতে পারে। তাই বজ্রপাতের সময় ফোন চার্জে না দিয়ে অপেক্ষা করতে হবে।এতে করে স্মার্টফোন (smart phone) পুড়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারে। তাই বজ্রপাতের সময় ফোন চার্জ দিবেন না।

৫) সফটওয়্যার আপডেট 

ফোনে আপডেটের নোটিফিকেশন আসলে তা এড়ানো ঠিক নয়। অ্যাপ আপডেট করলে অনেক বাগ ঠিক হয়, নিত্য নতুন ফিচারও পাওয়া যায়। স্টোরেজ দখল করলেও অ্যাপ আপডেট করার কোনো ক্ষতিকর দিক নেই। ফোন কে আপডেট না করাটা বোকামী। 

রোহিঙ্গা শরণার্থী মালয়েশিয়ায় আশ্রয় চায় (Rohingya refugees seeking shelter in Malaysia)

Rohingya


মালয়েশিয়ায় 62 হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা রয়েছে, মায়ানমারের নিজ বাড়িতে নিপীড়ন থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে কিন্তু স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারছে না। 45 বছর বয়সী শাজেন বিবি মায়ানমার থেকে মালয়েশিয়ায় চার বছর আগে তার ছয় সন্তানের সাথে একটি নৌকাতে করে উত্তাল সাগর পাড়ি দিয়ে জীবনকে হাতের মুঠোয় নীয়ে পালিয়ে এসেছিলেন।প্রাথমিকভাবে, তিনি রাখাইন রাজ্যের মংডু থেকে বিতাড়িত হন যদিও তিনি তার বাড়ি ছেড়ে যেতে অনিচ্ছুক ছিলেন।

শাজেন বিবি  স্মৄতিচারণ করে বলেন, "আমার গ্রামে, জীবন ভাল ছিল,আমরা ভালো ছিলাম,"এরপর মায়ানমারের সামরিক বাহিনী আমাদের জন্য জীবন কঠিন করে তুলতে শুরু করল।তারা হায়েনার মত আক্রমণ শুরু করলো।তারা আমাদেরকে মারধর করে, আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয় এবং আমাদের জমি নিয়ে যায়।আমাদের দুধের শিশুকে জলন্ত আগুনে নিক্ষেপ করে। "

শাজেন বিবি একজন রোহিঙ্গা, মিয়ানমারের একটি মুসলিম জাতিগত সংখ্যালঘু যাদের কে মূলত মায়ায়মার সেনাবাহিনী রাষ্ট্র থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। মায়ানমার সরকার তাদের প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে গণ্য করে এবং কয়েক দশক ধরে তাদের নির্যাতন করে আসছে।তার স্বামী তখন মালয়েশিয়ায় বাস করতে,একটি ভয় বিহিন ও হতাশা গ্রস্থ জীবন থেকে নিস্তার পাবার আশায় আদম পাচার কারী চক্রের মাধ্যমে মালেয়শিয়াতে এসে পৌছায়।

শাজেন বিবি স্মৄতিচারণ করেন যখন তার পরিবার ও অন্যান্য মানুষের সঙ্গে নৌকা উপর ছিল তখন সমুদ্র  ছিল রুক্ষ।নৌকাটি আবদ্ধ ছিল এবং সেখানে প্রচুর খাদ্য ও জল ছিল না।এক যাত্রী এই প্রতিকুলতার মাঝে বেঁচে ছিল না। "আমি ভয় পেয়েছিলাম। আমি ভাবলাম আমিও মারা যাব," বিবি বললেন।নৌকা টি থাইল্যান্ডের ভুখন্ডে ভিড়ে।সেখানে থেকে, মালয়েশিয়ায় স্থানান্তরিত হওয়ার আগে উদ্বাস্তুদের থাই মূল ভূখন্ডে নেয়া হয়েছিল।উত্তর মালয়েশিয়ায় কেদার রাজ্যের রাজধানী আলোর সেতারে বিবি ও তার সন্তানরা এসে আশ্রয় নেয়।

মালয়েশিয়ায় 62 হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা বাস করছে।কিছু বছর ধরে সেখানে আছে।অনেকের যাত্রা এখানে শেষ হয় কারণ থাইল্যান্ড থেকে মালয়েশিয়ায় বেশ কয়েকটি এন্ট্রি পয়েন্ট রয়েছে, যা প্রায়ই মায়ানমার থেকে ট্রানজিট রুট অংশ হিসাবে ব্যবহ্রত হয়। বিবির পরিবারটি শহরের বাইরে একটি গ্রামে একটি লম্বা কাঠের ঘর ভাড়া করে বসবাস করে।তার তিন সন্তান খরচ মেটানোর জন্য বাহিরে কাজ করে।কিন্তু কোন আইনগত অবস্থা ছাড়াই, তারা শুধুমাত্র ক্ষুদ্রাকৃতির কাজ করতে সক্ষম এবং শোষণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

মালয়েশিয়ার জাতিসংঘের শরণার্থী কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী দেশ নয় এবং এভাবে শরণার্থীদের সুরক্ষা প্রদান করে না।শরণার্থীরা আইনত কাজ করতে পারে না বা সরকারী স্কুল যেমন পাবলিক স্কুলে ভর্তি হবার অধিকার পায় না।বিবি তার সন্তানের স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগ আছেন। "এখন আমার স্বামী আর এখানে নেই, আমিও ভাবি যে আমি যদি চলে যাই তবে তাদের কী হবে।"

সব শরণার্থী গল্প নীরব হয়, তবে মালয়েশিয়ায় 17 বছর পর, 33 বছর বয়সী এনামুল্লা বিন শুনা মিয়া শেষপর্যন্ত তৃতীয় দেশ নিউজিল্যান্ডে চলে যাচ্ছেন । তার আশ্রয়ের আবেদন তৃতীয় প্রচেষ্টায় অনুমোদিত হয়।"আমি আবেদন করার পরিকল্পনা করিনি। আমি এখানে জীবনের সাথে আরামদায়ক ছিলাম, কিন্তু আমি আমার বাচ্চাদের সম্পর্কে ভাবি।আমরা যদি এখানে থাকি তাহলে তাদের ভবিষ্যতে কি ধরনের হবে?শুনা মিয়া বলেন।তিনি চান তাদের সন্তানদের, যাদের বয়স ছয় থেকে 11 বছর বয়সী, তাদের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পেতে এবং তাদের স্বপ্ন পূরণের একটি সুযোগ দিতে।

"আমার বড় ছেলে পুলিশের চাকুরী নিতে চায়।দ্বিতীয় পুত্র প্রকৌশলী হতে চায়।এবং আমার কনিষ্ঠ কন্যা বলে যে সে একজন শিক্ষক হতে চায়। "

সরিষা ইলিশ (Shorshe Hilsa)

Shorshe Hilsa


বাংলাদেশী আসলেই ইলিশ মাছের ভক্ত বেশী। সব সময় ইলিশ খেতে না পারলেও ১লা বৈশাখে তাদের ইলিশ চাই। সারা বছরই একসময় দেশের বাজার গুলোতে রুপালী ইলিশ পাওয়া যেত। এখন তেমনটা পাওয়া যায় না। দুই চারটা পাওয়া গেলেও তা থাকে আকাশ ছোয়া মুল্য।

সর্ষে ইলিশ ছাড়া বৈশাখের আমেজটাই যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। ইলিশ মাছ রান্না অনেকের কাছেই কঠিন লাগতে পারে।তবে এখানে আমরা সহজ করে বর্ননা করবো। বৈশাখের পূর্বে দেখে নিন সরিষা ইলিশের সবচেয়ে সহজ রেসিপি -

উপকরণ:
১।ইলিশ মাছ ছয় টুকরা,
২।হলুদ সরিষা বাটা ১ টেবিল-চামচ,
৩।হলুদ ও মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ,
৪।পেঁয়াজ বাটা দুই টেবিল-চামচ,
৫।সরিষার তেল ১ টেবিল-চামচ,
৬।টমেটো অর্ধেকটা,
৭।পানি দেড় কাপ।

প্রণালি: কড়াইতে সরিষার তেল ঢালুন। সামান্য গরম হবার পর তাতে সরিষা বাটা, হলুদ ও মরিচগুঁড়া, টমেটো, পেঁয়াজ বাটা ও লবণ দিয়ে কষাতে থাকুন। এবার দেড় কাপ পানি ঢালুন। বলক উঠলে মাছগুলো দিয়ে ঢেকে দিন। ঝোলটা একটু মাখা মাখা হয়ে এলে কাঁচা মরিচ দিয়ে নামিয়ে নিন।

তার পর গরম গরম পরিবেশ করুন। মনে রাখবেন, সরিষা বেশিক্ষণ রান্না করলে তিতা হয়ে যায়। ধনেপাতা দিয়ে সাজিয়ে গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন সুস্বাদু সরিষা-ইলিশ

বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র 5 টি দেশ (the most poorest 5 countries of the world)

the most poorest 5 countries of the world


সোশ্যাল মিডিয়ায় অনাহারে কষ্ট পাচ্ছে এমন শিশুর ছবি পোস্ট করে মানুষকে অনেক কিছু জানানোর চেষ্টা করেন অনেকেই। তাতে কমেন্ট বা শেয়ার করে জনস্বার্থে প্রচার করারও অনুরোধ জানান। কিন্তু অনেকেই জানেন না এই বিশ্বে কটা দেশ, সবচেয়ে গরিবতম দেশগুলির তালিকায় সবচেয়ে শীর্ষে রয়েছে।

একটি দেশ ধনী না গরিব তা নির্ণয় করার জন্য সর্বোত্তম দুইটি উপায় বিবেচনা করা হয়। একটি হল সেদেশের সম্পদ এবং আরেকটি হল সে দেশের জনসংখ্যা। একটি দেশে যখন যথাযথভাবে এই দুইটি উপাদান বিদ্যমান থাকে তখন সে দেশের অর্থনৈতিক দিক উন্নয়নের বিশেষ সুযোগ থাকে।

আফ্রিকা মহাদেশে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে গরীব রাষ্ট্রগুলো। আজ তাদের মধ্যে এমন ৫টি দেশের সাথে পরিচয় করাবো যারা খুব মানবেতর জীবন যাপন করছে। যারা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক গরিব। এমনকি না খেয়েও দৈনিক অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে।

জেনে রাখুন পৃথিবীর ৫ গরিব রাষ্ট্র কোনগুলো।ঃ

কঙ্গো: দুনিয়ার সবচেয়ে দরিদ্রতম দেশ। দেশের প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ শুধুমাত্র অনাহারে মারা যান। ৪০ শতাংশ মানুষ আধপেটা খেয়ে বাঁচেন। দারিদ্রতার মাপকাঠি এই দেশ সবার প্রথমে। গৃহযুদ্ধের পর দেশের অর্থনীতি একেবারে জরাজীর্ণ হাল। ভ্রুক্ষেপ নেই সরকার ও প্রশাসনেরও।

দেশে কর্মসংস্থানের কোনও বালাই নেই। মধ্য আফ্রিকার এই দেশে রাস্তায় রাস্তায় মানুষ খিদের জ্বালায় ছোটাছুটি করে। জিডিপি পার ক্যাপিটা ৩৪৮ মার্কিন ডলার।

লাইবেরিয়া: পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে অর্থনীতি একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। যেটুকু ছিল তা ইবোলা হানার পর নি:শেষ হয়ে গিয়েছে। একজন লাইবেরিয়ান সদ্যোজাত ৩৫০০ মার্কিন ডলার ঋণ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। জিডিপি পার ক্যাপিটা ৪৫৬ মার্কিন ডলার।

জিম্বাবুয়ে: একেবারে দেউলিয়া দেশ। রাষ্ট্রনেতা রবার্ট মুগাবের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ, ক্ষোভ-বিক্ষোভ রয়েছে। সম্পদে পরিপূর্ণ দেশ হলেও জিম্বাবুয়ে দেউলিয়া দেশে পরিণত হয়েছে। অর্থনীতির হাল এতটাই খারাপ যে ১ মার্কিন ডলারের মূল্য জিম্বাবোয়েতে দাঁড়িয়েছে ৩৬২ টাকা। জিডিপি পার ক্যাপিটা ৪৮৭ মার্কিন ডলার।

বুরুন্ডি: পূর্ব আফ্রিকার এই দেশের অর্থনীতি একেবারে বেহাল দশা। জিডিপি পার ক্যাপিটা ৬১৫ মার্কিন ডলার।

এরিত্রেয়া: গৃহযুদ্ধের পর বেহাল দশা এই দেশে। প্রশাসনিক গাফলতির কারণে আফ্রিকার এই দেশ বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র দেশের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে। জিডিপি পার ক্যাপিটা মার্কিন ৭৩৫ ডলার।

Friday, June 12, 2020

ভারতীয় নারীদের বিদেশী ক্রিকেটার স্বামী (Indian cricket)


ভারতে ক্রিকেট (Cricket) এতটাই জনপ্রিয় যে প্রতি টিন এন এজ রমনিদের স্বপ্ন থাকে ক্রিকেটার বিয়ে করা । ভারতের রমনীরা (Indian Woman) বিদেশী খেলোয়ারদের সম্পর্কে খুব ভালো ধারনা পোষন করেন।এই কারণে অনেক দেশের ক্রিকেটার ভারতের সুপার সেক্সী মেয়ের প্রতি প্রভাবিত হয়ে এদেশের মহিলাদের বিয়ে করেছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই সকল ক্রিকেটারদের সম্পর্কে।

৯) গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এবং ভিনি রমান : সাম্প্রতিক কালে জানা গিয়েছে যে অস্ট্রেলিয়ান এই অলরাউন্ডার ভারতীয় সুন্দরী সদালাপী ভিনি রমানকে বিয়ে করতে চলেছেন। সুতরাং তিনিও ভারতের জামাই হচ্ছেন শীঘ্রই। আর ভারত বাসী অচিরেই একজন অস্ট্রেলিয়ান জামাই বাবু পেতে যাচ্চে।

৮) সুনীল নারিন এবং ব্লাক ডায়ামন্ড নন্দিতাঃ আই পি এলে কেকেআর'র অন্যতম বোলিং অস্ত্র ক্যারিবিয়ান স্পিনার সুনীল নারিন। শান্তশিষ্ট নারিন বিপক্ষ ব্যাটিংয়ের মুর্তিমান আতঙ্ক। বর্তমানে ব্যাট হাতেও তাণ্ডব চালাতে সিদ্ধহস্ত তিনি। তবে নারিনের অনুপ্রেরণা কিন্তু তার স্ত্রী নন্দিতা কুমার।নারিন ও তার স্ত্রী দু’জনেই হিন্দু ধর্ম অনুসরণ করেন। নারিন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার। বেশ কয়েকবছর প্রেম করার পর ২০১৩ সালে ভারতীয় হিন্দুমতে নন্দিতার সঙ্গে বিয়ে হয় সুনীল নারিনের।

৭) হাসান আলি এবং সুন্দরী শামীমা আরজু :- অতি সম্প্রতি মাত্র কয়েক মাস আগেই পাকিস্তানি এই পেস বোলার ভারতীয় নারী শামীমা আরজুকে বিয়ে করেন দুবাইতে। আপনারা সকলেই জানেন যে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে ক্রিকেট নিয়ে প্রতিদ্বন্ধীতা কতটা গভীর।এই এবারো পাকিস্তানের মাটিতে ক্রিকেট খেলতে আপত্তি জানানোর কারনে এশিয়া কাপ দুবাইতে সরিয়ে নেয়া হয়েছ। কিন্তু এই দুই দেশের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। হ্যাঁ, ভারতে অনেক মেয়েদের হৃদয় হরন করেছেন এই পাকিস্তানী ক্রিকেট খেলোয়ারেরা। এখন এই রেওয়াজকে আগে বাড়িয়ে পাকিস্তানের বোলার হাসান আলিও ভারতীয় এক নারীকে বিয়ে করেছেন।মহসিন খান, জাহির আব্বাস, শোয়েব মালিকদের পথে হেঁটে সেই তালিকায় নাম লেখালেন পাক পেসার হাসান আলি। ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের উত্তাপ ভালোবাসায় বাধা হয়ে উঠে দাঁড়াতে পারলেন না।শামিয়া ইংল্যান্ডে ইঞ্জিয়ারিং পড়েন। বর্তমানে দুবাইতে একটি বিমান সংস্থায় ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন।

৬) জাহির আব্বাস এবং রিতা লুথরা (সামিনা) :- বিখ্যাত পাকিস্তানি ওপেনার ৮০ দশকে রিতা লুথরা এক ভারতীয় মহিলার সাথে গাঁটছড়া বাঁধেন। এখন তারা করাচীতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।১৯৮৮ সালে ‘এশিয়ার ব্যাডম্যান’ জাহির আব্বাসের সঙ্গে বিয়ে রিতা লুথরার। গ্লস্টাশায়ারের হয়ে কাউন্টি খেলার সময় ইংল্যান্ডে ইন্টিরিয়র ডিজাইনিং নিয়ে পড়াশোনা করা রিতার দেখা হয় আব্বাসের সাথে। বিয়ের পর রিতার নাম পরিবর্তন করে হন সামিনা। দু’জনের বাবা একে অপরের বন্ধু ছিলেন। শোনা যায় ভারত-পাকিস্তান ভাগের পর পাকিস্তানের ফয়সালাবাদে থাকতেন রিতার বাবা।

৫) মুথাইয়া মুরালিধরন ও মধিমালা :- পেশাদার ক্রিকেটে যোগদানের পর খুব দ্রুতই শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের নির্বাচকদের নজরে পড়ে যান মুরালিধরন। এর মূল কারণ ছিল তার অদ্ভুত বোলিং অ্যাকশন, ক্রিকেটের ইতিহাসে তিনিই ছিলেন প্রথম রিস্ট-স্পিনিং অফ স্পিনার। তাছাড়া মুরালির অস্ত্রভাণ্ডার ছিল দারুণ বৈচিত্র্যময়, অফ ব্রেক ছাড়াও টপ স্পিন ও দুসরার সমন্বয় তাকে ক্রিকেটে গ্ররুত্বপুর্ন স্থান নিশ্চিত করেন।শ্রীলংকান এই কিংবদন্তি এক ভারতীয় নারী (মধিমালা)কে বিয়ে করেন ২০০৫ সালের চেন্নাইতে।টেস্টে ও ওয়ান ডে ক্রিকেটে সর্বাধিক উইকেট শিকারী তিনি। তবে দক্ষিণ ভারতীয় মধিমালার সৌন্দর্যের ‘গুগলি’তে বোল্ড হয়ে যান সর্বকালের সেরা অফ-স্পিনার মুরালীধরন।ব্যাটসম্যানরা বলেন বোলিং করার সময় মুরালীর হাসিটাই না কি তার বলের চেয়ে ভয়ঙ্কর!  অথচ এক সাক্ষাৎকারে মুরলী পত্নী জানিয়েছেন, মুরলীর হাসিতেই যেন বাঁধা পড়ে গেলাম তার হাঁসিতে ফেঁসে গেলাম৷ ২০০৫-এ ২১ মার্চ মাধিমালাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছেন শ্রীলঙ্কান বোলার। 


৪) শন ট্রেট এবং মাসুম সিং :- আইপিএল খেলতে এসে মনটা ভারতীয় সুন্দরীর হাতে সঁপে দেন প্রাক্তন অজি পেসার শন টেইট।বিখ্যাত অস্ট্রেলিয়ান পেস বোলার শন টেট আইপিএল সূত্রে এক ভারতীয় নারীর প্রেমে মুগ্ধ হয়েছিলেন। ২০১৪ সালে ভারতীয় মডেল মাসুমকে তিনি বিয়ে করেন। তাদের বিয়ে হয়েছিল মুম্বইতে। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে চার বছর খেলার সুবাদে মাসুমের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করেন তিনি। তার গতির সামনে বহু ক্রিকেটারই মুখ থুবড়ে পড়েছেন। কিন্তু টেট ভারতীয় সেক্সী মডেল মাসু্ম সিং এর সামনে নিজের উইকেট খুঁইয়ে বসেন। ভারতীয়কে বিয়ে করার সুবাদে চলতি বছরেই এদেশের নাগরিকত্বও পেয়েছন টেট।

৩) মহসিন খান এবং ইন্ডিয়ান হিরোইন রিনা রায়:-  ১৯৮৩-৮৪ অস্ট্রেলিয়া সফরে কেরিয়ারের সেরা ফর্মে ছিলেন পাকিস্তানের ওপেনার মহসিন খান। টানা দু’টি টেস্টে শতরান হাকিয়ে অজি পেসারদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলেন তিনি। পরে প্রথম পাকিস্তান ক্রিকেটার হিসেবে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরির নজির গড়েছিলেন। ডানহাতি মহসিন তখন বিশ্বের অন্যতম ‘এলিজেবল ব্যাচিলার’ ক্রিকেটার। সে সময় পাকিস্তান ওপেনারের প্রেমে হাবুডুবু খান বলিউড অভিনেত্রী রিনা রায়। ১৯৮৩ সালে দু’জনের চার হাত এক হয়। তবে তাদের সংসার জীবন বেশিদিন টেকেনি কিছুদিনের মধ্যেই বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

২) মাইক বিয়ার্লি এবং মনা সারাভাই :- ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম বিচক্ষণ ক্যাপ্টেন বলে পরিচিত মাইক ব্রেয়ারলিও ভারতীয় সুন্দরীর (Indian Woman) সুইংয়ে বোল্ড হন। ৭০ দশকের সময়ে শিল্পপতি গৌতম সারাভাইয়ের কন্যা মনা সারাভাইকে বিয়ে করেন। এখন তারা লন্ডনে বাস করছেন ও তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। ১৯৮১-তে অ্যাশেজ জয়ী ইংল্যান্ড অধিনায়ক ব্রেয়ারলির সঙ্গে গুজরাতি মহিলা সারাভাইয়ের প্রথম দেখা হয় ১৯৭৬-৭৭ ইংল্যান্ডের ভারত সফরে। স্ত্রী’র জন্য চার বছর গুজরাটি শেখেন প্রাক্তন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। ক্রিসমাসে ছুটি কাটাতে প্রায়ই আমেদাবাদে চলে আসেন ব্রেয়ারলি।

১) শোয়েব মালিক ও সানিয়া মির্জা :- পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক শোয়েব মালিক এবং ভারতের মহিলা টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার বিবাহের কথা সকলেই জানেন। ২০১০ সালে দুজনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন, সম্প্রতি তাদের একটি সন্তান হয়েছে। তাদের বিবাহ ঘোষনা পুরো ভারত কে স্বব্ধ করে দেয়। কারন সানিয়া মির্জা ছিলো তৎকালীন তরুন সমাজের আইকন। ব্যক্তি গত বিষয়ে রাষ্ট্রীয় ভাবে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হয় কিন্ত তাদের প্রেমের কাছে দুইদেশ হার মানে।টেনিস-ক্রিকেটের (Cricket) এমন মেলবন্ধন অতীতেও ঘটেনি। ১২ এপ্রিল, ২০১০। হায়দরাবাদে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ভারত-পাকিস্তানের তারকা খেলোয়াড় বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন।

Thursday, June 11, 2020

ভুটানের সেরা আকর্ষণীয় স্থান (bhutan)


প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পুণ্যভূমি ও শান্তির দেশ ভুটান ( Bhutan ) প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য এক অনন্য ভ্রমণ গন্তব্য। ভুটানকে বলা হয় ‘ড্রাগনের দেশ’। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ আর প্রকৃতির নিশ্চুপ নিসর্গ দিয়ে ঘেরা ভুটানের রয়েছে আধ্যাত্মিক সংস্কৃতি আর সুপ্রাচীন ঐতিহ্য। নিবিড় সবুজে ঘেরা ভুটান শান্ত, নিরিবিলি ও পরিচ্ছন্ন একটি সার্কভুক্ত দেশ। বাংলাদেশর নিকটতম প্রতিবেশী। রয়েছে সুউচ্চ পর্বত শ্রেণী, অসংখ্য ঝর্ণা, বৌদ্ধ মন্দির, প্রাসাদদূর্গ, পর্বতের গায়ে অসংখ্য গুহা ভুটানকে করেছে এই অঞ্চলের অন্যতম পর্যটন সমৃদ্ধ দেশ। সাজানো-গোছানো এই দেশটিতে দেখার মত রয়েছে অনেক কিছুই। ভুটানে একটিবার গেলেই এর সৌন্দর্য  আপনার মন কেড়ে নেবেই সেই সাথে মুগ্ধ করবেই। বাংলাদেশী ভ্রমণ প্রেমীদের অন্যতম পছন্দের দেশ ভুটান। বাংলাদেশ থেকে ভুটানের দূরত্ব কম হওয়ায় বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী পর্যটক এ দেশটিতে ভ্রমণে যায়। ভুটান যাওয়ার আগে আসুন জেনে নেয়া যাক এখানকার দুইটি আকর্ষণীয় স্থান সম্পর্কে।

পাহাড়ের ঢালে নয়ানাভিরাম ভুটান (Bhutan) এর রাজধানী থিম্পু

দক্ষিণ এশিয়ার একটি উল্লেখযোগ্য সুন্দর সাজানো ছোট্র দেশ ভুটান। ভুটানের রাজধানী শহর থিম্পু। ভুটানের বড় পাহাড়ের কোল ঘেঁষে নেমে গেলে যে উপত্যাকাটি চোখে পড়ে সেখানেই গড়ে উঠেছে থিম্পু শহর। খুবই ছোট শহর থিম্পু। চারতলার চেয়ে উঁচু কোনো ভবন চোখে পড়ল না। তবে থিম্পু শহর নিজেই ৮০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত।

অতীতে থিম্পু ছিলো দেশটির শীতকালীন রাজধানী আর পুনাখা ছিলো গ্রীষ্মকালীন রাজধানী। তবে ১৯৬২ সালে থিম্পু শহরটিকে দেশের স্থায়ী রাজধানীতে পরিণত করা হয়।

পাহাড়ের ঢালে ছোট্ট এই শহরে আছে অনেক ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান। থিম্পু গেলে অবশ্যই ঘুরতে মিস করবেন এই স্থানগুলো। এদের রয়েছে প্রচুর সমৃদ্ধ এতিহ্যময় ইতিহাস। থিম্পু শহরের প্রতিটি বাড়িতেই ভুটানের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের ছাপ লক্ষণীয়। এছাড়া  শহরটি খুবই পরিচ্ছন্ন ও  সাজানো গোছানো। থিম্পুতে বেড়ানোর মত জায়গার লিস্ট নিচে দেওয়া হলঃ

গ্রেট বুদ্ধ বা দরদেনমা

বার্ডস আই ভিই

শহরের বাড়িঘর

চাংলিমিথাং স্টেডিয়াম

ন্যাশনাল মেমোরিয়াল চর্টেন 

তাশি চো জং

ফার্মাস মার্কেট

থিম্পু চু

প্যারো না দেখলে ভুটান ( Bhutan ) সফর পুর্নতা পাবেনা

প্যারো সবুজ এ সাজানো উপত্যকা। আশেপাশের প্রশস্ত উপত্যকার তালিকার তালিকায় রয়েছে পারো। পা ছু নদীর তীরে সুন্দরভাবে অবস্থিত, পারো ভুটানের একটি মনোরম গন্তব্য। এটি একটি মনোমুগ্ধকর গন্তব্য। আপনি ভুটানে থাকাকালীন অবশ্যই অবশ্যই একটি দর্শন দিতে হবে। ট্র্যাকিং, রাফটিং, মাউন্টেন বাইকিং এবং কায়াকিংয়ের মতো অ্যাডভেঞ্চারের কেন্দ্র হওয়ায় প্যারো সেরা পর্যটন কেন্দ্র। ভুটানের শহর পারোতে রয়েছে রঙিন কাঠের দোকান এবং এখানকার রেস্তোঁরাগুলির খাবারের জন্যও বিখ্যাত। প্যারো প্রধান আকর্ষণগুলির মধ্যে রয়েছেঃ

টাইগার্স নেস্ট

চেল লা পাস

রিনপং জং, জাতীয় জাদুঘর এবং আরও অনেক কিছু!

Wednesday, June 10, 2020

এশিয়া কাপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আরো কিছুদিন পরে (Asia Cup)



করোনার কবলে একে একে স্থগিত হয়েছে বিভিন্ন সিরিজ। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ভারতের ঘরোয়া লিগ আইপিএল। এমনকি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অনিশ্চয়তা রয়েছে এশিয়া কাপ নিয়েও। গতকাল সোমবার এশিয়া কাপের সিদ্ধান্ত নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে আলোচনায় বসে সদস্যদেশগুলো। আলোচনায় চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)

তবে আশার কথা হলো, যথা সময়ে টুর্নামেন্টটি নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। করোনাভাইরাসের কারণে তৈরি হওয়া সংকটের কারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে চায় এসিসি। 

গতকাল আলোচনায় বসেছিল এসিসির কার্যনির্বাহী বোর্ড। যার সভাপতিত্ব করেন এশিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসিসির প্রধান ও বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। এ ছাড়া এবারের সভায় প্রথম যোগ দেন বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী।

এ সভায় এশিয়া কাপের সূচি নিয়েও কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। এ ছাড়া সূচি অনুযায়ী আগামী সেপ্টেম্বরেই আসরটি মাঠে গড়াবে সেটা নিয়েও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সভা শেষে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসিসি জানায়, ‘কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাব ও পরিস্থিতির আলোকে, সভায় ২০২০ এশিয়া কাপের সম্ভাব্য ভেন্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং যথাসময়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এবারের এশিয়া কাপের আয়োজক পাকিস্তান। কিন্তু পাকিস্তান গিয়ে খেলতে চিরাচরিত ভাবে আপত্তি জানিয়েছে ভারত। যার কারণে এবারের টুর্নামেন্টটিও বাইরের দেশে আয়োজন করা হবে। সেক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কথাই শোনা যাচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এবারের আসরও গড়াতে পারে মরুর দেশে। সবশেষ ২০১৮ সালের এশিয়া কাপের আয়োজকও ছিল আরব আমিরাত।

ফটোশুটের জন্য টপলেস শামা (Topless Shama for photo shoots)


Topless Shama for photo shoots

ফের টপলেস ছবি শেয়ার করলেন অভিনেত্রী শামা সিকন্দর। একটি ফটোশুটের জন্য টপলেস হয়ে পোজ দেন অভিনেত্রী। আর শামার সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।সম্প্রতি সৈকতে বসে বিকিনি পরে একটি ছবি শেয়ার করেন শামা সিকন্দর।

যা নিয়ে জোরদার আক্রমণের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। যদিও, সমালোচকদের যোগ্য জবাব দিয়ে চুপও করিয়ে দেন 'ইয়ে মেরি লাইফ হ্যায়' অভিনেত্রী। কিন্তু, তা সত্ত্বেও শামা সিকন্দরকে নিয়ে আলোচনা বন্ধ হয়নি। এবারেও সমালোচকদের পাত্তা না দিয়েই ফের ফটোশুট করেন শামা।

এদিকে তানিশা মুখোপাধ্যায় এবং মন্দিরা বেদির বিকিনি ছবি দেখে আক্রমণ করা হয় তাঁদেরও। তানিশাকে 'কঙ্কাল' বলে আক্রমণ করেন নেটিজেনদের একাংশ। অন্যদিকে মন্দিরা বেদি কেন ওই ধরনের বিকিনি পরে ছবি শেয়ার করেছেন, তা নিয়েও তোলা হয় প্রশ্ন।